লকডাউনে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ। বড়-ছোট সব ধরনের আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে ইতিমধ্যে। এ তালিকায় আছে অলিম্পিকসহ খেলাধুলার বড় আয়োজনগুলোও। বাড়িতে কীভাবে সময় কাটছে বিভিন্ন খেলার সঙ্গে যুক্ত অ্যাথলেটদের? লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা
ডিজায়ার লিন্ডেন (দৌড়বিদ)
ডিজায়ার লিন্ডেন আমেরিকান একজন দূরপাল্লার দৌড়বিদ। এই প্রতিযোগিতায় সব প্রতিযোগীকে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব রেখে অন্তত ৩ কিলোমিটার দৌড়াতে হয়। তিনি ২০১২ সালে আমেরিকার হয়ে লন্ডন অলিম্পিকসে অংশ নেন। ২০১৬ সালে ‘রিও ডি জেনেরিও অলিম্পিকস’-এ নারীদের ম্যারাথনে অংশ নেন। ২০১৮ সালে প্রথম আমেরিকান হিসেবে ৩৩ বছর বয়সী এই দৌড়বিদ বোস্টন ম্যারাথনে নারী বিভাগে জয়ী হন। এই নারী দৌড়বিদ এবার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকার অলিম্পিক ম্যারাথনে অংশ নেওয়ার জন্য। কিন্তু সেখানে তিনি নির্বাচিত হননি। পরে ভেবেছিলেন এপ্রিলে বোস্টন ম্যারাথনের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেবেন। কিন্তু বর্তমান অবস্থার কারণে সেটিও পিছিয়ে যাওয়ায় তিনি হাতে বেশ কিছুদিন সময় পেয়েছেন নিজেকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করার। একটি ম্যারাথন থেকে ছিটকে পড়ে পরেরটার জন্য প্রস্তুতি নিতে সত্যিই লিন্ডেনের এ সময়টুকু দরকার ছিল। তিনি বলেন, সবার আগে মানসিক দুরবস্থাটা কাটাতে চাই। এজন্য পুরোপুরি বিশ্রাম ও নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া করছি। নিজেকে সময় দিচ্ছি। পরের যে কোনো প্রতিযোগিতার আগে নিজেকে সম্পূর্ণ তৈরি করতে চাই। সঙ্গে প্রতিদিন দৌড়াচ্ছি।
লিন্ডেন দীর্ঘ বিরতির এই সময়টুকুকে হতাশার চোখে দেখছেন না। দীর্ঘায়ু ক্যারিয়ার আর আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে তিনি এখন শারীরিক এবং মানসিক বিশ্রামের সঙ্গে প্রতিদিনের চর্চাটাকেও যুক্ত করে নিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, যেখানে একবার হেরে গিয়েছেন, পরেরবার যেন সেই জায়গা থেকে তাকে খালি হাতে না ফিরতে হয়। চিন্তামুক্ত হয়ে প্রতিযোগিতার নতুন সম্ভাবনা, নতুন নতুন পন্থার দিকে মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি। মিশিগানের চারলেভোক্সে নিয়মিত দৌড় চর্চা করছেন লিন্ডেন।
কোল সেজার (ক্রসফিট)
ক্রস ফিট স্পোর্টস মূলত শরীরচর্চা বিষয়ক। এখানে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা ও ব্যায়াম দুটো বিষয়ই যুক্ত থাকে। তবে এর জন্য করতে হয় প্রচুর সাধনা। নিজেকে রাখতে হয় একদম ফিট। ২০১৩ সালে ক্রসফিটের সঙ্গে যুক্ত হন কোল সেজার। এরপর থেকে ক্রসফিটই হয়ে ওঠে তার ধ্যান-জ্ঞান। বর্তমান পরিস্থিতিতে সব ধরনের প্রতিযোগিতা বন্ধ থাকলেও সেজার নিজের ট্রেনিং বন্ধ করেননি। যেহেতু শরীরচর্চাই এই খেলায় মুখ্য, তাই নিয়মিত শরীরকে ব্যায়ামের মাধ্যমে তৈরি করতে হয়। এই সময়টিকে তিনি বেছে নিয়েছেন তাই নিজেকে প্রস্তুত করে তোলার জন্যই। ওয়াশিংটনের স্পোকানে নিজের গ্যারেজকেই গুছিয়ে নিয়েছেন জিম হিসেবে। সাধারণ ট্রেনিংয়ে যেভাবে শরীরচর্চা করানো হয় সেভাবেই নিজ উদ্যোগে বাড়িতেই জিম করছেন। যেহেতু প্রতিযোগিতাগুলো কবে নাগাদ শুরু হবে সেটি এখনো অনিশ্চিত তাই সেজার চর্চা শুরু করেছেন একদম শুরু থেকে। এখন যেহেতু ট্রেনিং নেই, যে কোনোভাবে নিজেকে ফিট রাখাটাই মূল উদ্দেশ্য। শক্তি ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রাথমিক চর্চাগুলোতেই তার এখন নজর বেশি। সেজার ভাবছেন, বাড়িতে থাকার এই সময়টুকু একভাবে না কাটিয়ে বরং নিজেকে দক্ষ করে তোলার দিকে মনোযোগ দিলে পরবর্তী সময়ের জন্য ভালো হবে। প্রতিযোগিতার আগে ফিটনেস নিয়ে ভাবতে হবে না। তার মতে, মাঠে নেমে আমি আমার দক্ষতা ধরে রাখতে পারব, ক্যারিয়ার গোছাতে এই বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ- এই কথাটুকু মাথায় রাখলেই নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখা যায়। কাজ সহজ হয়। বাড়িতে আছি এটুকুকে নিয়ে তখন বাড়তি ভাবনা হয় না।
কায়রা কন্ডি (রক ক্লাইম্বিং)
কায়রা কন্ডি ২৩ বছর বয়সী আমেরিকান একজন রক ক্লাইম্বার। ২০২০ সালের অলিম্পিক গেমসে (বর্তমানে স্থগিত) যে চারজন আমেরিকান ক্লাইম্বারকে বাছাই করা হয়েছিল কায়রা তার মধ্যে একজন। অলিম্পিকের জন্য বেশ জোরেশোরেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন কায়রা। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমানে সেই প্রস্তুতি নেওয়া বন্ধ আছে। তবে নিজের অনুশীলন বন্ধ করেননি তিনি। প্রতিযোগিতার আগে যে ধরনের ট্রেনিংয়ের মধ্য দিয়ে তাদের যেতে হয়, সেটি যেহেতু পুরো বছর ধরে হয় না তাই বিভিন্নভাবে নিজেদের ফিট রাখার চেষ্টা করতে হয়। কায়রাও সে পন্থা মেনে চলছেন। কায়রা নিজ এলাকা মিনেপলিসে একটি ছোট জিম বানিয়েছেন। সেখানে ৪৫ ডিগ্রি কোণ করা একটি দেয়াল আছে। এই দেয়ালটি তিনি বানিয়েছেন শরীরের পেশিকে আরও বেশি মজবুত করার জন্য। ১৩ বছর বয়সে তার মেরুদণ্ডে একটি সার্জারি হয় যার কারণে বেশিক্ষণ সোজা অবস্থায় পাহাড়ে উঠতে তার কিছুটা বেগ পেতে হয়। এজন্য দেয়ালকে তিনি নিজের মতো করে বানিয়ে নিয়েছেন। নানা ধরনের উপায় অবলম্বনের চেয়ে পেশির ওপর আস্থা বেশি কায়রার। যেহেতু বাহিরে গিয়ে এ মুহূর্তে ক্লাইম্বিং প্র্যাকটিস করা সম্ভব নয়, তাই সল্ট লেক সিটির নিজ বাড়িতেই তিনি দেয়ালে ক্লাইম্বিং করার উপায় তৈরি করেছেন। কায়রা বলেন, ক্লাইম্বিংয়ের যে কোনো বিষয় নিয়ে আমি সব সময় চেষ্টা করতে থাকি। যদি সহজ রাস্তা না পাই তাহলে নিজেই রাস্তা তৈরি করে নিই।
ক্যামিলি হেরন (আল্ট্রা রানিং)
‘বর্তমান পরিস্থিতির স্বাভাবিকতা মেনে নিতে আমার খানিকটা সময় লেগেছে। তবে আফসোস করার চেয়ে পরিস্থিতিকে মেনে নিয়েছি। কারণ এ ছাড়া এ মুহূর্তে আর উপায় নেই।’ কথাগুলো বলছিলেন আমেরিকান লং ডিস্টেন্স রানার ক্যামিলি হেরন। ইন্টারন্যাশনাল আল্ট্রা রানার্স অনুষ্ঠিত ৫০ কিলোমিটার, ১০০ কিলোমিটার এবং ২৪ ঘণ্টার ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে তিন বিভাগে একত্রে প্রথমবারের মতো জয়ী হন হেরন। এছাড়াও আল্ট্রা রানার্সে অনেক জয়ের গল্প আছে তার। ২০১৭ সালে কমরেড ম্যারাথনেও জয় পান। সুপারহিরো স্পাইডারম্যানের পোশাকে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামার তুলসায় ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত ম্যারাথনে জয়ী হয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখান হেরন। এই অ্যাথলেট এবার পরিকল্পনা করছিলেন ওয়েস্টার্ন স্টেটের ১০০ মাইল দৌড়ের জন্য। বিশ্ব সংকটের এই মুহূর্তে এই প্রতিযোগিতাও এবার অনুষ্ঠিত হয়নি। এটা না হলেও হেরন আশা করছেন জুনে সাউথ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য বিখ্যাত কমরেড (আল্ট্রা) ম্যারাথনে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো জয়লাভ করবেন। যদিও বিশ্ব পরিস্থিতি কোথায় যাবে তা এখনো বলা যাচ্ছে না তবু আশা ছাড়েননি হেরন।
সময় কাটছে নিজেকে সময় দেওয়ার মাধ্যমেই। ‘মন চাইলে হয়তো অনেক কিছু করি, কিন্তু খুব বেশি সময় না। কারণ ব্যায়াম নিয়মিত করতেই হয়। এর জন্য অন্য কাজ কিছুটা কম হলেও সমস্যা নেই। আমি সাধারণত একটি নিয়মমাফিক রুটিন মেনে চলি।’ হেরন বাস করছেন কলোরাডোর আলামোসাতে। এখানে দৌড়ানোর জন্য বেশ প্রশস্ত খোলা জায়গা আছে। খুব শিগগিরই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ট্রেডমিল ক্যাটাগরিতে নিজের নাম দেখতে চান হেরন। প্রস্তুতিও চলছে সেভাবেই। আনুষ্ঠানিক সব কিছু থেকে আপাতত বিরত থাকলেও নিজেকে গড়ে তুলছেন সামনের প্রতিযোগিতাগুলোর জন্য।
জেন সুমেচার (খোলা পানিতে সাঁতার)
এই গ্রীষ্মে ইংলিশ চ্যানেলে সাঁতারের ট্রেনিং করার কথা ছিল জেন সুমেচারের। ‘সবই ঠিকঠাক চলছিল, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে পরে কবে কী হবে, সেটা বলা খুব শক্ত।’ বলছিলেন জেন। ট্রেনিং চলা অবস্থায় পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুল বন্ধ করে দেওয়া হয়। জেন পড়াশোনা করেছেন স্পোর্টস সাইকোলজি নিয়ে। ছোটবেলা থেকে সাঁতারে আগ্রহ থাকায় সিদ্ধান্ত নেন সাঁতারেই কিছু করার। সে হিসেবেই প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে এ মুহূর্তে সব কিছু থেকে দূরে থাকায় শারীরিক চর্চা করছেন বাড়িতেই। আশা করছেন সুস্থ অবস্থায় সব ঠিক হলে ফের পানিতে নামতে পারবেন। জেনকে প্রতি সপ্তাহে ২০-২৫ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত সাঁতরাতে হতো। বর্তমানে নিউ ইয়র্ক সিটিতে বাড়ির কাছে খোলা পানিতে ২০-৩০ মিনিট সাঁতার কাটেন। বাড়িতে থাকলেও নিয়ম মেনে করছেন সব কাজ। এখনো সুস্থ আছেন তিনি। সবার সঙ্গে ইন্টারনেট বা ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন, সপ্তাহে একদিন পর পর হলেও স্বামীর সঙ্গে হাঁটতে বের হন। ফেইসবুক লাইভে তার সাবেক কোচ মাইক কলিন্স সাঁতার নিয়ে নানা ধরনের গল্প করেন। সবকিছু মিলিয়ে বেশ ভালো সময় কাটছে জেনের। সাঁতারের নানা দক্ষতা নিয়ে জানার চেষ্টা করছেন অবসর সময়ে। সব ঠিক হলে হয়তো নতুন দক্ষতা নিয়ে সামনে আসবেন জেন, অংশ নেবেন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায়।
টমস স্কুজিন্স (সাইক্লিং)
ট্রেক-সেগাফ্রেদো টিমটি ইউনিয়ন সাইক্লিস্ট ইন্টারন্যাশনালের রেজিস্টারকৃত। এই টিমে আছে বিভিন্ন দেশের ২৭ জন ছেলে এবং ১৪ জন মেয়ে। বিশ্বভ্রমণের অনুমতি আছে তাদের। এই টিমেরই একজন সদস্য টমস স্কুজিন্স। স্পেনে কভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি হওয়ায় বাহিরের সব কার্যক্রম একদম বন্ধ করা হয়েছে। বাইরে যাওয়া না গেলেও বাড়িতেই ট্রেনিং করছেন টমস। পরিস্থিতিকে মেনে নিয়ে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য ঘড়ি ধরে বাড়ির আঙিনাতেই সাইকেল প্র্যাকটিস করছেন তিনি। এছাড়াও মন ভালো রাখতে গান শুনছেন, সিনেমা দেখছেন। কিন্তু বাড়িতে একটানা পাঁচ ঘণ্টা সাইকেল চালানো কিছুটা সমস্যা। তাই সময়কে ভাগ করে নিয়েছেন নিজের মতো করে। এই বছর নাগাদ বাইরে গিয়ে ট্রেনিং করা যাবে কি না সে বিষয় নিয়ে বলা কিছুটা শক্ত। প্রতিযোগিতা তো অনেক দূরের ব্যাপার। তবে এ মুহূর্তে নিজের ইমিউন সিস্টেমকে ভালো রাখার জন্য হলেও প্র্যাকটিস চালিয়ে যেতে হবে। এ বছর বড় বড় বেশ কিছু খেলায় অংশ নেওয়া হবে না তার। তবে তা নিয়ে তিনি তেমন আক্ষেপ করছেন না। ‘এ মুহূর্তে খেলার চেয়েও অনেক বড় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সঙ্গে আমাদের মানিয়ে নিতে হচ্ছে। আমরা সবাই আগে মানুষ, এরপর অ্যাথলেট,’ বলেন টমস।
লরেন ফ্লেশম্যান (ট্র্যাক/দৌড়)
‘এই সময়ে আমি নিজেকে সামলে নিচ্ছি’, বলছিলেন সাবেক আমেরিকান চ্যাম্পিয়ন ট্র্যাক রানার লরেন ফ্ল্যাশম্যান। করোনাভাইরাসের এ সময়ে, লরেন আগের চেয়েও অনেক বেশি দৌড়াচ্ছেন। ২০০৬ ও ২০১০ সালে ৫০০০ মিটার দৌড়ে তিনি চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০৩, ২০০৫ এবং ২০১১ সালে খেলেছেন ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ ইন অ্যাথলেটিকসে। ২০১১ সালে নিউ ইয়র্ক সিটি ম্যারাথনে ১২তম স্থানে ছিলেন লরেন। বর্তমানে বাস করছেন অরিগনের বেন্ডে। অনলাইনে ‘পিকি বারস’ নামে খাবারের একটি প্রতিষ্ঠান চালান এবং কোচিং করাচ্ছেন ছোট শিশু অ্যাথলেটদের। সামাজিক দূরত্বের বিষয়ে যখন ঘোষণা আসে তখন তিনি আরিজোনার ফ্ল্যাগস্তাফের ক্যাম্পে ছিলেন। লরেন এখন যেখানে আছেন সেখানে বাইরে বের হলেও খুব বেশি সমস্যা নেই, তবু তিনি দরকার ছাড়া বের হন না। ট্রেনিং আপাতত বন্ধ রেখেছেন। তার মতে, এ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে কাজ করার কোনো প্রয়োজন নেই। দৌড়ের গতি যেন কমে না যায় সে জন্য সবাই মিলে ‘ফার্টলেক’ নামে এক ধরনের স্পিড ট্রেনিং করেন এবং পাহাড়ে চড়েন। লরেন বলেন, যেহেতু এ মুহূর্তে যথাযথ ম্যাসাজ থেরাপি এবং ট্রেনিং চলাকালীন স্বাস্থ্যকর সব সুবিধাদি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না তাই তারাও কঠিন ট্রেনিংয়ের মতো কোনো কাজ করতে পারবে না। যেহেতু নেটওয়ার্ক এখন আগের চেয়ে অনেক কম, তাই কোনো ধরনের রিস্ক নেওয়া এ মুহূর্তে উচিত নয়। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে নতুনভাবে সবকিছু নিয়ে ভাবা যাবে।
