বিশ্বের ৬০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে আরএফএল হাউজওয়্যারের পণ্য। আমেরিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যসহ উন্নত দেশের চেইনশপগুলোয় প্রতিষ্ঠানটির পণ্য যাচ্ছে নিয়মিতভাবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনলাইন রিটেইলার অ্যামাজনেও পণ্য দিয়েছে দেশি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে প্লাস্টিকের উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে বিশ্বের ১০টি বড় কোম্পানির একটি আরএফএল। সবার সহযোগিতায় আরএফএল আগামীতে বিশ্বের এক নম্বর প্লাস্টিক প্রতিষ্ঠান হতে চায়।
গতকাল রাজধানীর বাড্ডায় একটি হোটেলে আরএফএল হাউজওয়্যারের ১৮ বছর পূর্তিতে ‘দেড় যুগের বিশ্বাস’ নামে এক ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক তৌকিরুল ইসলাম। এ সময় ১৮ বছর পূর্তিতে ক্রেতাদের জন্য আকর্ষণীয় ১৮টি নতুন পণ্যের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।
তৌকিরুল ইসলাম বলেন, ২০০৩ সালের আগে দেশে ভালোমানের প্লাস্টিক পণ্যের চাহিদার পুরোটাই পূরণ হতো আমদানি থেকে। থাইল্যান্ড ও চায়না এবং ভারত থেকেও কিছু পণ্য আসত। এসব পণ্য বেশি দামে বিক্রি হতো। উচ্চবিত্ত বা উচ্চমধ্যবিত্তরা এই পণ্যগুলো ব্যবহার করতেন। আমরা তখন চিন্তা করলাম, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে কীভাবে ভালো পণ্য সাধ্যের মধ্যে দেওয়া যায়। এর ধারাবাহিকতায় আমরা আরএফএল প্লাস্টিকের পণ্য বাজারে নিয়ে আসি। শুরুতে ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলাম। ডিলারদের কাছে ট্রাকে করে পণ্য দিয়ে এলে মুহূর্তের মধ্যেই তা বিপণন হয়ে যেত। ওই ধারাবাহিকতায় আমরা ৩৪ ক্যাটাগরিতে ১ হাজার ৬০০ পণ্য বাজারে এনেছি।
তিনি আরও বলেন, করোনাকালেও আমাদের ব্যবসা ভালো হচ্ছে। আগের চেয়ে ভালো ব্যবসা এখন করছি। করোনার সময় মানুষের চাহিদা ছিল, আমরাও বাজারে ছিলাম। আগামী দিনগুলোয় আমাদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখে ভালোমানের পণ্য আপনাদের ক্রমাগত দিয়ে যাব।
