প্রধানমন্ত্রী ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেবেন নাকি দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনো পর্যাপ্ত সময় আছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘সব দেশে সফরের বিষয়েই সরকার ইতিবাচক। তবে, এটি প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচি এবং দুই দেশের মধ্যকার আলোচনা কত দূর এগোয়, তার ওপর নির্ভর করবে।’
প্রধানমন্ত্রী ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে যোগ দেবেন নাকি দ্বিপক্ষীয় সফরে যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনো পর্যাপ্ত সময় আছে। ‘ব্রিকস এখনো অনেক দূরে। এক মাসে অনেক কিছুই হতে পারে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী নতুন সাংবিধানিক কার্যক্রমসহ গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। বাংলাদেশে সামনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে এবং জাতীয় সংসদের অধিবেশনও বসতে যাচ্ছে। ‘আমাদের দেশের ভেতরে অনেক কর্মসূচি ও কার্যক্রম চলছে। সামনে বেশ কিছু সাংবিধানিক বিষয়ও রয়েছে। এই দিক থেকে সরকার ব্যস্ত এবং প্রধানমন্ত্রীও ব্যস্ত।’
প্রস্তাবিত জাপান সফরের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এর তারিখ ও সময় এখনো ঠিক হয়নি। দুই দেশের পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে এটি নির্ধারণ করা হবে।
ভারত সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর সমাধান হতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হলে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
তিনি বলেন, ‘যখনই দুই দেশের নেতারা কথা বলেন ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করেন, তখনই অনেক সমস্যা সমাধানের একটি সুযোগ তৈরি হয়। সেই সুযোগ অবশ্যই আছে এবং তা উন্মুক্ত রয়েছে।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতেরও উচিত এই সুযোগের যথাযথ ব্যবহার করা।