প্রাণঘাতী মাকড়সা  

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৫০ এএম

রেডব্যাক মাকড়সার কামড়ে প্রতিষেধক না নিলে, পূর্ণবয়স্ক মানুষের মৃত্যু অনিবার্য। এটি অস্ট্রেলিয়ার  ইষধপশ ডরফড়ি মাকড়সার প্রজাতি। বিশ্বের সবচেয়ে বিষাক্ত কীটদের অন্যতম এই বিষধর মাকড়সার স্থান ওপরের দিকে । এরা লম্বায় মাত্র ০.৪ ইঞ্চি। তাদের প্রথম সন্ধান মেলে ১৮৭০ সালে। অস্ট্রেলিয়া ছাড়াও নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়ামে তাদের দেখা মেলে। গবেষকরা বলছেন, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষকে ধরাশায়ী করতে এই মাকড়সার বিষের ১৪ হাজার ভাগের এক ভাগই যথেষ্ট। এমন প্রজাতির স্ত্রী মাকড়সার গায়ের রঙ কালচে এবং পিঠের ওপর লাল বা কমলা রঙের স্পষ্ট লম্বা দাগ থাকে। পেটের নিচে লালচে ‘ঘণ্টাঘড়ি’ আকৃতির চিহ্ন রয়েছে। পুরুষ মাকড়সা অনেক ছোট এবং কম বিষাক্ত। কিন্তু  স্ত্রী মাকড়সা প্রায় ১০ মিলিমিটার লম্বা এবং ভয়ংকর বিষাক্ত। সাধারণত এরা অন্ধকার ও শুষ্ক জায়গা পছন্দ করে। গাড়ি, ঘরের কোণ, কাঠের স্তূপ বা টবের নিচে স্বাচ্ছন্দ্যে বিচরণ করে মাকড়সাগুলো। মূলত তারা বিভিন্ন পোকামাকড় খায়। এদের জালে টিকটিকি, ছোট সাপ, ব্যাঙ বা ইঁদুরের মতো প্রাণী আটকা পড়লে রক্ষা নেই। শক্তিশালী আঠালো জালের মাধ্যমে শিকার আটকানোর পর  দ্রুত বিষ ঢেলে দেয়। তারপর তীব্র ব্যথা। রেডব্যাক মাকড়সার বিষের অ্যান্টিভেনম ১৯৫৬ সালে আবিষ্কৃত হয়েছে। তাদের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হলেও, কোনো মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। প্রতিবার প্রায় ২৫০টি করে, বছরে অন্তত ২-৩ বার ডিম পাড়ে। স্ত্রী মাকড়সা ২-৩ বছর এবং পুরুষ মাকড়সা ৬-৭ মাস বাঁচে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত