ভাত রান্নার আগে চাল ধোয়া পানি বেশিরভাগ মানুষই ফেলে দেন। অথচ এই ঘোলাটে পানিতে থাকে স্টার্চ, খনিজ উপাদান ও কিছু পুষ্টিগুণ, যা নানাভাবে কাজে লাগতে পারে। অনেকেই একে মজা করে ‘তরল হোয়াইট গোল্ড’ বলে থাকেন। জেনে নিন চাল ধোয়া পানি ব্যবহারের কয়েকটি উপায়।
১. গাছের প্রাকৃতিক পুষ্টি
চাল ধোয়া পানি ঠা-া করে টবের গাছে দিতে পারেন। এতে থাকা স্টার্চ ও খনিজ উপাদান মাটির উপকারী অণুজীবের কার্যক্রমে সহায়তা করে, যা গাছের বৃদ্ধি ও পাতার সতেজতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে।
২. মেঝে পরিষ্কারে
হালকা ময়লা বা ধুলাবালি পরিষ্কারে চাল ধোয়া পানি ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে টাইলসের মেঝে মুছতে এটি একটি সহজ ও কম খরচের বিকল্প হতে পারে।
৩. পোড়া বাসন পরিষ্কারে
পোড়া দাগযুক্ত হাঁড়ি বা পাত্রে কিছুক্ষণ চাল ধোয়া পানি ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সাধারণ ডিশওয়াশ দিয়ে ধুলে ময়লা ও দাগ তুলতে তুলনামূলক সুবিধা হতে পারে।
৪. কম্পোস্ট সার তৈরিতে
বাড়িতে কম্পোস্ট তৈরি করলে সবজির খোসা ও জৈব বর্জ্যরে সঙ্গে অল্প পরিমাণ চাল ধোয়া পানি মিশিয়ে দিতে পারেন। এটি জৈব পদার্থ ভাঙার প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে।
৫. চুল ও ত্বকের যতেœ
অনেকেই চাল ধোয়া পানি চুল ধোয়ার পর কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করেন। আবার মুখ ধোয়ার কাজেও এটি ব্যবহার করা হয়। তবে ত্বক বা চুলে ব্যবহারের আগে সংবেদনশীলতা আছে কি না তা পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।