ভারত থেকে আসছে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৯টি নতুন কোচ

উন্মোচিত রেকটিতে রয়েছে ৩টি এসি স্লিপার কার, ৩টি এসি চেয়ার কার, ১১টি নন-এসি চেয়ার কার ও ২টি পাওয়ার কার। বাংলাদেশের যাত্রী চাহিদা ও পরিবেশ বিবেচনায় কোচগুলোতে প্রথমবারের মতো বেশ কিছু প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০২৬, ০১:১৩ পিএম

বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য তৈরি ১৯টি সর্বাধুনিক এলএইচবি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচের প্রথম চালান আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে ভারতের কাপুরথালাস্থ রেলকোচ ফ্যাক্টরি (আরসিএফ)।

আজ বুধবার (১২ আগস্ট) ভারতের পাঞ্জাবে আরসিএফ কারখানায় এই নতুন রেক চালুর মাধ্যমে দুই দেশের রেল যোগাযোগের অংশীদারত্বে নতুন একটি মাইলফলক যুক্ত হলো।

উন্মোচিত রেকটিতে রয়েছে ৩টি এসি স্লিপার কার, ৩টি এসি চেয়ার কার, ১১টি নন-এসি চেয়ার কার ও ২টি পাওয়ার কার। বাংলাদেশের যাত্রী চাহিদা ও পরিবেশ বিবেচনায় কোচগুলোতে প্রথমবারের মতো বেশ কিছু প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও আধুনিক সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে।

যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য রাখা হয়েছে স্টেইনলেস স্টিলের হাতল ও পাদানিসহ হেলান দেওয়া আধুনিক চেয়ার। নিরাপত্তায় আছে সিসিটিভি ক্যামেরা, জরুরি অ্যালার্ম সিস্টেম, এসি কোচে অতিরিক্ত ফ্যান, বিশেষ প্রার্থনা কক্ষ ও শিশু পরিচর্যা কক্ষ। উৎসব বা অতিরিক্ত যাত্রীচাপের সময় ছাদে বাড়তি ভার সামলাতে ছাদের কাঠামো শক্তিশালী করা হয়েছে এবং ইউরোপীয় মানদণ্ড মেনে এটি ‘সংঘর্ষ-সহনশীল’ প্রযুক্তিতে তৈরি, যা দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমাবে। ভারতীয় রেলের প্রচলিত ৭৫০ ভোল্টের বদলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ কাঠামোর উপযোগী করে এটি ৪১৫ ভোল্ট সিস্টেমে চালনাযোগ্য করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৫-১৬ সালে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ১২০টি কোচ সরবরাহ করেছিল আরসিএফ। সেই সফল অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ২০২৪ সালে ভারতীয় সংস্থা রাইটসের মাধ্যমে মোট ২০০টি নতুন কোচ তৈরির কার্যাদেশ দেয় বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজকের ১৯টি কোচের চালানটি মূলত সেই চুক্তিরই প্রথম হস্তান্তর।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত