সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সতর্ক করে গুগল ছেড়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই এর জনক জেফ্রি হিনটন। এরই মধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে মানুষের কর্মসংস্থানের উপর।
বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর জোর দেয়ায় এর প্রভাব সরাসরি পড়তে যাচ্ছে কর্মীদের ওপর।
এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস করপোরেশন বা আইবিএম। বর্তমানে কর্মী নিয়োগ বন্ধ রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী কয়েক বছরে ৭ হাজার ৮০০ কর্মী ছাঁটাই করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিস্থাপন করবে আইবিএম।
মঙ্গলবার ব্লুমবার্গ নিউজের সাথে এক সাক্ষাৎকারে আইবিএমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অরবিন্দ কৃষ্ণা বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির এক–তৃতীয়াংশ কর্মী কমানোর ওপর নজর দিচ্ছে তাঁর প্রতিষ্ঠান। কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অগ্রগতিতে ওই সব কর্মী এখন অপ্রয়োজনীয়।
তিনি আরো বলেন, “এসব কর্মীর সংখ্যা আড়াই লাখের বেশি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এসব ৩০ শতাংশ কর্মীর কাজ এআই বা অটোমেশনের মাধ্যমে করানো সম্ভব হবে।“
এ সাক্ষাৎকারের পর আর কোন মন্তব্য করেনি আইবিএম। তবে আইবিএমের একজন মুখপাত্র বলেন, প্রতিষ্ঠানে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বিরতি নেই। গ্রাহক বা প্রযুক্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই এমন পদ পূরণের ক্ষেত্রে তাঁরা খুব নির্বাচনী হচ্ছেন।
এদিকে গত রোববার ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তির দিকে ঝোঁকার কারণে আগামী পাঁচ বছরে বিশ্বে দেড় কোটি কর্মসংস্থান কমতে পারে বলে উঠে এসেছে।
