পর্দা কেলেঙ্কারির ঘটনায় কারাগারে ৩ চিকিৎসক

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২০, ০১:৪৫ এএম

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালের পর্দাসহ সরঞ্জামাদি ক্রয়ে দুর্নীতি ও ১০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলায় তিন চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল রবিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক কামরুন্নাহার বেগম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

ওই তিন চিকিৎসক হলেন- ফমেক হাসপাতালের দন্ত বিভাগের সহকারী  অধ্যাপক গণপতি বিশ্বাস ওরফে

শুভ, গাইনি বিভাগের সাবেক জুনিয়র কনসালটেন্ট মিনাক্ষী চাকমা ও হাসপাতালের সাবেক প্যাথলজিস্ট এ এইচ এম নুরুল ইসলাম।

দুদকের আইনজীবী মজিবর রহমান বলেন, ‘আলোচিত ওই ঘটনার মামলায় তিন চিকিৎসক গত ২ ডিসেম্বর হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ থেকে ছয় সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নেন। জামিন মেয়াদ শেষ হওয়ায় গতকাল তারা জেলার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাদের ফরিদপুর জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।’

 

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী এমরান হোসেন লিমন বলেন, ‘বিধি অনুযায়ী আদালতের কাছে জামিন চেয়েছিলাম, কিন্তু হয়নি। উচ্চ আদালতে গিয়ে আমরা জামিন আবেদন করব।’

গত ২৭ নভেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে ফমেক হাসপাতালের তিন চিকিৎসক, দুই ঠিকাদার ও এক প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ছয় জনকে আসামি করে ফরিদপুরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে মামলাটি করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত