কার্টুনিস্ট কিশোরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ

আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২৭ এএম

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোরসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করা চার্জশিট গ্রহণ করেছে আদালত। একই সঙ্গে পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। গতকাল রবিবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার পলাতক আসামিদের পরোয়ানাসংক্রান্ত তামিলের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া চার আসামি হলেন সামিউল ইসলাম খান ওরফে সায়ের জুলকারনাইন ওরফে সামি, নেত্র নিউজ সম্পাদক তাসনিম খলিল, ব্লগার আশিক মোহাম্মদ ইমরান ও মো. ওয়াহিদুন্নবী।

মামলায় অন্য তিন আসামি কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার মো. দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন জামিনে ছিলেন। এদিন তারা ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে পূর্ব শর্তে জামিন আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে। তবে মামলার অন্যতম আসামি লেখক মুশতাক আহমেদ মারা যাওয়ায় চার্জশিট থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এজাহারভুক্ত আরও তিন আসামিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর নজরুল ইসলাম শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গত বছর ৫ মে র‌্যাব-৩-এর ওয়ারেন্ট অফিসার আবু বকর সিদ্দিক রমনা থানায় কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, লেখক মুশতাক আহম্মেদ, দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়া, মিনহাজ মান্নানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।

এ ঘটনায় আহমেদ কবির কিশোর, মুশতাক আহমেদসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিরা পলাতক ছিলেন। পরে এ ছয়জনের বিরুদ্ধে আই অ্যাম বাংলাদেশি (ইংরেজি হরফে লেখা) নামের একটি ফেইসবুক পেজ থেকে ‘রাষ্ট্রবিরোধী পোস্ট, মহামারী করোনা, সরকারদলীয় বিভিন্ন নেতার কার্টুন দিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির’ অভিযোগ মামলা হয়।

গত সেপ্টেম্বরে এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া মিনহাজ মান্নান ও দিদারুল ভূঁইয়া জামিনে মুক্তি পান। তবে কাশিমপুর হাই-সিকিউরিটি কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় লেখক মুশতাক মারা যান। এ ঘটনায় সারা দেশে তুমুল বিক্ষোভ হয়। গত ১০ মে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের উপপুলিশ পরিদর্শক মো. আফছর আহমেদ সাত আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত