মেহেরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ধর্ষণের আসামি নিহত

আপডেট : ১২ মে ২০১৯, ০২:৫৭ এএম

মেহেরপুরের গাংনীতে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও গৃহবধূর ওপর এডিস নিক্ষেপ মামলার আসামি ইয়াকুব আলী ওরফে কাজল (২৮) নিহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, গত শুক্রবার মধ্যরাতের এ ঘটনায় এসআইসহ পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন। এদিকে  

কক্সবাজার শহরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন ও টেকনাফে দুই দলের গোলাগুলিতে আরেকজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের ভাষ্য, গতকাল শনিবার ভোরে নিহত দুজনই মাদক কারবারি। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরÑ

মেহেরপুর : গাংনী থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, কাজলকে নিয়ে শুক্রবার রাত ২টার দিকে উপজেলার গাঁড়াডোব গ্রামে অস্ত্র উদ্ধারে গেলে তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ে। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় গুলিবিদ্ধ কাজলকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত পুলিশ সদস্যদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় ওয়ান শুটার গান, দুই রাউন্ড গুলি ও একটি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত কাজল গাঁড়াডোব গাছলাপাড়ার জালাল উদ্দিনের ছেলে।

কক্সবাজার : সদর থানার ওসি খন্দকার ফরিদ উদ্দিন জানান, গতকাল ভোরে শহরের কলাতলীর কাটাপাহাড় এলাকায় দুই দল মাদক কারবারির মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে সবাই পালিয়ে যায়। পরে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির পাশ থেকে ৩৫০ পিস ইয়াবা, একটি দেশীয় বন্দুক, দুটি গুলি ও তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে এবং শনাক্তের চেষ্টা চলছে। 

এদিকে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, গত শুক্রবার বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী দুদু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার ভোরের দিকে পুলিশ তাকে নিয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে সাবরাং ইউনিয়নের মুণ্ডারডেইল এলাকায় ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে যায়। এ সময় দুদুর সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে এবং তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ দুদুকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত পুলিশের তিন সদস্যকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ওসি আরও জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি দেশীয় বন্দুক, ১৩টি গুলি ও চার হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। দুদু মিয়া সাবরাংয়ের নাজিরপাড়ার মৃত সুলতান আহমদের ছেলে। মাদকসহ তার বিরুদ্ধে থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত