ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩০ জানুয়ারি ভোর থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সব ধরনের বৈধ অস্ত্র বহন ও প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবদুল জলিল স্বাক্ষরিত মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবদুল জলিল স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, ‘আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক অধিশাখা-৬ একটি পরিপত্র জারি করেছে। এতে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৭(ক)(১) ধারায় দেওয়া ক্ষমতাবলে বৈধ অস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধের আদেশ জারি করা হযেছে। একই সঙ্গে আদেশ লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৬৫ প্লাটুন বিজিবি মাঠে থাকবে। উত্তরে ২৭ প্লাটুন ও দক্ষিণ সিটিতে ৩৮ প্লাটুন বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতি দুটি সাধারণ ওয়ার্ডে এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। বিজিবির প্রতিটি টিমের সঙ্গে ৩০ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি একজন করে নির্বাহী হাকিম থাকবে। গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা শাখার এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগে দুদিন ও পরে এক দিনসহ মোট চার দিন অর্থাৎ ৩০ জানুয়ারি থেকে ০২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোটকেন্দ্রের বাইরে র্যাব-পুলিশের টিম সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জন্য পাঁচ প্লাটুন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য পাঁচ প্লাটুন বিজিবি সুবিধাজনক স্থানে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত রাখা হবে। সেই সঙ্গে উভয় সিটি করপোরেশনে পাঁচটি করে র্যাবের রিজার্ভ টিম নিয়োজিত রাখতে হবে। মোবাইল-স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত প্রতিটি টিম, বিশেষ করে বিজিবির টহল দলে একজন করে নির্বাহী হাকিম নিয়োগ করা হবে।
