সবিশেষ

মুস্তাফা মনোয়ার : আধুনিক পাপেট নাট্যকলার জাদুশিল্পী

আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম

এদেশের লৌকিক ধারার পুতুলনাট্য চর্চা যেখানে প্রায় বিলুপ্ত, পুতুলনাট্যের শিল্পীরা পেশা পরিবর্তনের প্রতিযোগিতায় নিঃস্ব প্রায়, সামাজিক মর্যাদা ধূলিশয্যাগত—সে অবস্থায় ভিন্ন চিত্রপট রচনা করেছিলেন শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার। তার একক প্রচেষ্টা ও নিষ্ঠায় বাংলাদেশে সূচিত হয়েছে আধুনিক ধারার পুতুলনাট্য চর্চা। আধুনিক প্রচারমাধ্যম টেলিভিশনকে ব্যবহার করে এই শিল্পের সূচনা করলেও তার প্রচেষ্টা পরবর্তীকালে একটি প্রতিষ্ঠানে রূপলাভ করে। তিনি বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এদেশের ‘পুতুলনাচ’-এর পুতুলকে ‘পাপেট’-এ রূপান্তরিত করেন। মুস্তাফা মনোয়ার পাপেটের অপরিসীম শক্তিকে কাজে লাগিয়েছেন। তিনি পাপেটকে বিনোদনের সীমানা ছাড়িয়ে উন্নীত করেছেন সামাজিক উন্নয়ন ও শিক্ষা প্রসারের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে।

বাংলাদেশে আধুনিক পাপেটের জনক বলা হয় মুস্তাফা মনোয়ারকে। এর প্রধানতম কারণ হলো, পাপেটের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তার গবেষণা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উদ্ভাবনা এক নবতর মাত্রা তৈরি করেছে। তিনি বলেছেন, ‘এই মিডিয়া ডেভেলপ করতে গিয়ে, এই পাপেট্রি করতে গিয়ে আমাকে অনেক কিছু জানতে হয়েছে। পাপেট করতে হলে তাকে পাপেট্রির আনুষঙ্গিক যেমন—আলোক, সংগীত, স্কাল্পচার, পেইন্টিং, মুখের এক্সপ্রেশন কীভাবে হয় তার সবকিছু জানতে হয়, তবেই সার্থক পাপেট্রি হবে।’

মুস্তাফা মনোয়ার মূলত দণ্ড পুতুল বা রড পাপেটকে তার গবেষণা ও প্রয়োগের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। এদেশের লোকঐতিহ্যবাহী রড পাপেট মূলত বাঁশের কাঠি দিয়ে চালনা করা হতো। হাত নড়ত, মাথা আলাদাভাবে নড়ত না, শরীরও ছিল অনমনীয়। তার মতে, ‘থিয়েটার পাপেট মানে নানান রকম অঙ্গভঙ্গি। অর্থাৎ মুখ দিয়ে কথা বলতে পারে, চোখ নাড়াতে পারে, ঠোঁট নাড়াতে পারে, চুল নাড়াতে পারে—ভয় পেলে যেমন আমাদের চুল খাড়া হয়ে যায়, পাপেটেরও তেমন হয়।’

তার পাপেট-মানুষগুলোর অবয়ব ও গঠন প্রায় অবিকল বাস্তব চরিত্রের মতো। মুখের গঠন, চুল, চোখ, শারীরিক আকৃতি—সব মিলিয়ে একটি চরিত্রের স্বতন্ত্র পরিচয় ফুটে ওঠে। এমনকি হাতের গড়ন, তালু, আঙুল, নখ, পায়ের গঠন ও পায়ের আঙুল পর্যন্ত বাস্তব মানুষের আদলে তৈরি।

এদেশের জনপদের বিচিত্র পেশার মানুষজনের চরিত্রানুযায়ী মুখের আদল, ঠোঁটের গঠন, চুল, কান ইত্যাদি অতি সূক্ষ্মভাবে ভিজ্যুয়ালাইজ করার চেষ্টা করেছেন তিনি। যেমন গিট্টু, পারুল, বাউল প্রভৃতি চরিত্র এক-একটি আর্কিটাইপে পরিণত হয়েছে। এমনকি ষাঁড়, বক, সাপ, ছাগলছানা প্রভৃতি প্রাণী-পাপেটও বিশেষ চরিত্র হিসেবে একটি রূপক মাত্রা লাভ করেছে। গিট্টু বা পারুল আমাদের দিকে তাকিয়ে থেকেও যেন আরও দূরবর্তী কোনো বাস্তবতার দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করে থাকে।

তার পাপেটের অন্যতম সংযোজন ছিল ঠোঁট নাড়িয়ে কথা বলা এবং দাঁতের ব্যবহার। সত্যিকার মানুষের মতো ঠোঁট নাড়িয়ে কথা বলা, হাসলে বা কথা বললে দাঁতের সারি দৃশ্যমান হওয়া—এসব বৈশিষ্ট্য পাপেটকে জীবন্ত চরিত্রে পরিণত করেছে। যান্ত্রিক কৌশল ও চালনার দক্ষতায় তার পাপেটনাট্যের চরিত্রসমূহ দর্শকের সঙ্গে একাত্ম হয়ে পড়ে; দর্শকও অভিনীত চরিত্রের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে যুক্ত হয়ে যায়।

তিনি মনে করতেন, ‘সামাজিক চাহিদা, কালের চাহিদা এবং নানা রকম বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ফলে বিভিন্ন শিল্পমাধ্যমে যেমন পরিবর্তন এসেছে, পাপেটেও তা হওয়া বাঞ্ছনীয়। মানুষের চাহিদার পরিবর্তন ঘটেছে। পারফর্মিং আর্টও এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। পারফর্মিং আর্ট হিসেবে টিকে থাকতে হলে, বেঁচে থাকতে হলে অবশ্যই এর উন্নয়ন ঘটাতে হবে।’

মুস্তাফা মনোয়ার ও তার প্রতিষ্ঠিত উদ্যোগ বাংলাদেশের পাপেট থিয়েটারে নানা মাত্রিক উন্নয়ন ঘটিয়েছে। পাপেট নির্মাণ, পাণ্ডুলিপি, মঞ্চ ও সেট, প্রপস, ভাষা-সংলাপ এবং আলোক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে তার সংযোজন ছিল অভিনব ও যুগান্তকারী।

এদেশে টেলিভিশন চালু হওয়ার (১৯৬৪) মধ্য দিয়ে পাপেট্রিরও একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়, আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন মুস্তাফা মনোয়ার। কলকাতার গভর্নমেন্ট কলেজ অব আর্টস অ্যান্ড ক্রাফ্টস থেকে বিএফএ ডিগ্রি অর্জনের পর ঢাকা আর্ট কলেজের শিক্ষকতা ছেড়ে তিনি ১৯৬৪ সালে টেলিভিশনে স্টেশন প্রডিউসার হিসেবে যোগ দেন। অনুষ্ঠান পরিকল্পনা করতে গিয়ে তার মনে হয়েছিল, ‘পাপেট্রি টেলিভিশনের জন্য একটা বিরাট মিডিয়া।’

তার বিশ্বাস ছিল, ‘বাচ্চাদের একটা মিডিয়া লাগে। কোনো একটা মিডিয়া ছাড়া সরাসরি নাটক কিংবা এ ধরনের কোনো জিনিস তারা গ্রহণ করে না। অ্যানিমেশন যেমন একটা বিরাট মিডিয়াতে দাঁড়িয়েছে, বাচ্চাদের সঙ্গে কমিউনিকেট করতে পারে, পাপেট্রিও তেমনি কমিউনিকেট করতে পারে।’

এই চেতনা থেকেই বাংলাদেশ টেলিভিশনে তার হাত ধরে সূত্রপাত ঘটে আধুনিক পাপেট প্রদর্শনীর। ‘আজব দেশে’ অনুষ্ঠানে ‘বাঘা’ ও ‘মেনী’ চরিত্রের আত্মপ্রকাশ (১৯৬৫) এবং পরবর্তীকালে ‘ক ও খ’ অনুষ্ঠান শুধু শিশুদের নয়, সব বয়সী দর্শকের কাছেই বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। ১৯৭৮ সালে জাপানে আয়োজিত আন্তর্জাতিক টেলিভিশন অনুষ্ঠান প্রতিযোগিতায় ‘ক ও খ’ পুরস্কার অর্জন করে, যা বাংলাদেশের পাপেট শিল্পকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন পরিচিতি এনে দেয়।

১৯৮০ সালে মুস্তাফা মনোয়ার নিজের পাপেট থিয়েটার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী ‘রয়েল বীণা পুতুলনাচ’ দলের শিল্পী ধনমিয়াকে নিয়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের তাসখন্দে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক পাপেট অ্যান্ড অ্যানিমেশন সম্মেলনে যোগ দেন এবং দেশের জন্য বিপুল সুনাম বয়ে আনেন। তার উদ্ভাবিত আন্তর্জাতিক মানের পাপেটের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক পাপেট সংগঠন ইউনিমা (UNIMA)-র সদস্যপদ লাভ করেন। একই বছর কলম্বোতে ওয়ার্ল্ডভিউ অর্গানাইজেশনের আমন্ত্রণে ‘অ্যানিমেশন অ্যান্ড পাপেট ফর টেলিভিশন’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনেও বিশেষজ্ঞ হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের পাপেট শিল্পকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তোলার ক্ষেত্রে এসব উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সব্যসাচী শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরও অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত বিপ্লবী অনুষ্ঠানমালার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের মনোনীত প্রথম সাংস্কৃতিক দলের দলনেতার দায়িত্বও পালন করেন। তার নেতৃত্বে সাংস্কৃতিক দলটি ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্পে ঘুরে ঘুরে গান, নাটক ও পাপেট প্রদর্শনের মাধ্যমে যেমন যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছে, তেমনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সে সময় শরণার্থীদের মনোবল জাগিয়ে রাখতে তিনি বিভিন্ন স্থানে পাপেটনাট্যের প্রদর্শনী করেছিলেন। তার নির্মিত ইয়াহিয়া, নিয়াজী, টিক্কা খান ও রাজাকার চরিত্রের পাপেটগুলো দর্শকের মনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ও প্রতিরোধের চেতনা জাগিয়ে তুলেছিল। পাপেটের মাধ্যমে কৃষক, জনতা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রাম এবং হানাদার বাহিনীর পরাজয়কে এমন প্রাণবন্তভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল যে কাঠ-খড়ের আগুনের আলোয় সেই অভিনয় দেখে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোর সবাই উল্লাসে ফেটে পড়ত। পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র মুক্তির গান-এ সেই সময়কার পাপেট প্রদর্শনীর কিছু দুর্লভ দৃশ্য সংরক্ষিত হয়েছে।

বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পুতুলনাট্যকে পুনরুজ্জীবিত, আধুনিকীকরণ এবং ধারাবাহিক গবেষণা ও প্রয়োগের মাধ্যমে বিশ্বমানের শিল্পরূপে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই মুস্তাফা মনোয়ার তার জীবনের বড় একটি অংশ উৎসর্গ করেছিলেন। তার শিল্পচিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ‘পাপেট’। প্রশাসনিক দায়িত্ব, চিত্রকলা কিংবা অন্যান্য সৃজনকর্মের ব্যস্ততার মধ্যেও অবসরের প্রায় পুরো সময় তিনি ব্যয় করেছেন এই শিল্পমাধ্যমের বিকাশে।

এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জনবিভাব উন্নয়ন কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য ছিল শিল্পমাধ্যম হিসেবে পাপেট্রির উন্নয়ন, বিনোদনের মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি, নিয়মিত পাপেট থিয়েটারের প্রদর্শনী এবং শিশু শিক্ষায় পাপেটের কার্যকর ব্যবহার। প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এখানে পাপেট নির্মাণ, পরিচালনা, কণ্ঠাভিনয়, দৃশ্য পরিকল্পনা ও আলোক পরিকল্পনাসহ পাপেট শিল্পের নানা দিকের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতে থাকে।

১৯৯৩ সালে ফোর্ড ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় জনবিভাব উন্নয়ন কেন্দ্র ‘মাল্টিমিডিয়া পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টার’ প্রকল্প চালু করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাপেটকে ব্যবহার করা হয় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসচেতনতা, সামাজিক উন্নয়ন ও গণযোগাযোগের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে। পরবর্তীকালে ১৯৯৭ সালে রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাসের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিষ্ঠিত হয় এডুকেশনাল পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (ইপিডিসি)। এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের পাপেট শিল্পকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

হাজার বছরের পুরনো পাপেট শিল্পকে তিনি কখনো কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখেননি। মানুষের দুঃখ-বেদনা, সামাজিক বৈষম্য, ন্যায়-অন্যায় এবং আশা-আকাঙ্ক্ষার ভাষা হিসেবেও তিনি পাপেটকে ব্যবহার করেছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ‘মনের কথা’ অনুষ্ঠান তারই একটি অনন্য উদাহরণ। সেখানে তার সৃষ্ট পারুল, গিট্টু, বাউল, ষাঁড়সহ বিভিন্ন পাপেট চরিত্রের সঙ্গে কথোপকথনের মাধ্যমে সহজ ভাষায় শিশুদের শিল্প, প্রকৃতি, দেশ, সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়া হতো। কথোপকথনের পাশাপাশি তিনি কাগজে রঙ-তুলির টানে ফুটিয়ে তুলতেন বাংলাদেশের নদী, আকাশ, ফুল, পাখি, বৃক্ষ, পতাকা ও প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ।

তিনি বিশ্বাস করতেন, ‘শিল্পকলা মানেই তো মনুষ্যত্ব; মানুষ বলেই শিল্পকলা, মনুষ্যত্ব আছে বলেই শিল্পকলা আছে।’ আবার তিনি বলতেন, ‘আমাদের বাচ্চাদের মনে বাঙালি ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্য—সবকিছুকে জাগিয়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশে যে বিশাল বিশাল কাজ রয়েছে, তা বিশ্বের কোনো অংশেই কম নয়।’

আজ মুস্তাফা মনোয়ার আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার সৃষ্ট গিট্টু, পারুল, বাঘা, মেনী কিংবা অসংখ্য পাপেট চরিত্র বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক স্মৃতির অংশ হয়ে আছে। একটি পুতুলও যে মানুষের বিবেক জাগাতে পারে, একটি পাপেটও ইতিহাস, শিক্ষা ও মানবিকতার শক্তিশালী ভাষা হয়ে উঠতে পারে, মুস্তাফা মনোয়ার সারা জীবন দিয়ে এই সত্যটি প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণ তাই বাংলাদেশের পাপেট শিল্পের এক স্বর্ণযুগের জীবন্ত প্রতীককে হারানোর বেদনা। তার নির্মিত প্রতিষ্ঠান, তার উদ্ভাবিত কৌশল এবং তার শিল্পদর্শনই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তার সবচেয়ে বড় উত্তরাধিকার হয়ে থাকবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত