রামুতে সেনাপ্রধান

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু হয়েছে

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০১৯, ০৪:০৮ এএম

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। গতকাল রবিবার সকালে কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসের ছয়টি ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়ায় রোহিঙ্গাদের বড় দুটি ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ হবে। বর্তমান সরকার বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের ২৮৭ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক ও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে। আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাব।’

আগামী মাসে মিয়ানমার সফর প্রসঙ্গে জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, ‘ভালো হোক আর মন্দ হোক তারা আমাদের প্রতিবেশী। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ভালো থাকলে উভয় দেশ লাভবান হয়। আমরা চাই আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে যে পররাষ্ট্রনীতি রয়েছে, সে অনুযায়ী সবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অব্যাহত রয়েছে।’

এর আগে সকালে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছলে সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদকে অভ্যর্থনা জানান ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী। পরে ছয়টি ইউনিটকে রেজিমেন্টাল কালার দেন সেনাপ্রধান। ইউনিটগুলো হচ্ছে ৬, ৯ ও ২৭ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৬ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন এবং ১৩ ও ১৪ বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট। এ উপলক্ষে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন ও সেনাপ্রধানকে সালাম প্রদান করে। এ সময় সেনাপ্রধান আরও বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই প্রশংসনীয় কার্যক্রম প্রদর্শনের মাধ্যমে এসব রেজিমেন্ট রেজিমেন্টাল কালার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। রেজিমেন্টাল কালার প্রাপ্তি যেকোনো ইউনিটের জন্য একটি বিরল সম্মান এবং পবিত্র আমানত।

অনুষ্ঠানে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, সংসদ সদস্য জাফর আলম, এয়ার কমোডর মুহাম্মদ শাফকাত আলী, ডিজিএফআই কক্সবাজার অধিনায়ক কর্নেল আবুজার আল জাহিদ, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মাহবুব আলম তালুকদার, জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনসহ ইউএনএইচসিআর, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, মুক্তিযোদ্ধাসহ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত