বাফুফের দুর্নীতির দায় নেবেন না কাউন্সিলররা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০১:১৭ এএম

ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে ক্রীড়াঙ্গন যখন সরব, ঠিক তখনই কিছুদিন আগে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ১৭ কোটি টাকার দুর্নীতির বিষয়টি উসকে দিয়েছেন বাংলাদেশ বিভাগীয় ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিডিএফএ) মহাসচিব তরফদার রুহুল আমিন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে জেলা ও বিভাগের ফুটবল কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দেশের সামগ্রিক ফুটবল নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করে বিডিডিএফএ। সেখানে রুহুল আমিন সাফ জানিয়ে দেন, বাফুফের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির দায় কাউন্সিলররা বহন করবেন না। একই সঙ্গে আগামী ১৬ নভেম্বর বাফুফের বহুল আলোচিত বার্ষিক সাধারণ সভার আগে কাউন্সিলরদের কাছে বিগত তিন বছরের আর্থিক বিবরণী পাঠানোর অনুরোধ জানান তিনি। যাতে কাউন্সিলররা আর্থিক বিবরণী পর্যবেক্ষণ করে তাদের মতামত দিতে পারেন।

বিডিডিএফএ’র উদ্যোগে গত বছর ৪৬টি জেলা তাদের নিজ নিজ ফুটবল লিগ আয়োজন করেছে। তরফদার রুহুল আমিনের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড প্রতিটি ডিএফএকে ৩ লাখ টাকা করে সহায়তা করেছে। এছাড়া বাফুফে প্রতিটি জেলাকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেয়। ১৬টি জেলা লিগ অর্থ সহায়তা পাওয়ার পরও লিগ আয়োজন করেনি। আর দুটি ক্লাবের ডিএফএতে সমস্যা থাকায় তারা লিগ আরম্ভ করতে পারেনি। বিডিডিএফএ চলতি বছর লিগ পরিচালনা করতে ফের অর্থ সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কাল। সভা শেষে রুহুল আমিন বলেন, ‘যেসব জেলা লিগ আয়োজন করতে পারেনি, তাদেরকে অনুরোধ জানিয়েছি এ বছর লিগ আয়োজন করতে। সেক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে আমাদের পক্ষ থেকে।’ বাফুফের দুজন সহসভাপতি বাদল রায় এবং মহিউদ্দিন আহমেদ মহির বাফুফের তিন বছরের আর্থিক বিবরণীতে ১৭ কোটি টাকার অসংগতি পাওয়া প্রসঙ্গে রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা বাফুফের বিরুদ্ধে নই। তারা আমাদের অভিভাবক সংস্থা। আমরা চাই তাদের আর্থিক বিবরণী এজিএমে অনুমোদন করতে। কিন্তু তারা তো এখনো কাউন্সিলরদের কাছে আর্থিক বিবরণী পাঠায়নি। সেটা পাঠালে আমরা নিজস্ব অডিটর দিয়ে সেগুলো অডিট করিয়ে দেখব বাফুফের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি সঠিক কি-না। আমি বলতে চাই, বাফুফের এই দুর্নীতির দায় কাউন্সিলররা নেবেন না।’ সভায় অনেকের মধ্যে বাফুফের সহসভাপতি মহিও বক্তব্য দেন। যেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফুটবলার হাসানুজ্জামান খান বাবলু, আবদুল গাফফার, ইমতিয়াজ সুলতান জনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত