সুবিধামতো পেঁয়াজ রপ্তানি করে ভারত : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৩ জানুয়ারি ২০২১, ১১:৪৬ পিএম

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ভারত তাদের সুবিধা মতো পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি করে এবং রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। পেঁয়াজ আমদানি নির্ভর না থেকে দেশের মানুষের চাহিদা পূরণের জন্য সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। উন্নতমানের বীজ ব্যবহার করে এবং উৎপাদনকারীদের উৎসাহ দিয়ে দ্রুত পেঁয়াজের উৎপাদন বাড়ানো এবং চার থেকে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ হিমাগারে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।’

গতকাল রবিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের ভোক্তা এবং উৎপাদনকারীদের স্বার্থরক্ষা করেই পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। আগে এলসি করা পেঁয়াজগুলো এখন দেশে প্রবেশ করছে। এগুলোর বর্তমান আমদানি মূল্য প্রতি কেজি প্রায় ৩৯ টাকা। নতুন আমদানির বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত হবে। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ পুরোদমে বাজারে আসবে আগামী মার্চে।

এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে সুযোগ নিতে দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পেঁয়াজ আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না। বর্তমানে দেশে ৮ থেকে ৯ লাখ  টন পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে। সরকার পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বনির্ভরতার জন্য ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ছে। আশা করা যায় আগামী তিন বছরের মধ্যে পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। পেঁয়াজের বিষয়ে সরকার সচেতন রয়েছে।

আলুর বাজার দর কমেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আলুর দর নেমে এসেছে। বাজারে আলুর দাম বেড়ে যাওয়ায় টিসিবি সাশ্রয়মূল্যে বাজারে আলু বিক্রি করেছে। আলুর মূল্য এখন স্বাভাবিক। ভোজ্যতেলের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে। এটি একটি আমদানিনির্ভর পণ্য। সে কারণেই বাংলাদেশে এর সাময়িক প্রভাব পড়েছে। তবে, অসৎ উপায়ে যাতে পণ্যের মূল্য কেউ বাড়াতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে। এই মুহূর্তে চালের মজুদ কিছুটা কম রয়েছে। সেই জন্য সরকার চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে আমদানি শুরুও হয়েছে। প্রয়োজনীয় মজুদ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় চাল আমদানি করবে সরকার। প্রয়োজনে বেসরকারি পর্যায়েও আমদানির সুযোগ দেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত