শিগগিরই কিতাব বিভাগের কার্যক্রম চালু ও পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ করে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন জানিয়েছে কওমি মাদ্রাসাগুলো। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের কাছে আবেদনপত্রটি পৌঁছায় জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একটি প্রতিনিধিদল।
আবেদনপত্র হস্তান্তর ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহসভাপতি মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘কভিড-১৯-এর কারণে কওমি মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। মাদ্রাসা খোলার ব্যাপারে জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা বোর্ডের পক্ষ থেকে আমরা গত ২ জুলাই আবেদন করেছিলাম। ওই আবেদনের মধ্যে কিতাব বিভাগ চালু করারও অনুমতি চাওয়া হয়েছিল। এটা যেহেতু তখন হয়নি। এ জন্য আমরা আবার যোগাযোগ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটা আবেদন পাঠালাম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আবেদন গ্রহণ করলেন। দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আমাদের মেসেজ দেওয়ার চেষ্টা করবেন। আমরা আবেদনে লিখেছি, কওমি মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং আমাদের যে পরীক্ষাগুলো আয়োজন করতে পারিনি, সেগুলো যাতে আমরা স্বল্প সময়ের মধ্যে আয়োজন করতে পারি, এ জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার জন্য।’
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দেশে সব স্তরের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ আছে। সেখানে আপনারা কীভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালাবেন, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোর্ডের সহসভাপতি বলেন, কওমি মাদ্রাসায় স্বাস্থ্যবিধি মানাটা যত সহজ, অন্য কোথাও এত সহজ নয়। কারণ আমাদের ৯৯ শতাংশ শিক্ষার্থীই আবাসিক। আরেকটা জিনিস হলো আমাদের শিক্ষার্থীরা অজুর সঙ্গে থাকে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারে হাত ধোয়ার বিষয়গুলো যতটা কওমি মাদ্রাসায় অনুসরণ করা হয়, এটা আর কোনো জায়গায় এ রকমভাবে হয় না।
এ সময় জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহসভাপতি মুশতাক আহমদ, মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলী উপস্থিত ছিলেন।
