চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য বিতর্কিতভাবে তালিকাভুক্ত হওয়া ১৮৩ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্টকে ডেকে পাঠিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ রবিবার ও আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে তাদের অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়েছে।
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের বিভিন্ন কভিড চিকিৎসাকেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তালিকাভুক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠনের ঘোষণা দিলেও গতকাল পর্যন্ত এ ধরনের কোনো কমিটি করা হয়নি। অপরদিকে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের ৫টি সংগঠন এই নিয়োগ বাতিলসহ অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি করে বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ অব্যাহত রেখেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নেমেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ঘুষের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার তথ্য ও অডিও রেকর্ড অনলাইন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদের দাম উঠেছে ১০ লাখ টাকা। একটি অডিও রেকর্ডেও এ নিয়োগ কেলেঙ্কারির হোতা হিসেবে জনৈক আশিকের নাম উঠে এসেছে।
গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্রশাসন ডা. মো. বেলাল হোসেন সব কভিড হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে চিঠি দিয়েছেন। সেখানে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের জরুরি চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ১৮৩ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্টের কাগজপত্র আজ ও আগামীকাল ঢাকার মহাখালীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা নেওয়া হবে। এ সময় তাদের এসএসসি সনদ, ডিপ্লোমা পাস সনদ, এনআইডি, পাসপোর্ট আকারের ছবি, জীবনবৃত্তান্তসহ উপস্থিত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে নিয়োগপত্রের মাধ্যমে বর্তমান কভিড হাসপাতালে কর্মরত আছেন সেই নিয়োগপত্র ও গ্রহণকৃত যোগদানপত্রও সঙ্গে আনতে বলা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ১৮৩ জনের নামের তালিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক প্ল্যানিংয়ে ২৩ জন, ব্র্যাকে ৩৪ জন, জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিতে-এনটিপি ৬০ জন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ জন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে ৪ জন, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে ২ জন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ জন, রংপুর মেডিকেল কলেজে ১ জন, বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ১ জন, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ৪ জন, দিনাজপুরের এম আব্দুর রহীম মেডিকেল কলেজে ১১ জন, নারায়ণগঞ্জে ৩০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ২ জন, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে ৯ জন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে ২ জন, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে ৪ জন, বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজে ১ জন, নরসিংদীর সিভিল সার্জন অফিসে ৫ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৬ জন, নোয়াখালীর আব্দুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে ২ জন, ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভ ৪ জন এবং জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে ১ জন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
গত ১ মে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ) পরিষদের রাজশাহী জেলা শাখার সাংগঠনিক প্যাডে পাঁচ জনকে কভিড-১৯ মোকাবিলায় গঠিত মেডিকেল সাপোর্ট টিমে তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। তারা স্বেচ্ছাশ্রমে রোগ নির্ণয় সংক্রান্ত কাজ করতে ইচ্ছুক বলে সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। তারা হলেন- মো. আরিফুল ইসলাম, মো. সাদিকুল ইসলাম পলাশ, মো. রওমানুল ইসলাম, মো. আবদুল গাফফার ও তারেক হাসান। বিজ্ঞপ্তিতে দেশের এই সংকট সমাধানে তাদের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে প্রস্তুত থাকতে এবং মেডিকেল সাপোর্ট টিমকে সহায়তা করতে অনুরোধ করা হয়। এই পত্র বা বিজ্ঞপ্তিতে নিজেদের নাম, সিলমোহর ও ফোন নম্বরসহ স্বাক্ষর করেছেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের রাজশাহী জেলা শাখার সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক জি.এ. ফয়সাল।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের নোয়াখালী জেলা শাখার সাংগঠনিক প্যাডে অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে আরও ১০ জনকে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। এ সংক্রান্ত চিঠিতে জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম থাকলেও তাদের স্বাক্ষর নেই।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর ৫ জনকে চট্টগ্রামের ২৫০ শয্যা হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে কাজ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ) পরিষদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয় বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত নির্দেশের অনুলিপি পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দেওয়া হয়েছে। এসব টেকনোলজিস্ট হচ্ছেন চট্টগ্রামের নিজাম রোডের বসুন্ধরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, চট্টগ্রামের মেহেদীবাগের ন্যাশনাল হাসপাতালের মমতাজ উদ্দিন, গোল পাহাড় মোড়ের সুফল সরকার, মেহেদীবাগের মেট্রো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মো. সানোয়ার হোসেন এবং চট্টগ্রামের মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মো. ফরহাদ হোসেন।
কিছু দিন আগে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান তার ফেইসবুক আইডি থেকে বার্তা দিয়ে বলেছিলেন ‘স্বেচ্ছাসেবক হবেন? এখন নিয়োগ দিতে পারবে না। এখন স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করলে সরকার অগ্রাধিকার দেবে।’
আশিকুর রহমান চাকরি দেওয়ার নাম করে কয়েকশ বেকার মেডিকেল টেকনোলজিস্টের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বলা হচ্ছে, প্রথমে তাদের বিভিন্ন কভিড হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে চাকরি স্থায়ী করার সুযোগ পাওয়া ১৮৩ জনের মধ্যে বেশিরভাগই আশিকুর রহমান মনোনীত। প্রথম দফায় ১৮৩ জনের তালিকায় যাদের নাম নেই তাদের পরের ধাপে নিয়োগ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখ্য, শিগগিরই ১ হাজার ১৭ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি হবে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, আশিক তাদের বলেছেন, ‘দরখাস্ত করো, সেখানে চাকরির ব্যবস্থা করে দেব। টাকা মার যাবে না।’
অনলাইনে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ সংক্রান্ত কিছু অডিও রেকর্ড ঘুরে বেড়াচ্ছে। একটি অডিও রেকর্ডে বলা হচ্ছে, ‘টাকা ছাড়া চাকরি দেওয়া সম্ভব না। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, এখন সংগঠন অনেক বেশি। প্রত্যেকেই চাচ্ছেন তাদের পছন্দের লোকদের চাকরি দেওয়ার জন্য। কারিগরিতে যারা আছেন, তাদের বেশিরভাগই টাঙ্গাইলের লোক বলে জানানো হয়। তারা ১০ লাখ ১৫ লাখ টাকা দিয়ে চাকরি নিতে রাজি আছেন। ওদের কাছে টাকা কোনো বিষয় না। চাকরিটাই প্রধান। সবাই সবার মতো করে লবিং করছেন। আমাদের উনি ওনার মতো করে লবিং করছেন। দর কষাকষি করছেন। শেষ পর্যন্ত ওনাকে ২০০ লোক নেওয়ার ... দেওয়া হয়েছে। অন্য সংগঠনগুলোকেও দেওয়া হবে। তা না হলে তো ঝামেলা হবে। মারামারি লাগাইয়া দেবে, টাকা খেতে পারবেন না। সবাইকে দেবে এবং টাকা নেবে- এটাই মেইন কথা। ১০ (লাখ) এর কমে নিয়োগ দেবে না। উনি সারা দেশ থেকে ২০০ মতো লোক দেওয়ার (অনুমতি) পেয়েছেন। সিলেট থেকেই ২০ জনকে নিয়োগ দিতে পারবেন।’
অডিও রেকর্ডে শোনা যায়- টাঙ্গাইলের এক চাকরিপ্রার্থী জানতে চান, কোনো বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে কি না? উত্তরে বলা হয় সবই হবে। আমরা যাদের সিলেক্ট করব তারা তাদের মতো করে অ্যাটেন্ড করবেন। অডিও রেকর্ড ঘেঁটে জানা গেছে, সাংগঠনিকভাবে গেলে টাকার নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। চাকরি না হলে তাদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়। চাকরি দিতে না পারলে সংগঠন চালাতে পারবে না বলে জানানো হয়। নামের তালিকা দেওয়ার পর তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানানো হয়। অডিওতে শোনা যায়, ‘অনলাইনে কথা বলা সমস্যা। টাঙ্গাইল থেকে বলা হচ্ছে আমরা ১০ না, বেশিই দেব। আমাদের চাকরি দাও। ওরা চাকরি কনফার্ম চায়। আশিক ভাই বলেছেন, তোমরা তাড়াতাড়ি ফর্ম ফিলাপ করে জমা দাও। দেড় দুই মাস পরে একটা রেজাল্ট তো পাওয়া যাচ্ছে। আশিক ভাই কোনো কিছু বলার আগে বহু চিন্তাধারা ও বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে কথাগুলো বলেন। ওনার টার্গেট ছিল সবাইকে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ঢুকিয়ে পারমানেন্ট করে দেওয়া। ওনাকে ওপরের লেবেল থেকে বলা হয়েছে– আপনি লোক দেন পারমানেন্ট করে দিচ্ছি। একটা সিস্টেমে করে দেবে। এটা ছিল টার্গেট। কিন্তু ঝামেলা বেধে গেছে। এজন্য স্বেচ্ছাসেবীর আওতায় সব হয়নি। সেটা হলে সবচেয়ে ভালো হতো। এত টাকা লাগত না। সামান্য কিছু টাকা হলেই হয়ে যেত। সবাই টাকা নিয়ে বসে আছে। যারা যেতে ইচ্ছুক তারা তাড়াতাড়ি লিস্ট দিয়ে দাও আমরা কাজ করি। প্রত্যেক নেতাকেই অগ্রাধিকার দেবে। এগুলো কাউকে বলা যাবে না। তাহলে জিনিসটা ভাইরাল হয়ে যাবে।’
বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘পুরো বিষয়টাই ভিত্তিহীন। আমি সব সময় বাস্তবতার মধ্যেই চলি। যেহেতু আমি সংগঠন করি তাই সাধারণ মানুষকে আমি সহায়তা করব এটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় কথা।’
কিছু অডিও রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে বিভিন্ন বেকার টেকনোলজিস্টদের চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। সেখানে আপনার নাম উঠে এসেছে। সেখানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পদে নিয়োগের জন্য ১০ লাখ টাকা চাওয়া হচ্ছে। বিষয়টি কি আপনার জানা আছে? উত্তরে আশিকুর রহমান বলেন, ‘অডিও রেকর্ড আমার না। কারা কী বলেছে সেটা আমি জানি না। আমার নাম ভাঙিয়ে অন্যরাও এটা করতে পারে।’
কভিড হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক বাছাইয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদকে কেন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে আশিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বাছাই করার কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।’
চট্টগ্রাম বিভাগের পরিচালক স্বাস্থ্য ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর গত ২৩ এপ্রিল করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে (ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে) স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করার জন্য ৫ জনের নামে যে আদেশ ইস্যু করেন তার অনুলিপি কেন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (চিকিৎসা প্রযুক্তিবিদ) পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দেওয়া হলো? দেশ রূপান্তরের এই প্রশ্নের জবাবে আশিকুর রহমান বলেন, কভিড রোগীদের সহায়তায় যখন কেউ এগিয়ে আসছিলেন না তখন সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমরা এগিয়ে যাই। আমরা স্বেচ্ছায় কাজ করার জন্য এগিয়ে যাই। এর বেশি কিছু না। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট যে কেউ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নিতে পারবে। এটা শুধু আমার জন্য করা হয়নি। এটা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল।’
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে চিকিৎসক ও নার্সদের মতোই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা। যেখানে দেশে দেড় লাখ মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দরকার সেখানে আছে মাত্র ৫ হাজার ১৬৫ জন। মামলার কারণে গত ১০ বছর ধরে এ পদে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অনুমোদিত ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি থেকে পাস করা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদিত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা টেকনোলজিস্টদের স্বাস্থ্য বিভাগে নিয়োগ পাওয়া নিয়ে এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।
