অংশীজনদের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশমালার মৌলিক বিষয়গুলো উপেক্ষা করে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’ এবং ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিপরিষদে নীতিগতভাবে অনুমোদিত হওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি প্রশ্ন তোলে বলেছে, অতীত কর্তৃত্ববাদী শাসনামলের গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের করুণ অভিজ্ঞতা থেকে সরকার ও ক্ষমতাসীন দল বাস্তবে কী শিক্ষা গ্রহণ করল? সংস্থাটি আইনের খসড়া দুটি জাতীয় সংসদে তোলার আগে পুনরায় ঢেলে সাজানোর দাবি জানিয়েছে।
গতকাল বুধবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, অনুমোদিত খসড়া আইন দুটিতে কিছু ইতিবাচক দিক থাকলেও, মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকর করার পথে প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত বিষয়গুলো বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গুম প্রতিরোধ আইনে এ অপরাধে অভিযুক্ত সংস্থাগুলোর সদস্যদের দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। টিআইবি জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা, মানবাধিকার রক্ষা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটাতে খসড়া আইন দুটি সংসদে উত্থাপনের আগেই ভুক্তভোগী ও অংশীজনদের মতামতের আলোকে পুনরায় ঢেলে সাজানোর দাবি জানিয়েছে।