মানবদেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো মস্তিষ্ক। বিজ্ঞানীরা মস্তিষ্কের রহস্যের তল খুঁজে পান না। প্রতিদিনই এর সক্ষমতা, বৈশিষ্ট্য নিয়ে কিছু না কিছু আবিষ্কার করছেন তারা।
মস্তিষ্কের শতকরা ৭৫ ভাগ উপাদান জলীয় পদার্থ। এ কারণে পানিশূন্যতা মস্তিষ্কের স্থায়ী এবং বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
নবজাতকের প্রথম বছরে মস্তিষ্ক তিনগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়া ১৮ বছর পর্যন্ত চলতে থাকে।
মানব মস্তিষ্কে প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন থাকে।
প্রচলিত আছে, একজন সাধারণ মানুষ তার মস্তিষ্কের মাত্র শতকরা ১০ ভাগ কাজে লাগান। কথাটি সঠিক নয়। আমরা দৈনন্দিন কাজ সম্পাদন করতে মস্তিষ্কের পুরোটাই কাজে লাগাই। এমনকি যখন আমরা ঘুমিয়ে থাকি তখনো মস্তিষ্কের শতকরা ১০ ভাগের বেশি কার্যক্ষম থাকে।
মস্তিষ্কের এক নিউরন থেকে আরেক নিউরনে তথ্যপ্রবাহের গতি প্রতি ঘণ্টায় ২৫০ মাইল।
মস্তিষ্ক কোনো ব্যথা অনুভব করে না। মস্তিষ্ক ব্যথার সংকেত ভাষান্তর করে, ব্যাখ্যা করে কিন্তু ব্যথা অনুভব করে না।
বিশ বছরের পর থেকে নতুন দক্ষতা অর্জনের জন্য মস্তিষ্ক কিছু স্মৃতি বলিদান করে। সহজ করে বলতে গেলে কিছু স্মৃতি মুছে ফেলে নতুন দক্ষতা অর্জন করে।
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মস্তিষ্ক ছোট হতে থাকে। এটা সাধারণত শুরু হয় মাঝ বয়স থেকে।
মমি বানানোর সময় মিসরীয়রা মৃতের নাক দিয়ে মস্তিষ্ক বের করে নিত।
মানব মস্তিষ্ক গৃহীত মোট অক্সিজেনের শতকরা ২০ ভাগ ব্যবহার করে।