সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে আসা একজন শিক্ষার্থী। তারপর থেকে এই নিয়ে শুরু হয়েছে বাগ্যুদ্ধ। এক পক্ষ মনে করে, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় কমে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান। আরেক পক্ষ নানা যুক্তি দিয়ে দেখাতে চাইছেন, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই পিছিয়ে নেই! এই দুই পক্ষের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিটা কিন্তু হচ্ছে মাদ্রাসায় পড়ুয়া বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীরই।
এ কথা সত্যি, সাম্প্রতিক অতীতে প্রায় প্রতি বছরই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায়, বিশেষ করে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের সেরাদের তালিকায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও থাকছে। থাকাটাই তো উচিত, কারণ সরকারি হিসাব অনুসারে মাদ্রাসা বোর্ডের আলিম আর সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর এইচএসসি পরীক্ষাকে সমমানের বিবেচনা করা হয়। সমমানের শিক্ষা নিয়ে যারা উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামবেন, তাদের তো ভালো করার সমান সুযোগই থাকার কথা! কিন্তু বাস্তবতা মোটেই সে রকম নয়। নয় বলেই প্রতি বছর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় কিংবা অন্য কোনো পরীক্ষায় মাদ্রাসা শাখা থেকে শিক্ষিত কেউ ভালো করলেই সেটা আলাদা করে শিরোনাম হয়। দেশের অন্য সাতটি বোর্ড থেকে পাস করা কেউ ভালো করলে সেটা আলাদা করে শিরোনাম হয় না। এই যেমন, এই বছরে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই বিজ্ঞান শাখার ভর্তি পরীক্ষায় যে ছেলেটি প্রথম হয়েছে, সে যে রাজশাহী বোর্ড থেকে পাস করেছে, সেটা কি কোনো গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে? গণমাধ্যম না হয় একচোখা, কিন্তু স্বাধীন মতপ্রকাশের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও কি কেউ লিখেছে যে, ‘রাজশাহী বোর্ডের শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সেরা’? আসলে, আমাদের দেশে যে তিনটি ভিন্ন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলিত রয়েছে, সেগুলোর ব্যাপারে জনমতের একটা সাধারণ ধারণা তৈরি হয়ে আছে। সেখানে ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল-কলেজগুলো শ্রেষ্ঠ, সাধারণ শিক্ষা দ্বিতীয় আর মাদ্রাসা শিক্ষা রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। দেশের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী পড়ে সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে; তারা যেহেতু সংখ্যাগুরু তাই বাকি দুটি (কারিগরি শিক্ষাকে হিসাবে ধরলে আসলে তিনটি) সম্পর্কে একটা ‘ভিন্ন’ ধারণা গড়ে ওঠাটাই স্বাভাবিক। এই যে শুরুতেই ‘আমরা’ আর ‘ওরা’এই দুইভাগে ভাগ করে নেওয়া হচ্ছে সমবয়সী শিক্ষার্থীদের, এ থেকে কিন্তু আর মুক্তি নেই ওদের।
এই রকম একটা আপেক্ষিক শ্রেষ্ঠত্বের ধারণা কিন্তু গণমানসে এমনি এমনি তৈরি হয় না! এর পেছনে থাকে দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতার ছাপ। সেই অভিজ্ঞতার নিরিখেই স্থির হয় কোনটা বেশি ভালো আর কোনটা কম। কারা এগিয়ে আছে আর কারা পিছিয়ে। এখন, পিছিয়ে যারা আছে, তাদের যদি সমান্তরালে নিয়ে আসতে হয় তাহলে প্রথম করণীয়টা কী? উত্তরটা খুব সহজ, আগে তো মানতে হবে যে তারা পিছিয়ে আছে! বাংলাদেশের মাদ্রাসা শিক্ষার, এবং সেই সঙ্গে পুরো শিক্ষাব্যবস্থার সর্বনাশের মূল সূত্রটি এই জায়গায় দাঁড়িয়ে। মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা কিন্তু নতুন কিছু নয়। সেই মধ্যযুগ থেকেই এদেশে প্রচলিত রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা। এই ধারার পরিবর্তে ব্রিটিশ আমলে নতুন ধারার শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলিত হলে পিছিয়ে পড়েছিল মাদ্রাসা শিক্ষিতরা। এই ধারার শিক্ষাব্যবস্থাকে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে ব্রিটিশ সরকার তাই পরিবর্তন এনেছিল কারিকুলামে, প্রচলিত হয়েছিল আলিয়া মাদ্রাসা। আলিয়া মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষা সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই তৎকালীন এন্ট্রান্স বা পরবর্তীকালে পরিবর্তিত হয়ে আজকের এসএসসি পরীক্ষার সমমান হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু বিগত দুইশ বছরে এই পরীক্ষার কারিকুলামে আর কোনো ইতিবাচক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উল্টো ১৯৮৭ সালে কারিকুলামে কোনো রকম পরিবর্তন না করেই আলিম পরীক্ষাকেও এইচএসসির সমমান ঘোষণা করা হলে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সূচনা হয় এক অসম প্রতিযোগিতার। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায়।
এই দুটি পরীক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সিলেবাসের বাইরে থেকে ‘সাধারণ জ্ঞান’ নামে একটি অদ্ভুত বিষয়ে অর্ধেক নম্বর বরাদ্দ ছিল দুই বছর আগে পর্যন্ত। লিখিত পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৬০ নম্বর এই মুখস্থনির্ভর বিদ্যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যে বিদ্যা কোনো কাজে লাগে না। ভর্তি পরীক্ষার মোট ২০০ নম্বরের মধ্যে বাকি ৮০ নম্বর ছিল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে। সেখানে দুটি পরীক্ষাতেই জিপিএ-৫ পেলে পুরো ৮০ নম্বর পাওয়া সম্ভব। এখন সাধারণ শিক্ষা মাধ্যমে মানবিক শাখা আর মাদ্রাসা মাধ্যমের সাধারণ শাখায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংখ্যা তুলনা করলেই ধারণা পাওয়া যাবে, কেন এই দুই পরীক্ষায় মাদ্রাসা মাধ্যমের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক ভালো করে কিন্তু একই সময়ে বিজ্ঞান শাখা থেকে আলিম পাস করে আসা শিক্ষার্থীরা বুয়েট, মেডিকেল কিংবা খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় তেমন ভালো করতে পারে না। এই অসম প্রতিযোগিতা এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছিল যে, একুশ শতকের শুরু থেকে সেটা এক ধরনের দুশ্চিন্তায় পরিণত হয়েছিল। কারণ, দেখা যাচ্ছিল যে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে মোট শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেক, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারচেয়েও বেশি আসছে শুধু মাদ্রাসা বোর্ড থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে। যদিও উচ্চ মাধ্যমিকে সাধারণ শিক্ষার সাতটি বোর্ড থেকে মানবিক শাখায় এসএসসি/এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় মাদ্রাসা বোর্ডের সাধারণ বিভাগের দাখিল/আলিম পরীক্ষায় অংশ নেওয়াদের তুলনায় প্রায় তিনগুণ পরীক্ষার্থী। এই পরিসংখ্যান যে কোনো বিচারে উদ্বেগজনক, কেননা সংখ্যায় চার ভাগের একভাগ পরীক্ষার্থী যদি কোনো পরীক্ষায় ভিন্ন ধারা থেকে আসা বাকি তিনভাগের চেয়ে ভালো করতে থাকে, সেটা কোনোক্রমেই স্বাভাবিক বিবেচিত হতে পারে না। এখানেই শেষ নয়, এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫ থেকে ১০ শতাংশ অত্যন্ত মেধাবী; তারা স্কুল-কলেজ থেকে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমান তালে লড়াই করে ক্লাসের সেরা দশে থাকে; কিন্তু বাকিরা বিশেষ করে ভাষাগত দক্ষতায় পিছিয়ে থাকায় কোনো রকমে পাস করে মাত্র। এই চিত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের প্রায় সব বিভাগেই অতি পরিচিত। ভর্তি পর্যায়ে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু হওয়ায় গত বছর থেকে অবস্থা খানিকটা বদলেছে, তবে সেই পরীক্ষারও শুরুতে এমসিকিউ-এর ভিত্তিতে বাছাই এবং শেষে জিপিএ’র ভিত্তিতে সিংহভাগ নম্বর বরাদ্দ থাকায় সত্যিকারের সমান লড়াইয়ের সুযোগ এখনো তৈরি হয়নি।
এদিকে, উচ্চ শিক্ষাক্ষেত্রে ভর্তিযুদ্ধে এই অসম সুবিধা নিভৃতে তৈরি করছে অন্য ক্ষেত্রে অসমতা। সেদিকে কারে তেমন ভ্রুক্ষেপ আছে বলে মনে হয় না। তুলনামূলক সহজ কারিকুলাম পড়ে, সহজে অনেক নম্বর তুলে নিয়ে যদি ভর্তিযুদ্ধে সুবিধা পাওয়া যায়, তাহলে কেন কষ্ট করে স্কুল কলেজের সিলেবাসে পড়বে শিক্ষার্থীরা? বাংলাদেশে এখনো সাধারণ নিয়ম হলো স্কুলের সবচেয়ে ভালো শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান শাখায় পড়ে। মাদ্রাসায়ও বিজ্ঞান শাখা আছে, তবে পরিসংখ্যান বলছে গত দেড় দশকে মাদ্রাসায় বিজ্ঞান শাখার শিক্ষার্থী ক্রমাগত কমছে। কিন্তু সার্বিক পরিসংখ্যান? সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের তথ্য অনুসারে ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত প্রত্যেক বছরই প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে, অন্য দিকে বেড়েছে মাদ্রাসা বোর্ডের ইবতেদায়ি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। ২০১৫ সালে পিইসিই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থী, সেটা কমে ২০১৯ সালে দাঁড়িয়েছে ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জনে। অন্যদিকে ২০১৫ সালে ইবতেদায়িতে অংশ নিয়েছিল ৩ লাখ ৬ হাজার ১৯৬ জন পরীক্ষার্থী, সেটা ২০১৯ সালে বেড়ে হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন। অর্থাৎ, এই পাঁচ বছরে স্কুলের শিক্ষার্থী কমেছে ১৬ শতাংশ, আর মাদ্রাসার শিক্ষার্থী বেড়েছে ১৭ শতাংশ!
কেন এমন হচ্ছে? এর উত্তরটা আছে সেই জনমানসের ধারণায়। ১৯৯৫ সালে ব্যানবেইসের উদ্যোগে করা একটি জরিপে অংশ নিয়েছিলাম। সেই জরিপে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে একটি প্রশ্ন ছিল, আপনার সন্তানকে কেন মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন। খুব মনে আছে, বেশিরভাগ অভিভাবকের উত্তর ছিল, মাদ্রাসার পড়া তুলনামূলক সোজা। দ্বিতীয় যে কারণটির কথা অনেক অভিভাবক বলেছিলেন, তা হলো, মাদ্রাসায় দিলে ছেলেটির লেখাপড়া-খাওয়া-পরা নিয়ে আর চিন্তা থাকে নাকারণ অধিকাংশ মাদ্রাসাই চলে ধর্মীয় চিন্তা থেকে করা দান-খয়রাতের টাকায়, আর সেই টাকায় শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থাও অনেক ক্ষেত্রেই বিনামূল্যে করা হয়। গত আড়াই দশকে সেই অবস্থার খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। সঙ্গে যোগ হয়েছে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সুবিধা নেওয়ার উদ্দেশ্যে কিছু সংখ্যক অতি বুদ্ধিমান অভিভাবকের জেনে-বুঝে সন্তানদের মাদ্রাসায় পড়ানোর প্রবণতা। এই শেষোক্ত দলের কিছু শিক্ষার্থী, যারা মূলত ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় শহরের বাসিন্দা এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে থেকেই নানা রকম কোচিং করে নিজেদের প্রস্তুত করে নেয়, তারাই ভর্তি পরীক্ষায় এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায়ও ভালো ফলাফল করে। কিন্তু এদের উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করে একদল ছদ্ম শুভাকাক্সক্ষী মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভুল বোঝাচ্ছেন। মাদ্রাসা শিক্ষায় সংস্কার, বিশেষ করে কারিকুলাম আধুনিকায়ন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা উঠলেই তারা তেড়ে আসেন; বলতে থাকেন মাদ্রাসা শিক্ষাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশেই নাকি সংস্কারের কথা বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে মাদ্রাসা শিক্ষায় কোনো সমস্যাই নেই!
সমস্যাই যদি না থাকে, তাহলে তো সমাধানের প্রশ্নই আসে না। মাদ্রাসা শিক্ষায় সংস্কারের উদ্যোগও তাই আর নেওয়া হয় না। উল্টো বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনগোষ্ঠীর মন জয় করতে কোনো সংস্কার ছাড়াই সমমানের স্বীকৃতি দেওয়া হয় নিয়ন্ত্রণহীন কওমি মাদ্রাসার ডিগ্রিকেও। কিন্তু তাতে করে আর যা-ই হোক, বিপুল সংখ্যক সাধারণ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কোনো উপকার হবে না। মাদ্রাসা শিক্ষা সম্পর্কে জনমানসের ধারণায় পরিবর্তন এনে, সবার কাছে, বিশেষ করে চাকরিদাতাদের কাছে মাদ্রাসা শিক্ষার গ্রহণযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করতে হলে মাদ্রাসা শিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন আনার কোনো বিকল্প নেই। সেটা না করে, মাদ্রাসা শিক্ষায় কোনো গলদ নেই বলে যারা বন্ধু সাজেন, তারাই আসলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় শত্রু। কারণ, তারা দেশের এই দেশের নবীন প্রজন্মের বিপুল সংখ্যক এবং ক্রমবর্ধমান একটি অংশকে মূল ধারার বাইরে ফেলে রাখার পক্ষেই ওকালতি করছেন।
লেখক অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাবি