খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী গ্রামের ট্রিপল হত্যা মামলার ৩ আসামিকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনা মহানগর হাকিম তরিকুল ইসলাম তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর মধ্যে আসামি মহানগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি শেখ জাফরিন হাসানকে ৮ দিনের এবং আরমান ও জাহাঙ্গীরকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লুৎফর হায়দার আদালতে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
মশিয়ালী গ্রামের আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের দুদিন পর গত শনিবার রাতে নিহত সাইফুল ইসলামের বাবা সাইদুল শেখ বাদী হয়ে খানজাহান আলী থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলায় বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা শেখ জাকারিয়া হাসান, তার ভাই বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা শেখ জাফরিন হাসান ও মিল্টন এবং সহযোগী জাহাঙ্গীর ও আরমানসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫-১৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে গুলি করে তিনজনকে হত্যা মামলার ১৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি রহিম আকুঞ্জিকে গতকাল রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে পুলিশ নগরীর খানজাহান আলী থানার বাইপাস সড়কের বিকেএসপির পেছন থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি মশিয়ালী গ্রামের প্রয়াত আক্তার আকুঞ্জির ছেলে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) কানাই লাল সরকার জানান, তিন হত্যা মামলার ১৪ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি রহিম আকুঞ্জিকে গতকাল দুপুর আড়াইটার দিকে খানজাহান আলী থানার বাইপাস সড়কের বিকেএসপির পেছন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এর আগে গত শনিবার এই হত্যাকাণ্ডের অন্যতম হোতা শেখ জাফরিন হাসানকে যশোরের বাঘারপাড়ার দাঁতপুর গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে কেএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এছাড়া শুক্রবার জাফরিন শেখের সহযোগী জাহাঙ্গীর ও আরমানকে পুলিশ যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়া থেকে আটক করে। তবে পুলিশ এখনো হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি।
