ইসলামি সংগীত জগতে নতুন রেকর্ড গড়ছে হলিটিউন । এ দেশে শুধু ইসলামি সংগীত প্রকাশ এবং প্রচারের জন্য প্রসিদ্ধ অপ্রসিদ্ধ অনেক চ্যানেল রয়েছে। তবে, সবার চেয়ে এগিয়ে আছে হলিটিউন । চমৎকার সংগীত ডিজাইন ও মানসম্মত ভিডিও হলিটিউনকে ইসলামি সংগীত জগতে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
এ চ্যানেলে কাজ করছেন দেশের জনপ্রিয় ইসলামি সংগীতের প্রসিদ্ধ প্রতিষ্ঠান কলরবের সেরা ইসলামি সংগীত শিল্পীরা।
হলিটিউনের ইউটিউব চ্যানেলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৪০ লাখ সাবসক্রাইবার রয়েছে। ফেসবুক পেইজে তাদের অনুসরণ করছে ১৫ লাখের বেশি মানুষ। ইসলামি সংগীত কেন্দ্রিক চ্যানেলের মধ্যে যা সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। তাদের তৈরি সংগীতগুলো ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হলে প্রথম দিনই লাখের বেশি দর্শক দেখে ফেলেন।
পরিপূর্ণ ইসলামি সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ধারণ করে ২০১৬ সালে 'চলার পথে' শিরোনামে মুহাম্মাদ বদরুজ্জামানের একক একটি সংগীতের মাধ্যমে হলিটিউন আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। তারপর থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরবের সাথে একটি চুক্তির মধ্যে দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের অধীনে কলরবের সমস্ত শিল্পীরা সংগীত প্রকাশ করা শুরু করেন। ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হতে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।
হলিটিউন নিয়ে স্বপ্নের কথা জানিয়ে কলরব শিল্পীগোষ্ঠীর যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক এবং হলিটিউনের সিইও মুহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, আমরা অনেক আগ থেকেই স্বপ্ন দেখি, মানুষ বিধর্মীদের সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতিকে দূরে ঠেলে দিয়ে ইসলামি সংস্কৃতি চর্চা করবে। অপসংস্কৃতির গান না শুনে ইসলামি গানে অভ্যস্ত হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে কাজ শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ, মানুষের ভালোবাসা ও অনুপ্রেরণায় আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি।
এছাড়াও ইসলামি সংগীতের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রেও 'হলিটিউন' পথ দেখাচ্ছে অন্যদেরকে। এ বিষয়ে চ্যানেলটির সিইও মুহাম্মদ বদরুজ্জামান বলেন, 'ইসলামি সংগীতের বাণিজ্যিক ব্যবহার না হলে এ ইন্ডাস্ট্রি টিকবে না। সংগীত দিয়েই সংগীতের খরচ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জীবন-জীবিকা পরিচালিত হলেই তবে এই ইন্ডাস্ট্রি সামনে এগোবে।'
হলিটিউনের পরিচালক এবং কলরব শিল্পীগোষ্ঠীর নির্বাহী পরিচালক সাঈদ আহমাদ বলেন, বর্তমানে আমাদের সংগীতগুলো খুব সহজেই দেশ বিদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। অনেক মানুষ এখন হলিটিউনের নতুন নতুন সংগীতের অপেক্ষায় থাকেন। তাদের ভালো লাগার কথা জানান। কেউ কেউ আমাদের পথচলাকে আরও সহজ করতে আমাদের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতাও করে যাচ্ছেন। অবশ্যই এটা অনেক বড় সাফল্য এবং দ্বীনের খেদমত।
তবে, আমাদের লক্ষ্য এখনো পূরণ হয়নি। আমরা আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই। আমরা চাই এদেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে ইসলামি সংগীতের পবিত্র সুর ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হোক। মানুষ ইসলামি সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে আপন করে নিক।