কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি করা ১০১ কার্টন পণ্য আটক করেছে। আটক পণ্যের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, ব্যবহৃত অটোমোবাইল পার্টস, হাতঘড়ি, হার্ডড্রাইভ ও মিনি পিসিসহ বিভিন্ন পণ্য পাওয়া গেছে। সিআইআইডির অপর একটি দল চট্টগ্রামে হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান পরিচালনা করে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট আটক করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় সিআইআইডি সদর দপ্তর এবং এয়ারফ্রেইট সার্কেলের কর্মকর্তারা যৌথভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট এলাকার ডেলিভারি গেট নম্বর ৮-সংলগ্ন ইয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করলে নতুন পণ্যের ঘোষণার আড়ালে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি করা পুরনো ও ব্যবহৃত পণ্য জব্দ করে। চালান নম্বর ১৭৬-৬৩৫১৮৭২২-এর মাধ্যমে নতুন মোটর পার্টস, কসমেটিকস, মিনি পিসি, ট্যাবলেট, প্রজেক্টর ও কম্পিউটার পার্টস আমদানির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। কায়িক পরীক্ষায় দেখা যায় ওগুলো নতুন পণ্য নয়, যা ঘোষণাবহির্ভূত এবং আমদানি বিধি লঙ্ঘনের শামিল। মোট ১০১টি কার্টনের মধ্যে রয়েছে লেনেভো, এইচপি, মাইক্রোসফট ও ডেল-এর ল্যাপটপ ৪৫০ পিস, গাড়ির যন্ত্রাংশ ৯৬৩ কেজি, হার্ডডিস্ক ৯৬ পিস, কসমেটিক্স ২৯১ কেজি, মিনি পিসি ৯৬টি। প্রায় কোটি টাকার এই পণ্যসমূহ আমদানি নিষিদ্ধ ও নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় শুল্ক-কর দিয়ে আইনানুগভাবে খালাসের কোনো সুযোগ নেই। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সরদার গ্লোবাল ট্রেড সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ফাহিম ফাইভ স্টারের মাধ্যমে ওইসব পণ্য আমদানি করে।
