জবাবদিহিতা ও বদলির আওতায় আসছে বেসরকারি শিক্ষকরা

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ০৩:৫৯ এএম

আদেশ জারির চার বছর পর অবশেষে চালু হতে যাচ্ছে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের জন্য বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন (এসিআর) ব্যবস্থা। এজন্য প্রস্তুতিমূলক সব কাজ গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং শিগগিরই নতুন এ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। 

এসিআর পদ্ধতি চালু হলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জবাবদিহিতা, পদোন্নতি, শাস্তি এবং যোগ্যদের মূল্যায়ন করা সহজ হবে বলে মনে করছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। আর এসিআর চালু হলে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা প্রণয়ন করাও অনিবার্য। এই নীতিমালা তৈরির কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আজ বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরে এক সভায় এই নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে মাউশি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। 

এসিআর পদ্ধতি চালু হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা অন্য শিক্ষকদের এসিআর লিখবেন। তাতে প্রতিস্বাক্ষর করবেন মাউশির সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পরিচালক। এসিআর চালু করা গেলে পদোন্নতিসহ শিক্ষকদের সার্বিক উন্নয়নে তা কাজে লাগানো হবে। এ ছাড়া বেতন            

স্কেলের পরবর্তী উচ্চতর ধাপে যেতেও তা প্রয়োজন হবে।

এসিআর চালুর পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষকদের এক প্রতিষ্ঠান থেকে আরেক প্রতিষ্ঠানে বদলি করতে নীতিমালা তৈরির জন্য মন্ত্রণালয় থেকে এর আগে মাউশিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে গত ২৭ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ। ওই বৈঠকে ৩ এপ্রিলের মধ্যে বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির খসড়া নীতিমালা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর জন্য মাউশিকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাবেদ আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গত বছরের ১২ জুন জারি করা এমপিওভুক্তির নীতিমালা ও জনবল-কাঠামোতে কিছু সুনির্দিষ্ট সংশোধনী আনা হচ্ছে। বেসরকারি শিক্ষকদের পদোন্নতি-এসিআরসহ নানা বিষয়ে সংস্কার ও পরিবর্তন আসবে। এ ছাড়া বেসরকারি শিক্ষকদের বদলির জন্যও নীতিমালা করা হচ্ছে। আর পরিবর্তনের সবকিছু শিক্ষকদের কথা ভেবেই করা হচ্ছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত