সাভারে আট বছরের এক শিশু শিক্ষার্থী মাদ্রাসা শিক্ষকের যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার মাদ্রাসা ছুটির পর শিক্ষক সাইফুল ইসলাম যৌন নিপীড়ন চালায়। ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষক পলাতক রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসা থেকে প্রধান শিক্ষক ইসারতকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ। পাবনার ঈশ্বরদীতে আলহাজ টেক্সটাইল মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন
করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই শিক্ষকের নাম মোজাম্মেল হক (৫০)। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক অভিযোগ অস্বীকার করে মিথ্যা মামলা বলে দাবি করেছেন। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালীরা চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
সাভারের ঘটনায় পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার মাদ্রাসা ছুটির পর অন্যরা চলে গেলেও ওই শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে যৌন নিপীড়ন চালায় শিক্ষক সাইফুল ইসলাম। বিষয়টি জানতে পেরে মঙ্গলবার দুপুরে
মাদ্রাসাশিক্ষক সাইফুল ইসলাম এবং প্রধান শিক্ষক ইসারতকে আসামি করে থানায় মামলা করে শিশুটির পরিবার।
সাভার চামড়া শিল্প নগরী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশের পরিদর্শক মো. গোলাম নবী বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া মামলার সূত্র ধরে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।
এদিকে সাভারে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়–য়া এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মিলন (২৩) নামে এক ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে সাভার পৌর এলাকার কাতলাপুর মহল্লার আবদুল মতিনের বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। মিলনের বাড়ি কুড়িগ্রাম রাজাহাটের গোকলা গ্রামে।
গত সোমবার সন্ধ্যায় কাতলাপুর এলাকায় খালার বাসায় বেড়াতে যায় ওই শিশু। এ সময় বাসায় কেউ না থাকার সুযোগে ঝালমুড়ি বিক্রেতা মিলন হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীর চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে মিলনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
ঈশ্বরদীতে আলহাজ টেক্সটাইল মিলস্ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ৮ম শ্রেণিতে পড়–য়া এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মামলার এজাহার বলা হয়েছে, গত ২৫ মে দুপুরে প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক ওই ছাত্রীকে স্কুল গেটের সামনে থেকে ডেকে নিয়ে যৌন নিপীড়ন করে।
ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ওই ছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছে। আসামি ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
