চোখের জটিলতা প্রতিরোধে প্রতি বছর অন্তত একবার রেজিস্টার্ড চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে চোখ পরীক্ষা করুন। চোখের সুরক্ষায় গাজর, পালং শাক, মিষ্টি আলু ও সামুদ্রিক মাছের মতো ভিটামিন-এ, সি, ই এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ব্যবহারের সময় প্রতি ২০ মিনিট অন্তর ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুতে তাকান এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। ধূমপান চোখের রক্তনালির ক্ষতি করে। এটি ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং ছানি পড়ার ঝুঁকি বাড়ায়। রোদে বের হওয়ার সময় ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (টঠ ৎধুং) থেকে চোখ বাঁচাতে ভালো মানের সানগ্লাস ব্যবহার করুন। প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম চোখের পেশিকে রিল্যাক্স করে এবং দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। আপনার কি কোনো নির্দিষ্ট চোখের সমস্যা (যেমন ঝাপসা দেখা, শুকনো চোখ বা পাওয়ারের সমস্যা) রয়েছে, নাকি আপনি চোখের সাধারণ সমস্যায় ভুগছেন।
টিপস
ক্যারোটিনয়েডযুক্ত ফলমূল ও সবজি যেমন টমেটো, গাজর, মিষ্টি আলু, তরমুজ এবং কাঁচামরিচ বা গোলমরিচ কমাতে পারে আপনার ক্যানসারের ঝুঁকি। সবুজ পাতাযুক্ত শাকসবজি খাওয়া। শারীরিক পরিশ্রম, হাঁটাহাঁটি, ব্যায়াম ও সাঁতারের প্রতি উৎসাহিত করা। নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম ও বিশ্রাম সুস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সুস্থতার জন্য যা করণীয়
জীবনধারায় পরিবর্তন ও খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করা। ওজন কমানো ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া। সময়মতো ঘুমানো ভালো ঘুম ভালো স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক। লেপটিন হরমোন আমাদের ক্ষুধামান্দ্যয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফল ও শাকসবজি খাওয়া বাড়ানো। প্রতিদিন একবেলার খাবারে এক পরিবেশন ফল ও শাকসবজি অন্তর্ভুক্ত করা। চোখের সুস্থতায় গাজরের পাশাপাশি প্রয়োজন আরও কিছু খাবার যেমন মিষ্টি আলু, ভিটামিন-এ এর উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে মিষ্টি আলুর গুরুত্ব অনেক। এই ভিটামিন চোখের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে. চোখের আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য প্রতিদিনের অভ্যাস গড়ে তোলে চক্ষু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।
