ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে নিজ কক্ষে আটকে রেখে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগের প্রতিবাদে প্রভোস্টের কক্ষে অবস্থান নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবি করে তাকে হলে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন।
রবিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে হল প্রভোস্ট কার্যালয়ে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। রাত ১টা ৪০ মিনিটে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের অবস্থান কর্মসূচি চলছিল।
এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘মামুনের রক্ষা নাই’, ‘মামুন তুই গদি ছাড়’, ‘দফা এক দাবি এক, প্রভোস্টের পদত্যাগ’, ‘এক দফা এক দাবি, মামুন তুই এখন যাবি’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
ফজলুল হক মুসলিম হলের জিএস ইমামুল হাসান বলেন, ‘আমরা সন্ধ্যা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু হল প্রশাসন ফুটেজ নিয়ে তালবাহানা শুরু করেছে। এখন দাবি একটাই—প্রভোস্টের পদত্যাগ। আমরা প্রভোস্টকে হলে অবাঞ্চিত ঘোষণা করছি।
জানা যায়, হলের বিভিন্ন বিষয়ে প্রভোস্টের ভূমিকা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনামূলক একটি পোস্ট শেয়ার করার পর রোবটিক্স অ্যান্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীমকে তার কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ রেখে মানসিকভাবে হেনস্তা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং জোরপূর্বক লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ করেছেন ওই শিক্ষার্থী।
তবে ইব্রাহীমের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুন