শ্রীপুরে বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে বনকর্মীরা হামলার শিকার, আহত ১৫

আপডেট : ৩০ জুন ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

গাজীপুরের শ্রীপুরে বনের জমি উদ্ধারে গিয়ে জবরদখলকারীদের হামলায় শিকার হয়েছেন বনকর্মীরা। এ সময় বিট কর্মকর্তা রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ১৫ জন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অন্য আহত বনকর্মীরা বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের ডোমবাড়ি চালা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে হামলাকারিরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

আহত বনকর্মীরা হলেন শ্রীপুর উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান রিপন, সদর বিট অফিসার আখতার হোসেন, বনকর্মী আবদুল মালেক, বিপ্লব হোসেন, আবদুর রহিম,শহিদুল ইসলাম, জসিম উদ্দীন, গাড়ি চালক আবুল কালাম,সাজু মিয়াসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

হামলাকারি অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আরমান হোসেন। সে ডোমবাড়ির চালা গ্রামের দুলাল মিযার ছেলে। এ সময় তাদের সাথে আরও অজ্ঞাত লোকজন হামলায় অংশ নেন বলে জানান শ্রীপুর সদর বিট কর্মকতা আখতার হোসেন।

আহত রেঞ্জ কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান রিপন বলেন, সকালে খবর আসে সাতখামাইর বিটের ডোমবাড়ি চালা এলাকায় বনের জমিতে বিল্ডিং করার কাজ চলছে। পরে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে দখলদারদের সাথে কথা বলা হয়। পরে সব বুঝিয়ে বিল্ডিং ভাঙার কাজ শুরু হলে বাড়ির মালিক আরমান  ও তার পরিবারের লোকজন অর্তকিত হামলা চালায়।

এ সময় ওদের মারধরে আমাদের কর্মকর্তাসহ ১৫ জন আহত হয়েছে। আহতরা বিভিন্ন ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। বেশি আহতরা শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছি। তিনি বলেন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এর আগেই হামলাকারিরা পালিয়ে গেছে।

আহত বনকর্মী আবদুল মালেক জানান, আমরা কাজ করছিলাম। আচমকা বাড়ির লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে বসে। এক সময় আমাদের অতিরিক্ত লোকজন ঘটনাস্থলে আসে। আহতদের উদ্ধার করেন। তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা বিভাগীয় সহকারি বন সংরক্ষক (এসিএফ) সামসুল আরেছিন বলেন হামলার খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে ছুটি আসি। এখানে আমাদের কর্মকর্তাসহ বনকর্মীদের চিকিৎসা চলছে। আমরা হামলার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আপাতত আহতদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ততায় আছি। পরে আরও বিস্তারিত জানানো যাবে।

শ্রীপুর মডেল থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়ে। তবে কাউকে পাওয়া যায়নি। বন কতৃর্পক্ষ এখনো থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগের ভিত্তে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত