অনেক প্রাণী নিজের সন্তান খায়, যাকে ‘ফিলিয়াল ক্যানিবালিজম’ বলে। পর্যাপ্ত খাবার বা শিকার না পেলে, মা বা বাবা ২-১টি সন্তান খেয়ে ফেলে, যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি বজায় থাকে এবং বাকি সন্তান বাঁচে। গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানে মায়ের শরীরে প্রচুর শক্তির ক্ষয় হয়। অনেক সময় মৃত বা দুর্বল সন্তান খেয়ে তাদের শরীর দ্রুত সারিয়ে তোলে। আবার কোনো সন্তান জন্ম থেকে অসুস্থ, বিকলাঙ্গ বা দুর্বল হলে সেই প্রাণী বুঝতে পারে, দুর্বল সন্তানের পেছনে শক্তি অপচয় না করে তাকে খাওয়া উত্তম। এতে রোগজীবাণু বা সংক্রামক রোগ অন্য সুস্থ সন্তানের মধ্যে ছড়ায় না। প্রায় ১৫০০ প্রজাতির প্রাণীতে এমন আচরণ দেখা যায়। গর্ভধারণ ও স্তন্যদানকালে ইঁদুরের প্রচুর পুষ্টি ও শক্তির প্রয়োজন। খাবার ঘাটতি থাকলে বা অতিরিক্ত ছানা হলে পর্যাপ্ত দুধ তৈরি হয় না, ফলে মা ইঁদুর কিছু ছানা খেয়ে শরীরের ঘাটতি পূরণের চেষ্টা করে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে ভয় বা মানসিক অবসাদ থেকে কুকুররা এই আচরণ করতে পারে। আবার, পুরুষ শিম্পাঞ্জি বাচ্চাদের হত্যা করে এবং মাঝে মাঝে খেয়ে ফেলে। আর্কটিক অঞ্চলের মেরু ভালুকের প্রচুর শক্তি। পরিস্থিতি খুব বেশি চরমে উঠলে তারা, নিজ প্রজাতির শাবকদের হত্যা করে। এই প্রবণতা তাদের মধ্যে বেশি, যাদের প্রজনন চক্র দ্রুত ও একসঙ্গে অনেক সন্তান জন্ম দেয়।
সন্তান ভক্ষক প্রাণী
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ এএম
আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২২ এএম
সন্তান ভক্ষক প্রাণী
সর্বশেষ
সর্বাধিক পঠিত
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০
- ১
- ২
- ৩
- ৪
- ৫
- ৬
- ৭
- ৮
- ৯
- ১০