শৈলজারঞ্জনের জন্মবার্ষিকী উদযাপন রবি ঠাকুরের ‘বর্ষামঙ্গল’ মঞ্চস্থ

আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:৪৬ এএম

যশোরের সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই। সংস্থাটি মামলার এক অজ্ঞাত আসামির পরিচয় শনাক্তে ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে। এ জন্য আদালতে আবেদনও করা হয়েছে পিবিআইর পক্ষ থেকে।

মামলায় চার আসামির তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি একজন রয়েছে অজ্ঞাত। তাকে শনাক্ত করাই এখন পিবিআইর বড় চ্যালেঞ্জ। পিবিআই যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মামলার নথি হাতে পেয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। অপরাধী শনাক্তে ডিএনএ টেস্টসহ যা যা করণীয় সব কিছুই করা হবে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে উপজেলার লক্ষ্মণপুর এলাকায় ওই গৃহবধূর বাড়িতে যায় এসআই খাইরুলসহ চারজন। তারা ওই গৃহবধূর স্বামীর নামে থাকা একটি মামলা ‘হালকা’ করে দেওয়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এসআই খাইরুল ও কামরুল তাকে ধর্ষণ করেন বলে পরের দিন শার্শা থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত একজনের নামে মামলা করেন গৃহবধূ।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী প্রথমে সাংবাদিকদের বলেছিলেন প্রধান অভিযুক্ত এসআই খাইরুলসহ তার সঙ্গে থাকা সোর্সরা তাকে ধর্ষণ করেছেন। পরে আবার দাবি করেন, ভয়ে এসআই খাইরুলের নাম বলতে পারেননি।

গত শুক্রবার পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে পিবিআই যশোর। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর শেখ মোনায়েম হোসেন দায়িত্ব পেয়েই ওই দিন সকালে গৃহবধূর বাড়ি গিয়ে জবানবন্দি নিয়েছেন।

শেখ মোনায়েম হোসেন জানান, ওই নারীর ‘সোয়াপ’ সংগ্রহ করে ডিএনএ প্রোফাইলের জন্য সিআইডি হেড কোয়ার্টারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ডাক্তারি পরীক্ষায় পাওয়া ধর্ষণের আলামতের সঙ্গে গ্রেপ্তার তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করাতে আবেদন করা হয়েছে। প্রধান অভিযুক্ত এসআই খাইরুল আলম প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি তদন্তের বিষয়, তদন্তে কারও সম্পৃক্ততা থাকলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক জানান, তদন্ত কমিটি তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। তদন্তে প্রমাণিত হলে এসআই খাইরুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত