শিক্ষক : বল তো, বিড়াল রাতে বেশি বের হয় কেন?
সুমন : স্যার, বিড়ালদের মধ্যে মনে হয় চোর
বিড়াল বেশি!
..........................................
বাবু : মা, আমাদের বিড়ালটা আজ আমাকে দেখে ‘ম্যাঁও’ বলল!
মা : তাই নাকি? তা আগে কী বলত?
বাবু : কিছু বলত না। আমার কাছে ওর কোনো প্রত্যাশাই ছিল না। তাই ভাবছি, আমি তবে হোমড়াচোমড়া কেউ হতে চলেছি যে বিড়ালটা আগে থেকে খাতির জমাচ্ছে?
..........................................
মিতু : আমার বিড়ালটা খুব বুদ্ধিমান।
রিমি : কীভাবে বুঝলে?
মিতু : আমি যখন পড়তে বসি, ও সঙ্গে সঙ্গে বইয়ের ওপর গিয়ে বসে!
রিমি : এতে বুদ্ধির কী হলো?
মিতু : বাহ, বুদ্ধির কিছুই দেখলি না! আমরা পড়ে জ্ঞান নিই আর ও কেমন ডেটা ট্রান্সফার পদ্ধতিতে সব জ্ঞান নিয়ে নিচ্ছে!
..........................................
প্রথম বন্ধু : বিড়ালকে যদি অংক করতে দিস আমার ধারণা ও সহজেই করে ফেলবে।
দ্বিতীয় বন্ধু : কীভাবে বুঝলি?
প্রথম বন্ধু : বিড়াল আর কম্পিউটারের মধ্যে ভীষণ মিল আছে যে!
দ্বিতীয় বন্ধু : মানে? তোর কথা তো কিছু বুঝছি না।
প্রথম বন্ধু : আরে বুঝলি না, দুটোই যে, মাউস
পছন্দ করে!
..........................................
শিক্ষক : বিড়াল কী খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে?
ছাত্র : স্যার, মাছ।
শিক্ষক : আর কী?
ছাত্র : আমার টিফিন!
..........................................
রাফি : আমার বিড়ালটার গানের প্রতি খুব ঝোঁক।
সাফি : কেমন করে বুঝলি?
রাফি : রাত ৩টায় গলা সাধতে শুরু করে!
..........................................
টুকাই : আমার বিড়ালটা আমাকে খুব ভালোবাসে।
বন্ধু : কীভাবে বুঝলে?
টুকাই : আমি যেখানে বসি, ও সেখানেই আসে।
বন্ধু : বাহ!
টুকাই : হ্যাঁ, বিশেষ করে যখন আমার হাতে মাছ থাকে!
..........................................
রিমি : আমার বিড়ালটা খুব অলস।
মিতু : কতটা অলস?
রিমি : ইঁদুর দেখেও দৌড়ায় না।
মিতু : তাহলে?
রিমি : ইঁদুরটা নিজে থেকে কাছে এলে ধরবে!
গ্রন্থনা : শাহ জামান
