বেচারা আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী। অন্যদের সঙ্গে তিনিও ছিলেন আইসোলেশনে। মোট ১১ জন। গতকাল দুপুরে অন্যরা যখন মিরপুরের অ্যাকাডেমি ভবন থেকে কফিন টেনে শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ‘বায়ো-বাবল’-এ ঢুকছেন তখন তিনি একা। কারণ, কভিড-১৯ টেস্টে পজিটিভ হয়েছেন এই ফাস্ট বোলার। টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান আগের রাত থেকে উড়ছিলেন। কারণ, পজিটিভ থেকে নেগেটিভ হয়ে গেছেন। গতকাল মিরপুরে আগে থেকে জৈব সুরক্ষার মধ্যে অনুশীলনে থাকা ১৬ জনের সঙ্গে আরও ৭ জন যোগ দিলেন। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ঢুকে পড়লেন এখনও ‘অনিশ্চিত’ থাকা আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতিতে। অ্যাকাডেমি ভবনে রাহী তখন ভীষণ একা। আইসোলেশনে।
আরও একজনের অবশ্য আইসোলেশন শেষ হয়নি। তিনি পেসার ইবাদত হোসেন। রাহীর মতো তিনিও সিলেটি। তারা একে অন্যের সংস্পর্শে এসেছেন বেশি। ইবাদত তাই গতকাল বিকেলে অ্যাকাডেমি মাঠেই একা প্র্যাকটিস সেরেছেন। সাইফ হাসান এখনো যোগ দেননি অনুশীলনে। আর পেসার শফিউল ইসলাম পারিবারিক কারণে এখনো দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেননি।
২২ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পে ডাক পাওয়া ২৭ জনের সঙ্গে সব কোচিং স্টাফেরও কভিড-১৯ টেস্ট হয়েছে। সবাই উতরে গেছেন পরীক্ষায়। পরের টেস্ট ২৫ সেপ্টেম্বর। তবে রাহীর দুশ্চিন্তার কিছু নেই। সময়ের আগে সেরে ওঠার সুযোগ তার থাকছে। কারণ, শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে কোয়ারেন্টাইন শিথিল সম্পর্কিত গাইডলাইন এখনো মেলেনি। ২৭ তারিখে দেশটিতে বাংলাদেশ দলের উড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সেটা পিছিয়ে যাচ্ছে। অবশ্য তা নির্ভর করবে সফরটি হলে।
আইসোলেশন থেকে মুক্তি পেয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া খেলোয়াড়রা হলেনÑ মোহাম্মদ মিঠুন, নাঈম হাসান, খালেদ আহমেদ, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোসাদ্দেক হোসেন, হাসান মাহমুদ ও সাইফ উদ্দিন।
