জুলহাস কবীর। বয়স আনুমানিক ২৭ বছর। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গিয়েছিলেন আজমপুর রাজউক কমপ্লেক্স মার্কেটে মোবাইল ফোন মেরামত করার জন্য। রাত সাড়ে ৮টায় তিনি উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের বাসায় ফিরছিলেন। মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এলে টহল পুলিশ তাকে আটক করে। বিএনপির কর্মী সন্দেহে তাকে থানায় নিয়ে যেতে চায়। একপর্যায়ে পুলিশ তার কাছে ৩ হাজার টাকা দাবি করে। শেষমেশ ১ হাজার টাকা দিয়ে রক্ষা পান জুলহাস।
বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরে পুলিশ রাজধানীর প্রবেশপথ ও শহরের রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি ও হোটেলে তল্লাশি চালাচ্ছে। সন্দেহ হলেই আটক করা হচ্ছে। গতকাল শুক্রবারও এমন তল্লাশি চলেছে। তবে ঢাকার প্রবেশপথ ও থানার এলাকাগুলোতে তল্লাশির নামে হয়রানি ও টাকা আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।
গত এক সপ্তাহে ঢাকাসহ সারা দেশে প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তাদের মধ্যে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী রয়েছেন। বিএনপি দাবি করছে, তাদের চার হাজার নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে তল্লাশি ও অভিযান চালানো হচ্ছে। অহেতুক কাউকে হয়রানি বা টাকা আদায় করার প্রমাণ মিললে পুলিশের যেকোনো সদস্যকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
যদিও গতকাল দুপুরে গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনে দিয়ে সাভার যাচ্ছিলেন মুদিদোকানি আবদুর রাজ্জাক। এই সময় এক কনস্টেবল ও এক আনসার সদস্য তাকে আটকে ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে তাকে আটক করার হুমকি দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে তিনি এলাকা ত্যাগ করেন।
গতকাল গাবতলী, উত্তরার আবদুল্লাহপুর ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসাবাড়ি, হোটেল ও মেস এবং সড়ক-মহাসড়কে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। থানাগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। আমিনবাজার, আশুলিয়া, আবদুল্লাহপুর, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার, পোস্তগোলা ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে।
রাজধানীর ভেতরে ফকিরাপুল, পল্টন, শাহবাগ, আজিমপুর, নিউমার্কেট, গুলশানের পুলিশ প্লাজা, দারুসসালাম, মিরপুরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ ও র্যাব টহল দিচ্ছে।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন দেশ রূপান্তরকে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে নগরবাসীকে সব ধরনের নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে র্যাব। সমাবেশে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) অপারেশনস শাখার যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করলে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব। তবে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করলে কঠোরভাবে দমন করা হবে। যাদের আটক করা হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মামলা আছে। অহেতুক কাউকে হয়রানি করা হচ্ছে না।’
র্যাব ও পুলিশ সূত্র জানায়, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে, সড়কে ও মোড়ে মোড়ে তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। ঢাকাগামী দূরপাল্লার যানবাহনসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করছে পুলিশ। তাছাড়া হায়েস গাড়ি, মোটরসাইকেল, গণপরিবহন ও প্রাইভেট কারগুলোতে বিশেষ নজর রাখছে পুলিশ। মোটরসাইকেল থামিয়েও তল্লাশি করা হচ্ছে। সন্দেহভাজন যাত্রীদের পরিচয় শনাক্তে তাদের পরিচয়পত্র যাচাই করছে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, মহাখালী গাবতলীসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নয়াপল্টনের নাইটিংগেল মোড়ে বিপুল পরিমাণ পুলিশকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে গেছে। মোহাম্মদপুর, আদাবর, ধানম-ি, কলাবাগান, নিউমার্কেট, হাজারীবাগ, শেরেবাংলা নগর, তেজগাঁও এবং তেজগাঁও শিল্প এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করতে দেখা গেছে র্যাবকে। তারা বিশেষ রোবাস্ট প্যাট্রলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পিকআপ টহল ও মোটরসাইকেল টহল ডিউটি বাড়িয়েছে।
ঢাকায় প্রবেশ করা বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, পুলিশের বাধা, তল্লাশি ও আটক এড়িয়ে ছদ্মবেশে তারা এসেছেন। নেতাকর্মীদের অবস্থান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান ও ছবি পোস্ট করছেন না। পথে পথে তল্লাশিকালে পুলিশ মোবাইল ঘেঁটে মেসেজ দেখছে। জিজ্ঞাসাবাদ করছে। কিছু কিছু এলাকায় গাড়ি থেকে নামিয়ে দিচ্ছে। ভেঙে ভেঙে ঢাকায় আসতে হয়েছে। যাদের মোবাইল ফোনে খালেদা জিয়া বা বিএনপির কোনো তথ্য আছে তাদের আটক করা হয়। অনেকে মসজিদ, বিভিন্ন জায়গায় ফাঁকা মাঠে, স্কুলের বারান্দা, কমলাপুর স্টেশনে, রাস্তার ওপর পাটি বিছিয়ে রাত পার করছেন।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধ : গতকাল সকাল ৭টা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সব ধরনের যাত্রীবাহী বাস বন্ধ রয়েছে বলে জানান ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।
মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ডের ম্যানেজার খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, মালিক সমিতির নির্দেশে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া রাস্তায় বাস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামীকাল (শনিবার) বাস চলাচল বন্ধ থাকতে পারে।
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, র্যাব-পুলিশের চেকপোস্টে সন্দেহভাজন প্রাইভেট কার, বাস, মাইক্রোবাস থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। যাত্রীদের ব্যাগ, মোবাইল ও দেহ তল্লাশি করা হয়। সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দূরপাল্লার পরিবহন সংকট দেখা দেয়। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীদের বিকল্প যানসহ অটোরিকশায় চলাচল করতে দেখা গেছে।
গাজীপুরে বিএনপির ৩৭ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার : গত বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ৩৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গাজীপুরের কালিয়াকৈর, জয়দেবপুর, কালীগঞ্জ, শ্রীপুর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয় বলে গাজীপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন।
কালিয়াকৈর থানার ওসি আকবর আলী খান বলেন, ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তারা পুরনো মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।
সাভারে র্যাব-পুলিশের তল্লাশি : গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আমিনবাজার ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চেকপোস্ট বসানো হয়। আমিনবাজার ২০ শয্যা হাসপাতালের সামনের চেকপোস্টে ঢাকাগামী দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, গণপরিবহন, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল থামিয়ে সন্দেহভাজন যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যাত্রীদের সঙ্গে থাকা ব্যাগপত্র, মালামাল তল্লাশি করা হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে র্যাব।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে তল্লাশি : গতকাল সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জ অংশে যানবাহনের চাপ না থাকায় একেবারে ফাঁকা দেখা গেছে কাঁচপুর ব্রিজ থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা পর্যন্ত এমন দৃশ্য দেখা গেছে। এব এলাকায় পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জ ও ফতুল্লা থানার পুলিশ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকায় বিভিন্ন যানবাহন ও যাত্রীদের তল্লাশি করছে।
শ্রীপুরে নেতাকর্মীর বাড়িতে তল্লাশি : গাজীপুরের শ্রীপুরে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ছয় নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন শ্রীপুর প্রতিনিধি।
মুন্সীগঞ্জে গ্রেপ্তার ২ : গজারিয়ার বালুয়াকান্দি গ্রামের বাড়ি থেকে উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউসুফ ইকবাল খোকনকে আটক করে পুলিশ। এ ছাড়া গতকাল সকালে ডেমরার পুলিশ চেকপোস্টে আটক করা হয়েছে গজারিয়া যুবদলের সদস্য এসএম সোহেল সরকাকে। গতকাল মুন্সীগঞ্জের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জে গ্রেপ্তার ৪৫ : নারায়ণগঞ্জে পুলিশ রাতভর অভিযান চালিয়ে বিএনপির ৪৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) চাইলাউ মারমা।
তবে বিএনপি নেতাদের দাবি, মহাসমাবেশকে সামনে রেখে এ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে বিএনপির শতাধীক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাজধানীতে ১২ হাজার পুলিশ-র্যাব : রাজধানীতে মোতায়েন থাকছে প্রায় ১২ হাজার পুলিশ ও র্যাব সদস্য। দুই পক্ষের সমাবেশস্থল ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে ড্রোন। মোতায়েন থাকছে অ্যান্টি পারসোনেল কার (এপিসি), রায়টকার, জলকামান ও দাঙ্গা দমনের সরঞ্জামসহ সশস্ত্র পাহারা। প্রয়োজনে মোতায়েনের জন্য পিলখানায় প্রস্তুত থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবির প্লাটুন। সাদা পোশাকে মোতায়েন থাকছে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। ডিএমপির সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম স্থাপন করে পুরো পরিস্থিতি তদারকি করছেন ডিএমপি কমিশনার নিজেই। গণিরোডে ডিএমপির কন্ট্রোল রুম থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রাজধানীতে বিএনপি, জামায়াত ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশ ঘিরে এক ধরনের উদ্বেগ রয়েছে মানুষের মধ্যে। সংঘাতময় পরিস্থিতির আশঙ্কাও করছে নানা মহল। তবে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খ. মহিদ উদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এই মুহূর্তে বড় ধরনের কোনো হুমকি নেই। তবে বড় ধরনের সমাবেশ ঘিরে যেকোনো গোষ্ঠী নাশকতা, দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এসব বিষয় পুলিশকে মাথায় রাখতে হচ্ছে। এজন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’
ডিএমপি সূত্র জানায়, দুই দলের সমাবেশের স্থান নিয়ে বৃহস্পতিবার কয়েক দফা বৈঠক করেছেন ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গতকাল বিকেলেও ডিএমপি কমিশনারের নেতৃত্বে ৫০ থানার ওসিদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ ও বিএনপি মহাসমাবেশের জন্য যে স্থান চেয়ে আবেদন করেছে, সেখানে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এটা মাথায় রেখেই ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি নিতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডিএমপির ঊর্ধ্বতন একাধিক কর্মকর্তা বলেন, যেকোনো সময় পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে। তাই সব ধরনের প্রস্তুতি রাখছে পুলিশ। ওই কর্মকর্তারা আরও বলেন, মহাসমাবেশে দাঙ্গা-হাঙ্গামা হলে কীভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সে বিষয়ে সপ্তাহ ধরে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বিকেলে বিএনপির সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। এ সময় তিনি বলেন, দুটি বড় রাজনৈতিক দলের মহাসমাবেশ রাজধানীতে হবে। সমাবেশে অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি জননিরাপত্তা ও ঝুঁকির বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে জামায়াতকে অনুমতি দেওয়া হবে না।
ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হায়াতুল ইসলাম খান জানান, সমাবেশের অনুমতি ছাড়া কোনো দলের সমবেত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। গ্রেপ্তার ও তল্লাশির বিষয়ে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখন থেকে তল্লাশি চলছে। সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে।
