চরম দারিদ্র্য থেকে ধনকুবের বনে যাওয়া তারকা খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর জীবনে চড়াই উতরাই কম নয়। এই ফুটবল তারকার রয়েছে একটি কোমল মন। অন্যরকম সেই রোনালদোর কিছু অজানা তথ্য জানব আজ।
তরুণ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো পর্তুগালের লিসবনে স্পোর্টিং একাডেমিতে পড়ার সময় অভাবের কারণে রাতের খাবার জোগাড় করতে পারতেন না। তখন বন্ধুদের সঙ্গে না খেয়েই রাত পার করতে হতো যদি একটি রেস্তোরাঁর কর্মীরা তাদের বেঁচে যাওয়া স্যান্ডউইচ বিনামূল্যে না দিতেন। দুর্দিনের সেই রেস্তোরাঁ কর্মীদের ভোলেননি রোনালদো। তারকা হওয়ার পর তাদের খুঁজে বের করে একটি রেস্তোরাঁ উপহার দিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রোনালদো।
চলন-বলন থেকে শুরু করে চুলের ছাঁট সর্বত্র স্টাইলের ছাপ থাকলেও এই তারকা ফুটবলারের শরীরে কোনো ট্যাটু নজরে পড়ে না। ১৫ বছর বয়সে হার্ট সার্জারি হয়েছিল তার। সে সময় তিনি বুঝেছিলেন রক্ত কতটা জরুরি। তখন অপরের প্রয়োজনে নিজেও রক্ত দানের সিদ্ধান্ত নেন। যতদিন সম্ভব রক্ত দিয়ে যেতে চান বলে শরীরে কোনো ট্যাটু করাননি এই তারকা।
পর্তুগালে মদ্যপান খুব সাধারণ ব্যাপার। কিন্তু রোনালদো মদ স্পর্শ করেন না। মাদকাসক্তির কারণে বাবার মৃত্যুর পর রোনালদো মদ না খাওয়ার শপথ নেন।
খেলা, অনুশীলন আর বাণিজ্যিক প্রচারণায় খুব ব্যস্ত সময় কাটে রোনালদোর। ব্যস্ত জীবনের সেই স্বল্প অবসরের একটা বড় সময় কাটান রান্নাঘরে। রাঁধতে খুবই ভালোবাসেন এই তারকা। শৌখিন রাঁধুনি হিসেবে প্রায়ই এটা-সেটা রান্না করে খাওয়ান পরিবারের সদস্যদের।