ভোটের রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারী সম্পূর্ণ সুস্থ না হলেও তাকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বামী। নির্যাতিতা ওই নারীকে গতকাল বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক ফাতেমা।
তিনি দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে রিলিজ করা হয়েছে। সে কয়েক দিন পর এসে আবার দেখিয়ে যাবে।’
পুরো সুস্থ না হতেই তার স্ত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে নির্যাতিতার স্বামী বলেন, তাদের পুলিশ পাহারায় বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাকে বা তার স্ত্রীকে কারও সঙ্গে কথা বলতে নিষেধ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তার স্ত্রীর শরীরের সম্পূর্ণ ক্ষত এখনো শুকায়নি। এখনো তার মাথা ঘোরায়। তিনি একা একা বিছানা থেকে উঠে বাথরুমে যেতে পারেন না। তার ভাঙা হাতের প্লাস্টার কাটা হয়নি।
গত ৩০ ডিসেম্বর ভোটের রাতে সুবর্ণচরের মধ্যম বাগ্যা গ্রামে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে চল্লিশোর্ধ্ব ওই নারীকে ধর্ষণ করা হয়। তার অভিযোগ, ভোটের সময় নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়েছিল। এরপর রাতে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক রুহুল আমীনের সমর্থকরা বাড়িতে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করে; মেরে হাত ভেঙে দেয়।
এ ঘটনায় তার স্বামীর করা মামলায় রুহুল আমীনসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রুহুলকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে সংগঠনটি। এ ঘটনায় দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে চরজব্বার থানার ওসি নিজাম উদ্দিনকে।
