আধিপত্য নিয়ে দ্বন্দ্ব

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গুলিবিদ্ধ

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২২, ০১:৫৭ এএম

বগুড়া সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষে দুই নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। গত রবিবার রাত ৮টার দিকে শহরের মালগ্রাম ডাবতলা মোড়ে এ সংঘর্ষ হয়। আহতরা হলেন বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান অরেঞ্জ (২৬) এবং ৮নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মিনহাজ শেখ আপেল (২৪)। অরেঞ্জকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মালগ্রাম এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কয়েক দিন ধরে স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুইপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে আসছে। গত শনিবার বিকেলে শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি রাসেল শেখকে প্রতিপক্ষের লোকজন অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া করে। মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যান তিনি। পরে পুলিশ তার মোটরসাইকেল হেফাজতে নেয়। এরই জেরে গত রবিবার সন্ধ্যার পর সহযোগীদের নিয়ে রাসেল ডাবতলা মোড়ে মহড়া দিতে থাকেন। রাত পৌনে ৮টার দিকে অরেঞ্জ ও আপেলসহ প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে এলে ধাওয়া করেন রাসেলরা। এ সময় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এতে অরেঞ্জ ও আপেল গুলিবিদ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আবদুল ওয়াদুদ জানান, অরেঞ্জের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে আইসিইউতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে এ সংঘর্ষ হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অরেঞ্জের স্ত্রী সোনালী বেগম আজ (গতকাল) বগুড়া সদর থানায় রাসেলসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্ত বলেন, ‘এখন রাসেলের সঙ্গে সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে গুলিবিদ্ধ দুজন সংগঠনের পদে রয়েছেন। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত