অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে প্রথমবারের মতো টেস্ট ম্যাচ জয়ের ঐতিহাসিক সাফল্যে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ দল গতকাল যখন ডারউইনে ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করে, তখন কিশোরগঞ্জের পথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তাদের মাটিতে বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রিকেটের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ় মনোবল, আত্মবিশ্বাস, দক্ষতা ও দলগত প্রচেষ্টার ফলেই এই অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, পরের টেস্টেও বাংলাদেশ ভালো খেলবে এবং সিরিজ জয়ের এই সম্ভাবনাকে সাফল্যে রূপ দেবে।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশে অপেক্ষা করছি আপনাদের স্বাগত জানানোর জন্য। সবার শরীর ভালো আছে তো? গরম কেমন সেখানে? বাংলাদেশের মতো? আপনারা সুস্থভাবে আসেন। বাংলাদেশের মানুষ অপেক্ষা করছে আপনাদের স্বাগত জানানোর জন্য।’
এরপর ম্যাচসেরা হাসান মাহমুদ, অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এক পর্যায়ে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থাকা বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘বগুড়ার ছেলে তামিম (তানজিদ হাসান) সেঞ্চুরি করেছে।’ উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সে বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে।’
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন : শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অসাধারণ এবং নিখুঁত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ দলের সব খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এক অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের শক্তিশালী ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মাত্র ৪ দিনে ৯ উইকেটের এই অবিস্মরণীয় জয় কেবল ঐতিহাসিক নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন এক স্বর্ণযুগের সূচনা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে পুরো দল ব্যাটে-বলে যে আত্মবিশ্বাস ও দাপট দেখিয়েছে, তা ১৭ কোটি বাঙালিকে চরম গর্বিত ও আনন্দিত করেছে। ৫ দিনের লড়াকু মানসিকতার যে লক্ষ্য অধিনায়ক শান্ত রেখেছিলেন, দল তার চেয়েও নিখুঁত পারফরম্যান্সে ১১তম সেশনেই এই জয় ছিনিয়ে এনেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রতিমন্ত্রী আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।