চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে লিওঁর বাধা টপকাতে হবে বার্সেলোনাকে। ঘরের মাঠে সেই বাধা দুস্তর হবে না বলেই মনে করছেন কাতালানরা। তবু ভয় থাকছেই। কারণ ফরাসি ক্লাবের সাম্প্রতিক ফর্ম। লিওঁর সঙ্গে ২০ ফেব্রুয়ারি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগ ম্যাচ গোলশূন্য ড্র করতে বাধ্য হয়েছিল বার্সেলোনা। ওটা তাদের জন্য পরাজয়ের সমান। সেই ম্যাচের পর থেকে অবশ্য দুরন্ত ফর্মে আরনেস্তো ভালভারদের দল। শেষ চার ম্যাচের চারটিতেই জিতেছে তারা। যার মধ্যে আছে আবার দুটি এল ক্লাসিকো। দুটিই হয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে।
কাজেই আজ আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় থেকে লিওঁর মোকবিলায় নামবেন লিওনেল মেসিরা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পরিসংখ্যানও তাদের পক্ষে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে সর্বশেষ ২৯ ম্যাচে অপরাজিত বার্সা। এই ২৯ ম্যাচের ২৬টিতে আবার জয় এসেছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ২০০৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে গত মাসের ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিওঁর বিপক্ষে কোনো ম্যাচ হারেনি বার্সেলোনা। ২০০৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ঘরের মাঠে কাতালান দলটি ৩-০ গোলে হারিয়েছিল ফরাসি ক্লাবকে। এরপর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-২ ব্যবধানে জিতেছিল বার্সা। ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিওঁর মাঠে ১-১-এ ড্রয়ের পর ন্যু ক্যাম্পে দ্বিতীয় লেগ ৫-২ গোলে জিতে নেয় স্প্যানিশ জায়ান্টরা। এবারও কি লিঁওর মাঠে ড্র করার পর ঘরের মাঠে জয় অপেক্ষা করছে মেসিদের জন্য? উত্তর মিলবে আজ রাতেই।
শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি আজ খেলতে পারবেন না বার্সার আক্রমণভাগের অন্যতম সেরা অস্ত্র উসমান দেম্বেলে। তার জায়গা হয়তো ফিলিপে কুতিনহো বা আর্তুর ভিদালকে দিয়ে পূরণ করতে চাইবেন ভালভারদে। তবে মেসি ফর্মে থাকলে আর কিছুর প্রয়োজন পড়বে না। লিওঁর সেরা অস্ত্র নাবিল ফেকির। ন্যু ক্যাম্পে অঘটন ঘটানোর জন্য তার পায়ের দিকেই চেয়ে থাকবে ফরাসি ক্লাবটির সমর্থকরা। লিগ ওয়ানে লিওঁর অবস্থান তিনে। এটা সম্ভব হয়েছে ফেকির কারণে। এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার ঘরের মাঠে বার্সার বিপক্ষে প্রথম লেগে খেলেননি। আজ খেলবেন। চলতি মৌসুমে ১২ গোল করেছেন।
