দেশে করোনাভাইরাসের টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন এমন অন্তঃসত্ত্বা নারী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের মোবাইল ফোনে খুদেবার্তা ছাড়াই টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ইতিমধ্যে এই নির্দেশনা সারা দেশের টিকা কেন্দ্রগুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লোয়মেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়েছে, কভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড ডেপ্লোয়মেন্ট কোর কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টিকার জন্য নিবন্ধিত বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক ও ১৮ বছর ঊর্ধ্ব শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খুদেবার্তা প্রদান করে দ্রুত টিকা দিতে হবে। এছাড়া নিবন্ধিত গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের নিবন্ধনকৃত নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে টিকা দিতে হবে। তবে গর্ভবতী নারীদের টিকা গ্রহণের আগে অবশ্যই গর্ভধারণের প্রমাণস্বরূপ এএনসি কার্ড অথবা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র দেখাতে হবে। তাদের জন্য নির্ধারিত সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর নিতে হবে।
ডা. শামসুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কভিড-১৯ (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) ভ্যাকসিন প্রদান শুরুর পর সরবরাহের স্বল্পতার জন্য নিবন্ধনকৃতদের একটি অংশ ১ম ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করে ২য় ডোজের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করছেন। বর্তমানে এই ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় ২য় ডোজের জন্য অপেক্ষমাণদের দ্রুত ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ইতিমধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১ম ডোজ টিকা গ্রহণকারীদের ভ্যাকসিন কার্ড প্রদর্শন করে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে যে কোনো কেন্দ্র থেকে ২য় ডোজ টিকা প্রদান করতে হবে। আর সিটি করপোরেশন এলাকায় যেকোনো টিকা কেন্দ্র থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া যাবে।
এতে বলা হয়, সরবরাহকৃত কভিড-১৯ (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) ভ্যাকসিন থেকে ২য় ডোজের পাশাপাশি ১ম ডোজের ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে এবং আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবশ্যই ১ম ডোজের (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) ভ্যাকসিন প্রদান করা শেষ করতে হবে।
