ব্যান্ড ‘মেঘদল’ ছাড়লেন দলটির সদস্য রাশিদ শরীফ শোয়েব। তিনি জানান, তিন মাস আগেই দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।
দল ছাড়ার বিষয়টি তুলে দরে শোয়েব বলেন, ‘তিন মাস আগে মেঘদল ছেড়ে দিয়েছি। যে ভালোবাসার কারণে দীর্ঘ ১৮ বছর মেঘদল করেছি, গত বেশ কিছুদিন যাবৎ বিভিন্ন কারণে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। সে কারণেই সরে আসা।’
মেঘদল ছাড়ার তিন মাস পরে এসে কেন এমন ঘোষণা দিলেন শোয়েব। সে বিষয়টি খোলাসা করে তিনি বলেন, ‘ভেবেছিলাম ভবিষ্যতে মেঘদলের কর্মকাণ্ডে আমার অনুপস্থিতি দেখলে সবাই ব্যাপারটা এমনিতেই জেনে যাবে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে সেটা শুধু দীর্ঘায়িতই হচ্ছে। কিন্তু ‘মেঘদল’ নিয়ে প্রতিদিনই আমাকে মেঘদলের একজন সদস্য হিসেবে কারো না কারও ভালোবাসা, আবেগ, অনুযোগ ইত্যাদি ফেইস করতে হচ্ছে যা আমার জন্য ভীষণ মর্ম পীড়া এবং চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আমার ব্যক্তিগত জীবনেও ব্যাপারটা খুব বাজে ভাবে ছাপ ফেলছে। মেঘদল থেকেও যেহেতু গত তিন মাসে কোনো ঘোষণা আসেনি সেহেতু সবাইকে জানিয়ে দেয়ার দায়টা আমাকেই নিতে হলো।’
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যান্ড ছাড়াটা ইদানীং একটা ‘হটকেক’ বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেঘদলের ভক্তরা নিশ্চয় এমনটা করবেন না। আমি মেঘদলের ভক্তদের কে নিয়ে গর্ব করি, মেঘদলের প্রতি আপনাদের ভালোবাসাকে স্যালুট জানাই। মেঘদল ভক্ত হিসেবে আজ থেকে আমিও আপনাদের দলে। মেঘদল সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনেক শুভকামনা, এতগুলো বছরের অসংখ্য স্মৃতি সারা জীবন আগলে রাখবো। প্রিয় মেঘদল, খুব ভালো থেকো। তোমার থেকে ভালো কিছু এই অধমের জীবনে ঘটেনি, হয়তো ঘটবেওনা আর!’
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের যাত্রা শুরু করেছিল ব্যান্ড ‘মেঘদল’। এই দলের সর্বশেষ লাইনআপ যেমন ছিল: শিবু কুমার শীল : কথা, সুর, কণ্ঠ; মেজবাউর রহমান সুমন : কথা, সুর, কণ্ঠ; রাশিদ শরীফ শোয়েব : কণ্ঠ, সুর, গিটার; আমজাদ হোসেন : ড্রামস; এম জি কিবরিয়া : বেইস; তানভির দাউদ রনি : কিবোর্ড; সৌরভ সরকার : বাঁশি, ক্ল্যারিনেট, স্যাক্সোফোন।
