চলতি বছরেই বাংলাদেশ ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে বলে জানিয়েছেন প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু। তিনি বলেছেন, ‘এই সাফল্যের অন্যতম অংশীদার ডিম খামারিরা। তবে পণ্যের দাম না পাওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন তৃণমূলের খামারিরা। তাদের জন্য পোলট্রি বীমা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
গতকাল শুক্রবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব ডিম দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পোলট্রি খাদ্য উৎপাদনকারী কারখানা মালিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা যারা অধিক লাভের আশায় পোলট্রি খাবারে ভেজাল মেশাচ্ছেন, শিগগিরই আমি আমার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযানে নামব।’
তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মতে, সুস্থ থাকার জন্য প্রত্যেক মানুষের বছরে ন্যূনতম ১০৪টি ডিম খাওয়া দরকার। সেই হিসাব অনুযায়ী ২০১৮-১৯ অর্থবছরেই আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণের খুব কাছাকাছি ছিলাম। ডিমের মাথাপিছু কনজাম্পশন ছিল ১০৩টি। এ বছর সে লক্ষ্য অবধারিতভাবেই পূর্ণ হতে চলেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে
মাথাপিছু ডিম খাওয়ার পরিমাণ ১০৫টিতে উন্নীত হবে বলে আশা করছি।
