চায়ের বিবর্তন : চা পাতা থেকে প্রজাপতি পাতা

আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:৩০ পিএম

কেবল প্রচলিত চা পাতা নয়, যেকোনো কিছুর নির্যাস থেকেই হতে পারে চা। তুলসী চা, জেসমিন চা, মসলা চা কিংবা অপরাজিতা চায়ের কথা আমরা অনেক শুনেছি। এবার প্রজাপতি গাছের চা নিয়ে লিখেছেন মুমিতুল মিম্মা 

জনপ্রিয়তম পানীয়

বিশ্বজুড়ে পানির পরে সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হিসেবে চায়ের অবস্থান। চা গাছের পাতা (Camellia sinensis) থেকে তৈরি হয় এই পানীয়। ক্রান্তীয় অঞ্চল ও এর আশপাশে চা গাছ সবচেয়ে বেশি বাড়লেও এর উৎপত্তি এশিয়া ও আফ্রিকায়। খ্রিস্টপূর্ব ১০ শতকের শুরুতে চীনে সর্বপ্রথম এই পানীয়র প্রচলন ঘটে। এরপরে এটি কোরিয়া ও জাপানে ছড়িয়ে পড়ে। ট্যাঙ ডাইনেস্টির শাসনামলে এক জাপানি ধর্মযাজক চীনে পড়তে গেলে এই পানীয়ের সঙ্গে পরিচিত হন। তার মাধ্যমে জাপানে এই চায়ের প্রচলন ঘটে। ধর্মযাজকরা ঔষধি গুণের জন্য এই পানীয় পান করতেন। চায়ে উপস্থিত ক্যাফেইন জেগে থাকতে সাহায্য করে বলে জাপানে জেন সাধুদের মধ্যে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে চা। ধ্যানে বসতে গেলেও চা পান সাহায্য করে বলে ধারণা ছিল তাদের। পরে জাপানে বুদ্ধদের মাঝে আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে যোগ আছে এই ধারণা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে চা পরিণত হয় আধ্যাত্মিক পানীয় হিসেবে। জাপানের সম্রাটরা চা পানকে জনপ্রিয় করে তোলেন। চীন থেকে বীজ আমদানির মাধ্যমে কীভাবে চা আরও সহজলভ্য করে তোলা যায় সে ব্যাপারেও তারা অবদান রাখেন।

পশ্চিমে চা রপ্তানির পরপরই বিশ্বজুড়ে পানীয় হিসেবে চা ছড়িয়ে পড়ে। প্রচলিত আছে, রাজা দ্বিতীয় চার্লসের পর্তুগিজ রানী ব্রাগাঞ্জার ক্যাথরিন ইউরোপে চা পানের প্রচলন করেন। কিন্তু উনিশ শতক পর্যন্ত সব শ্রেণির লোকেদের জন্য চা সহজলভ্য হয়ে ওঠেনি। যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ সংস্কৃতির অংশ হিসেবে একে  জাতীয় পানীয়ের সম্মান দেওয়া হয়।

হরেক রকম চা

চা-গাছ থেকে চায়ের নির্যাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার অনেক আগে থেকেই মানুষ তৃণ বা গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের নির্যাস ঔষধি পানীয় হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে। যাকে ভেষজ চা বলা হয়। খ্রিস্টপূর্ব ২৭০০ অব্দে চীন সম্রাট শেনং একদিন এক গাছতলায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। সামনে রাখা গরম পানির পাত্রে কিছু পাতা এসে পড়ে। পাতার নির্যাস গরম পানিতে মিশে সুগন্ধ ছড়াতে শুরু করে। সেই সুগন্ধ সম্রাটের নাকে এসে পৌঁছলে তার আগ্রহ বেড়ে যায়। সেই নির্যাস সমৃদ্ধ পানি এক চুমুক পান করেন তিনি। বিশেষ স্বাদ লাগায় আরও খানিকটা পান করে ফেলেন সেই গরম পানি। এখান থেকেই শুরু হয় পানীয় হিসেবে বৈচিত্র্যময় ভেষজ নির্যাসের স্বাদে ও গন্ধে ভেষজ চায়ের প্রচলন।

সম্রাট শেনং তার শাসনকালে সবার ভালোর জন্য খাদ্যের গুণাগুণ অনুযায়ী খাবার খাওয়ার প্রচলন করেন। বিশেষজ্ঞদের নিয়ে ৩৬৫ রকমের ভিন্ন ভিন্ন ঔষধি গাছ ও গুল্ম খুঁজে বের করেন তিনি। শুধু তাই-ই নয়, প্রত্যেক ঔষধি গাছের নির্যাস স্বাদের দিক থেকে কেমন তা নিয়েও তিনি কাজ করেছেন। শেনং ভেষজ গাছপালা নিয়ে তার এই কাজের জন্য চীনের ভেষজ ওষুধের ঈশ্বর হিসেবে খ্যাত।

সাধারণত ভেষজ বা হার্বাল চা তৈরি করা হয় বীজ গাছের ছাল, শেকড়, পাতা বা ফুল থেকে। চীনের সবচেয়ে জনপ্রিয় চায়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে – ডিটক্স গোয়াভা চা, চেরি গ্রেইন চা, ন্যাচারাল রিলাক্সিং চা, জাওগুনা চা। টুও চা বানানো হয় পাহাড়ি আর্দ্রস্থানে জন্মানো টুও গাছ থেকে। চীনে প্রচুর পরিমাণে এই গাছ জন্মে থাকে। উল্লেখযোগ্য কোলেস্টেরিওল কমাতে এই চায়ের বিশেষ ভেষজ গুণ সর্বজনবিদিত। পেয়ারা পাতা পেট পরিষ্কারক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত বলে চীনে পেয়ারা পাতার চা-ও খুব জনপ্রিয়।

খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে গ্রিক চিকিৎসক তার বই ‘ডি মাটেরিয়ামেডিকা’তে প্রায় ৬০০ গুল্মের ব্যবহার ও গুণাগুণ ব্যাখ্যা করেছেন। সেখানে ঔষধি গাছের নির্যাস সমৃদ্ধ পানীয়ের উল্লেখ আছে। মজার বিষয় হলো সেখানে উল্লেখ আছে অক্সালিস চায়েরও।

বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় হার্বাল চা ক্যামোমাইল। পশ্চিমা দেশগুলোতে ক্যামোমাইল গাছের পাতা ও ফুল থেকে এই চা বানানো হয়। আদা চা যেমন গাছের রূপান্তরিত কা- থেকে বানানো হয়। রোজমেরি গাছের পাতা থেকে বানানো হয় রোজমেরি চা। ড্যান্ডেলিয়ন গাছের শেকড় থেকে বানানো হয় ড্যান্ডেলিয়ন চা। ডামিয়ানা গাছের পাতা ও ফুল থেকে বানানো হয় ডামিয়ানা চা।

চায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ক্যাফেইন। যা মানুষকে জেগে থাকতে সাহায্য করে। মূলত মস্তিষ্কের স্নায়ু ক্লান্ত হয়ে গেলে তাকে চাগিয়ে তোলে ক্যাফেইন। ফলে প্রচুর পরিমাণে চা পান মানুষের স্নায়ুকে দুর্বল করে দেয়। হার্বাল চা এই পাশর্^প্রতিক্রিয়া থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। ফলে বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য সচেতন লোকের মাঝে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হার্বাল চা। এছাড়াও নানা রকম ঔষধি গুণের জন্য হার্বাল চায়ের ব্যবহার বাড়ছে। সবসময়েই জাপান ও চীনের খাদ্যাভ্যাসে গুরুত্ব পেয়ে এসেছে খাদ্যের মাধ্যমে শরীরকে সুস্থ রাখার বিষয়টি। ফলে তাদের খাবারে ঔষধি গুণসম্পন্ন সমস্ত কিছু মূল খাদ্যতালিকায় যুক্ত হয়েছে। যার কারণে হার্বাল চা এই অঞ্চলে এত জনপ্রিয়। এছাড়াও শ্রীলঙ্কা, গ্রিস ও মিসরে খাদ্যতালিকায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে এসেছে হার্বাল চা। 

ভেষজ চা

চায়ের একঘেয়ে স্বাদকে বদলে দিয়েছে ভেষজ চা বা হার্বাল টি। বৈচিত্র্যময় গন্ধ ও স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে চায়ের বিপরীতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভেষজ চা। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে চা পানের পরিবর্তে ভেষজ চা তার প্রাকৃতিক গুণাবলির জন্য জনপ্রিয়। প্রচলিত চায়ের ট্যানিন মানুষের শরীরে আয়রন শুষে নেওয়ার হার কমায়। এতে রক্তে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলাফল হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা দেখা দেয়। বিশ্বজুড়ে আয়রনের ঘাটতির রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। চায়ে উপস্থিত ক্যাফেইন মানুষের উদ্বিগ্নতা, মানসিক চাপকে বাড়িয়ে দেয়। এমনি চায়ের ক্যাফেইন বাড়াতে পারে স্নায়বিক দুর্বলতাও। ঘুমের ঘাটতি বা অনিদ্রাকে বাড়িয়ে তোলে ক্যাফেইন। মেলাটোনিন হরমোন মানুষের শরীরে সময়মতো ঘুমের সংকেত দেয়। কিন্তু চায়ের ক্যাফেইন মেলাটোনিনকে সংকেত পাঠাতে বাধা দেয়। ফলে মানুষের ঘুমের ঘাটতি দেখা যায়। এছাড়াও বমি বমি ভাব বৃদ্ধি, বুক ধড়ফড় করা বাড়িয়ে তুলতে পারে চায়ে উপস্থিত ক্যাফেইন। 

এই সমস্ত ঝামেলা থেকে যে কেউ মুক্ত হতে পারেন হার্বাল চা পানের মাধ্যমে। স্নায়ুকে শীতল করার সঙ্গে সঙ্গে এই চা মানুষের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তাকে স্বাস্থ্যবান করে তুলবে। 

গাছের নাম প্রজাপতি

তিন বা চার পাতার ছোট গাছ অক্সালিস। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে পুরো গাছজুড়ে রাশি রাশি প্রজাপতি বসে আছে। প্রজাপতির ডানার মতো দেখতে হয় এই গাছের পাতা। পাতার এই দারুণ আকারের জন্যই এই গাছের আরেক নাম বাটারফ্লাই বা প্রজাপতি। মূলত দক্ষিণ আমেরিকায় এর উৎপত্তি হলেও বিশ্বজুড়ে ৮৫০ প্রজাতির অক্সালিসের দেখা মেলে। গাছটির নামের উৎপত্তি গ্রিক শব্দ অক্সালিস থেকে। অক্সালিস এসিডের আধিক্যের কারণে পাতার টক স্বাদ পাওয়া যায়। সে জন্য অক্সালিস এসিডের নামে এর নামকরণ করা হয়। কিছু কিছু জাত আবার পাতা থেকে শুরু করে কন্দ পর্যন্ত সবটাই খাওয়া সম্ভব। সালাদে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এই গাছের পাতা ব্যবহার করা হয়। টক স্বাদের পাতার জন্য স্যুপে বা অন্যান্য রান্নায় এর রয়েছে বহুল ব্যবহার। মাছ বা মাংসের সঙ্গে এই পাতা বা কন্দ খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। লেবু ছাড়া শরবত বানাতে অনেক সময়েই এর পাতা ও কন্দ মিশিয়ে দেওয়া হয়। হলুদ এই প্রজাপতি গাছকে তার স্বাদের ভিত্তিতে সাওয়ারগ্রাস বা টকগুল্ম হিসেবেও চেনে অনেকে। টক স্বাদের পাতা ফুল ও হালকা মিষ্টি হয়ে থাকে এর কন্দের স্বাদ।

সাধারণত সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবে শৌখিন মানুষের বাগানে এটি দেখা যায়। ছোট্ট গোলাকার কন্দ থেকে সরাসরি পাতা বের হয়। এসব শুনে যে কারও মনে হতে পারে, কা- নেই, শেকড় নেই এ আবার কেমন গাছ। গাছটির মূল বৈচিত্র্য তার পাতা। পাতার রং হলুদ, সবুজ, কমলা, মেরুন, গোলাপি, এমনকি দুই তিন রঙের মিশ্রণসহ অনেক কিছুই হতে পারে। আর রঙ শুনেই বোঝা যাচ্ছে গাছভর্তি এতরঙা প্রজাপতি একসঙ্গে দেখলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। মজার ব্যাপার হলো সকালে সূর্যরশ্মি এর পাতার ওপরে পড়ার পর আস্তে আস্তে সে প্রজাপতির ডানাসদৃশ পাতাগুলো মেলে দেয়। আবার সূর্যাস্তের সময় ধীরে ধীরে সে পাতা আবার গুটিয়ে যায়। পাতা মেলে দেওয়া এবং পাতা গুটিয়ে ফেলার দৃশ্যকে স্বর্গীয় বলা হলেও ভুল কিছু বলা হবে না।

শীত শুরু হলেই গাছটি তার সমস্ত পাতা-ফুল ঝরিয়ে চলে যায় শীতঘুমে। ডিজনির সিøপিং বিউটি যেমন অপেক্ষায় থাকে কোনো এক রাজপুত্র এসে তার ঘুম ভাঙাবে, তেমনি অক্সালিস অপেক্ষায় থাকে বসন্তের জন্য। সে সময় মাটির নিচে কন্দ থাকে গভীর ঘুমে। তখন তার কোনো বৃদ্ধি হয় না। বেঁচে থাকার কোনো বাহ্যিক লক্ষণও দেখা যায় না। শীতের শেষ হতেই সে নতুন কুঁড়ি  নিয়ে হালকা বাতাসে দুলকি চালে আয়েশ করে রাশি রাশি পাতা নিয়ে হাজির হয়। গ্রীষ্মে ফের দেখা যায় গাছ ভর্তি সেই রাশি রাশি প্রজাপতির বাহার। এর পাঁচ পাপড়ি ফুলে মেখে থাকা স্নিগ্ধতা আবেশ ছড়ায়।

প্রজাপতি চা

নাম শুনেই আঁতকে উঠতে পারেন কেউ কেউ। মন ভালো করা অত সুন্দর একটা গাছ খাওয়া যায় বলেই খেয়ে ফেলতে হবে কি না সে প্রশ্নও মনে আসতে পারে কারও কারও। চেক প্রজাতন্ত্রের পিটার জেলিক ‘অক্সালিস’ নামের একটি চা কোম্পানিই বানিয়ে ফেলেছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো তার কোম্পানির নাম অক্সালিস হলেও তিনি অক্সালিস চা বাজারজাত করেন না। সব ধরনের প্রজাপতি গাছ থেকেই চা তৈরি করা যায় না। হলদে ফুলের বিশেষ প্রজাতির অক্সালিস (বৈজ্ঞানিক নাম Oxalis stricta) যা শাক হিসেবে হরহামেশাই আমাদের দেশে খাওয়া হয়ে থাকে সেটা দিয়ে তৈরি হয় প্রজাপতি চা। এই প্রজাতিটি সাধারণত লতানো হয়ে থাকে। গাছ থেকে ছিঁড়ে আনা পাতার সেই নির্যাস থেকে তৈরি হয় প্রজাপতি চা। গরম পানির সঙ্গে এক চা চামচ অক্সালিসের পাতা ফুল ও বীজসহ ফুটিয়ে তৈরি করা হয় প্রজাপতি চা। দশ থেকে পনের মিনিট এর পাতা ও ফুল ফুটিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে তৈরি হয় দারুণ এই প্রজাপতি চা।  

গুণাগুণ

ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ এই গাছের রয়েছে বহু ঔষধি গুণাগুণ। পটাশিয়াম অক্সালেট ও অক্সালিক এসিড সমৃদ্ধ এই গাছের চা কিডনি রোগ বা গেঁটে বাতে ভোগা রোগীদের এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

ত্বক ও পেটের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এছাড়াও স্কার্ভি, জ্বর,  প্রসাবের সংক্রমণ এড়াতে এই চা উপকার এনে দেয়। রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে এই চা পানে উপকার মিলবে। উচ্চ রক্তচাপে ভোগা রোগীদের জন্য এই চা এনে দিতে পারে বিশেষ সুসংবাদ। রোজ এই চা পানে হৃদযন্ত্রের যে কোনো সমস্যা কমে আসতে থাকে। প্রজাপতি চায়ে ভিটামিন সি উপস্থিত থাকায় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এই চা। রক্তে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ বাড়ায় এই চা। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি রক্তে উপস্থিত থাকা ক্ষতিকর কণিকাগুলোর পরিমাণ কমিয়ে দেয়। যার কারণে বয়সজনিত সমস্যা যেমন আর্থ্রাইটিস, পারকিনসনের মতো রোগ থেকে দূরে থাকা যায়। উল্লেখ্য, ভাইরাস ও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণের হার কমিয়ে দেয় এই চা পান। কেবল তাইই নয় রক্তে উপস্থিত ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমিয়ে দেয় এই চা। যার মাধ্যমে এই চা হৃদরোগ ও মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণের মতো প্রাণঘাতী রোগ থেকে দূরে রাখে মানুষকে। এরই সাথে উল্লেখ্য প্রজাপতি গাছের পাতায় উপস্থিত কিউমারিন্স রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখে।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত