চসিক নির্বাচন

মেয়র পদে ২ কাউন্সিলরে ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল

আপডেট : ০২ মার্চ ২০২০, ০২:০৭ এএম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণখেলাপি, স্বাক্ষরে গরমিল ও ভিন্ন ওয়ার্ডের সমর্থনকারী হওয়ায় ১১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে রয়েছে মেয়র পদে ২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১১ জন। তবে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে কারও মনোনয়নপত্র বাতিল হয়নি। বাতিল হওয়া এসব প্রার্থীর মধ্যে শুধু একজন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী, অন্যরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং

কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভোটারের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তানজীর আবেদিন ও খোকন চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণখেলাপি ও ভিন্ন ওয়ার্ডের সমর্থনকারী হওয়ায় ৯ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচনে বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে টিকে রয়েছেনÑ মেয়র পদে ৭ জন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৫৮ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২১১ জন প্রার্থী। তবে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়া এসব প্রার্থীর আগামী ৩ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে চসিক নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ২৯ মার্চ সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের শেষ দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৮ মার্চ। প্রতীক বরাদ্দ ৯ মার্চ।

রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যানুযায়ী, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে সাধারণ কাউন্সিলর পদে বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেনÑ চসিকের ৪নং ওয়ার্ডের মো. সাইফুল্লাহ খান, ৭নং ওয়ার্ডের মো. সোহেল মাহমুদ, ১৫নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আলী আকবর, ১৮নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ তৈয়ব, ১৯নং ওয়ার্ডের মহিউদ্দিন মাহমুদ রনি ও মো. আব্দুল মান্নান, ২০নং ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. হাফিজুল ইসলাম ও ৩২নং ওয়ার্ডের মো. হাবিবুল্লাহ। 

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে বাতিল হওয়া ২ প্রার্থী ছাড়া চসিকের মেয়র পদে প্রার্থিতায় টিকে রয়েছেন ৭ জন। তারা হলেনÑ আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী, বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. সোলায়মান আলম শেঠ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আবুল মনজুর ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত