প্রথম ধাপে ১ হাজার ৫০ ইউপিতে ভোট

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০২:১০ এএম

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথম ধাপে এক হাজার ৫০ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। 

যেসব ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ পেরিয়ে গেছে সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একই সঙ্গে নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) আর ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সেগুলোর চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশ ও নিষ্পত্তির কাজ শুরু করেছে কমিশন। গতকাল রবিবার নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে বেশির ভাগ ইউপির ভোট শেষ করতে চাই। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম ধাপে এ সংখ্যা কমবে। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় ভোটের উপযোগী হয়েছে অনেক ইউপি; এটা বিবেচনায় নিয়েই প্রথম ধাপ কমপ্লিট করছি।

আবহাওয়া, উপকূলীয় এলাকাসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে ধাপে ধাপে তালিকা চূড়ান্ত হবে। এক্ষেত্রে সাড়ে চার হাজারের সিংহভাগই প্রথম দুই ধাপে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।

ইসি সচিব বলেন, এক উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে একযোগে ভোট হবে। এ জন্য প্রাথমিক তালিকা তৈরির কাজ চলছে। মামলা, সীমানা জটিলতা রয়েছে কি না তাও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবারের মধ্যে ইউপির তালিকা চূড়ান্ত হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ভোটকে সামনে রেখে নির্বাচনী সামগ্রীর প্রস্তুতি চলছে, যথাসময়ে সব প্রস্তুত রাখা হবে। ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পাশাপাশি তিন ধরনের ব্যালট পেপার ছাপানোর বিষয়েও প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

সাড়ে চার হাজার ইউপির মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ বিবেচনায় পাঁচ ধাপে ভোট হবে এবার। জানুয়ারির পর দ্বিতীয় ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে ও পঞ্চম ধাপে ২৭ মে ভোট হবে।

ভোটের তারিখ জানিয়ে রাখলেও স্থানীয়ভাবে এসব ইউপির তফসিল ঘোষণা করবেন সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা।

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এই মুহূর্তে সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে কমিশনের কোনো পর্যালোচনা নেই। কমিশন এখন শুধু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে কাজ করছে। পরবর্তী সময়ে অন্য নির্বাচন প্রাসঙ্গিক হলে যথাসময়ে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ইভিএম ডিসপোজাল পদ্ধতি কী হবে : এদিকে বর্তমান ইসির সময়ে ভোটে ইভিএম ব্যবহার না করায় মেশিনগুলোর বিষয়ে কীভাবে নিষ্পত্তি করা হবে, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি বলেন, ইভিএম আমরা ব্যবহার করব না। কিন্তু যেসব ইভিএম রয়েছে সেগুলোর ডিসপোজালের পদ্ধতি কী হবে? এর দুটো পার্টÑ একটা হলো সংখ্যাগত হিসাব; আরেকটা প্রজেক্ট ডিসকন্টিনিউ করব; এক্ষেত্রে প্রজেক্ট অবলুপ্ত করার পদ্ধতি কী হবে। এ সময় পরিবেশবান্ধব উপায়ে ডিসপোজাল করতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ইসি সচিব বলেন, এগুলো ডিজপোজাল করতে ফাইনাল স্টকিং শুরু করেছি, এ নিয়ে একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে। কী পদ্ধতিতে ডিজপোজাল করব, সে বিষয়ে সুপারিশ পাওয়ার পর বলতে পারব।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত