লিটনের সেঞ্চুরিতে ৪৭৯ রানের টার্গেট দিল বাংলাদেশ

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

তানজিদ ৮৩, শান্ত, ৮২, মুশফিক ৮১। যেন আশি-এর ঘরে কোনো ডাক্তারি চেম্বারের সিরিয়ালের লিস্ট। না, এটা আবুধাবি টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি দুয়ারে আসা এই তিন ব্যাটারের ইনিংস। সেই ফাঁড়া অবশ্য কাটালেন লিটন দাস। চতুর্থ দিনের দ্বিতীয় সেশনের শুরুতেই তুলে নিলেন টেস্ট ক্যারিয়ারে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি। তবে ইনিংসটা আর বড় করতে পারেননি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। একবল বাদেই উইকেটের পেছেন ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সাজঘরে।

ওয়ানডে মেজাজে ১১৫ বলেই সেঞ্চুরি তোলেন লিটন। আর ১১৭ বলে তার ১০২ রানের ইনিংসে মেরেছেন ১৪টি চার। আর লিটন ফেরার পরপরই ৪৭৯ রানের লিড নিয়ে ইনিংস ঘোঘণা করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।

ইনিংস ঘোষণা দেওয়ার আগে ১০৫ ওভার ২ বলে ৭ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৩৭২ রান। সেখানে লিটনের সেঞ্চুরি ছাড়াও মেহেদী হাসান মিরাজ খেলেন ফিফটি পেরোনো ইনিংস। এর আগে শান্ত ৮২ রানে আর মুশফিক ফেরেন ৮১ রান করে। 

এর আগে দিনের শুরুতে ৬ উইকেটে ২২৩ রান নিয়ে শুরু করে বেশ দেখেশুনেই এগোচ্ছিলেন আগের দিনে অপরাজিত থাকা লিটন ও মিরাজ। সতর্কতা ছিল মূলত দিনের শুরুতেই একাধিক উইকেট হারানোর শঙ্কা থেকেই, যেমনটা ঘটেছিল আগের দুই দিনেও। এদিনও হতে পারতো একই চিত্র। তবে একে একে দুই ব্যাটার যখন পেলেন ৪ বার সুযোগ সেখানে আর সুযোগ হাতছাড়া না করে পিচে থিতু হয়ে যান লিটন ও মিরাজ।

একপ্রান্তে লিটন রানে চাকা সামলে ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করলে অন্যপ্রান্তে মিরাজ খেলেন দৃঢ়তার সাথে। তাতেই গড়ে যায় ইনিংসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫১ রানের জুটি। ৬১ বলে ফিফটি তোলার পর ১১৫ বল খেলেই সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। আর মিরাজ ৫২ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন। 

এদিকে ৪৭৯ রানের পাহাড়সমান লক্ষ্য নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস ব্যাট করতে নামা আফগানদের শুরুতেই 'স্যালুট' দিলেন এবাদত হোসেন। স্যালুটের মানেই সমীকরণ সবার বুঝে যাওয়ার কথা। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার আবদুল মালিককে ফেরালেন এই ডানহাতি পেসার। স্কোরবোর্ডে ততক্ষণে কেবল উঠেছে ৩ রান।

তবে আফগানিস্তানের হাতে আছে এখনো প্রায় সাড়ে চার সেশন, তবে হাসান-এবাদতদের সামলে সেই রাস্তা যেন বহুদূর। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩ ওভার শেষে আফগানদের সংগ্রহ ১২ রান। জয়ের জন্য এখনো প্রয়োজন ৪৬৭ রান, হাতে আছে ৯ উইকেট।  

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত