আগের সার্চ কমিটির কাজ নিয়েও আদালতে প্রশ্ন নয়

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২২, ০২:২২ এএম

সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের জন্য জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়েছে। এর আগে সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত দুই নির্বাচন কমিশনের বৈধতা দেওয়ার পাশাপাশি কমিটির কাজ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন তোলার সুযোগ বন্ধ করে বিলটি তোলা হয়েছে।

গতকাল রবিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংসদ অধিবেশনে ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল-২০২২’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি সাত দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

এ বিলটি উত্থাপনের সময় এ আইন করার উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত বিলটি আইনে পরিণত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদান স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হবে, গণতন্ত্র সুসংহত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে এবং জনস্বার্থ সমুন্নত হবে মর্মে আশা করা যায়।’

বিলটি ওঠানোর জন্য আইনমন্ত্রী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি চাইলে বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ খসড়া আইনটিকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করেন। যদিও হারুনের আপত্তি সংসদের ভোটে টেকেনি। হারুনের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অন্য কিছু না পেয়ে উনারা এইটা নাই, ওইটা নাই বলে নাচ-গান শুরু করেছেন।’

২০১২ ও ২০১৭ সালে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতি ইসি নিয়োগ করেছিলেন, সে প্রক্রিয়াই আইনের অধীনে আনা হচ্ছে এই বিলের মাধ্যমে। প্রস্তাবিত এ আইনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে যোগ্যতা-অযোগ্যতাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে বিলটিকে অপূর্ণ ও সার্চ কমিটির বৈধতা দেওয়ার বিল বলে সংসদে আপত্তি জানিয়েছে বিএনপিদলীয় সাংসদরা। দলটির সাংসদ হারুনুর রশীদ বলেন, ‘যে বিলটি আইনমন্ত্রী এনেছেন, সেটি জনগণের প্রত্যাশা, রাজনৈতিক দলগুলোর এবং সুশীল সমাজের যে প্রত্যাশাতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য একটি আইন প্রণয়নের আহ্বান জানিয়ে আসছিলাম। আজকে আইনমন্ত্রী যে বিলটি উত্থাপন করেছেন, ইতিমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ গণমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছে। বিএনপির পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলা হয়েছে, যাহা লাউ তাহাই কদু।’

বিএনপির এই সাংসদ আরও বলেন, ‘অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে বলতে চাই, সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে বিগত দুটি নির্বাচন কমিশন, রকিব ও হুদা কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে।’ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও নির্বাচন কমিশন সংস্কারের দাবিতে ১৯৯৫-৯৬ সালে আওয়ামী লীগের আন্দোলনের কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

হারুন বলেন, ‘সার্চ কমিটির মধ্য দিয়ে বর্তমান যে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে তার মেয়াদ শেষ হবে। উনাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস ও দুর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে তার জন্য উনাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা খুবই জরুরি।’

বিএনপির এই সাংসদ বলেন, ‘আজকে যে আইনটি তোলা হয়েছে, তাতে ধরে নিতে পারি ইতিপূর্বে সার্চ কমিটির মাধ্যমে গঠিত দুটি কমিশনকে বৈধতা দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে। এখানে নতুনত্ব কিছু নেই। ইতিপূর্বে যে কমিশন গঠিত হয়েছে তার অনুরূপ বিল এখানে তোলা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই আইনটি প্রশ্নবিদ্ধ। এই আইন দিয়ে বর্তমান সংকটের নিরসন হবে না। সংকট থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারব না। আমি দাবি করব, আইনটি প্রত্যাহার করুন।’

‘আইনমন্ত্রী কিছুদিন আগে বলেছিলেন এরকম একটি আইন প্রণয়নের জন্য রাজনৈতিক দল ও সুধী সমাজের সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। তাহলে এখন তিনি কীভাবে বিলটি সংসদে তুললেন’সেই প্রশ্নও রাখেন হারুন।

বক্তব্য দেওয়ার সময় সংসদে উত্থাপিত বিল এবং সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ থেকে পড়ে শোনান এই সংসদ সদস্য। হারুনের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও খসড়া আইনের বিভিন্ন ধারা পড়ে ব্যাখ্যা করেন। আইনমন্ত্রী কথা বলার সময় তার সামনের আসন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনিসুল হককে বিভিন্ন বিষয় মনে করিয়ে দেন।

আনিসুল হক বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, উনাদের (বিএনপি) ইতিহাস বলতে হয়। নিজেরা নিজেরা নির্বাচনে জয়লাভের জন্য যতরকম কারসাজিবিচারপতি আজিজ সাহেবকে দিয়ে কমিশন গঠন, ১ কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার তৈরি, একজন ব্যক্তিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করার জন্য বিচারকদের বয়স ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ করেছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘উনারা কার সঙ্গে আলোচনা করে করেছিলেন? উনারা এখানে বসে নিজেরা নিজেরা করে ফেলেছিলেন। উনারা কারও সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজন মনে করেননি। কারচুপি করে ক্ষমতায় আসার জন্য উনারা নিরবচ্ছিন্ন ইলেকশন করতে চেয়েছিলেন। মানে কারচুপি করে ক্ষমতায় আসার জন্য।’

২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারির ভোটের তফসিলের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘উনারা ২২ জানুয়ারি নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। জনগণ তা প্রত্যাখ্যান করেছে।’

আনিসুল হক বলেন, ‘সংবিধানে বলা আছে, নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন করতে হবে। আমরা সেই আইন করেছি। উনারা বুঝে বলুক না বুঝে বলুক, বলছেন এটা সার্চ কমিটির আইন। উনারা বলছেন আইনটা আমরা ঠিক করিনি। উনাদের সঙ্গে আলোচনা করিনি।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এনজিও আমার কাছে একটি ড্রাফট দিয়েছিল। তখন আমি বলেছিলাম, কভিড সিচুয়েশনের জন্য এই সংসদে পাস করা করা সম্ভব হবে না, অন্য কিছু না, কভিড সিচুয়েশনের জন্য। প্রধানমন্ত্রী ২০১৭ সালেই বলেছিলেন এই আইন করা প্রয়োজন। উনারা বলেছিলেন অর্ডিন্যান্স করে আইন করে দিতে হবে। আমি বলেছিলাম এই আইন সংসদে না এনে করা ঠিক হবে না। সকলের সঙ্গে আলোচনা করে তারপরে সংসদে করা উচিত।’

সার্চ কমিটি গঠনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের উদ্যোগের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘তখন একটা কনসেনশাস হয়েছিল। তখন গেজেট হলো। নির্বাচন কমিশন গঠন হলো। পরেরবার আবার একইভাবে হলো। এটা আইন ছিল না, কিন্তু এটা ছিল ফোর্স অব ল। কারণ এটি রাষ্ট্রপ্রধান করেছিলেন। রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ে বড় কেউ না। তখন বিএনপির আপত্তি ছিল না।’

খসড়া আইন থেকে সার্চ কমিটির বিধান তুলে ধরে আনিসুল হক বলেন, ‘উইদাউট প্রেজুডিস বলছি, যদি কোনো নির্বাচন কমিশনার কোনো অন্যায় করে থাকে, তাহলে কি এই আইনের ৯ দফায় তাকে ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছে? রাষ্ট্রপতি যে দুবার সার্চ কমিটি করেছেন, সেটাও আইনসিদ্ধ ছিল। সেটাও আইনের আওতায় আনা হলো। এটা কনসেনশাসের ভিত্তিতে করা হয়েছিল। উনাদের কথা হচ্ছে, যা করেন করেন, তাল গাছ আমার।’

বিএনপির উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তাল গাছ উনাদের না। তাল গাছ জনগণের। উনারা না বুঝে বলছেন। আইনটা যখন করে ফেললাম, পালের হাওয়া চলে গেছে। সেজন্য এখন কী বলবেন। এইটা নাই, ওইটা আছে। ওইটা নাই, এসব নাচগান শুরু করে দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘উনারা চান উনাদের পকেটে যে নাম সেই নাম দিয়ে ইসি গঠন হবে। সেটা হবে না। এটা বাংলাদেশ। জনগণ ঠিক করবে। কোনো দল অগ্রাধিকার পাবে না।’

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের সময় বিরোধী দলের আসন থেকে হারুন কথা বলা শুরু করলে আনিসুল হক বলেন, ‘উনারা (বিএনপি) না শুনলে শিখবেন কীভাবে। বুঝবেন তো না, শিখবেন কী?’

সার্চ কমিটি গঠন খসড়া আইন থেকে তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘চারজন সাংবিধানিক পদের অধিকারী। রাষ্ট্রপতি ইচ্ছা করলেও চাকরিচ্যুত করতে পারবেন না। মহামান্য রাষ্ট্রপতি পছন্দ না করলেও ১০ জনের ভেতরে তাকে থাকতে হবে।’

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অনিয়মের বিচারের জন্য হারুনের দাবি প্রসঙ্গে আনিসুল হক বলেন, ‘আগে আজিজ কমিশনের বিচার করতে হবে। ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটারের বিচার করতে হবে। এত তাড়াতাড়ি তিনতলায় ওঠা যাবে না।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোথাও এরকম স্বচ্ছ ইসি গঠনের নিয়ম নেই। এ আইনের মধ্যে ইসি গঠন হলে বিএনপি ভোট চুরি করতে পারবে না। সেজন্য তাদের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।’

বিলে বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগদানের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্র্তৃক ইতিপূর্বে গঠিত অনুসন্ধান কমিটির ও তৎকর্র্তৃক সম্পাদিত কার্যাবলি এবং উক্ত অনুসন্ধান কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগ বৈধ ছিল বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আদালতে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।’

কী হবে সার্চ কমিটির কাজ : খসড়া আইনে সার্চ কমিটির (অনুসন্ধান কমিটি) কাজ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ কমিটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে। আইনে বেঁধে দেওয়া যোগ্যতা, অযোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও সুনাম বিবেচনা করে সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। এ অনুসন্ধান কমিটি সিইসি ও কমিশনারদের প্রতি পদের জন্য দুজন করে ব্যক্তির নাম সুপারিশ করবে। কমিটি গঠনের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশ রাষ্ট্রপতির কাছে দেওয়া হবে বলে খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে।

বিলে বলা আছে, সার্চ কমিটি সিইসি এবং নির্বাচন কমিশনার পদে যোগ্যদের অনুসন্ধানের জন্য রাজনৈতিক দল এবং পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে নাম আহ্বান করতে পারবে।

কারা থাকবেন সার্চ কমিটিতে : বিলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ছয় সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করবেন, যার সভাপতি হবেন প্রধান বিচারপতি মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রপতি মনোনীত দুজন বিশিষ্ট নাগরিক। তিনজন সদস্যের উপস্থিতিতে কমিটির সভার কোরাম হবে বলে প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। আর কমিটির কাজে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সিইসি ও কমিশনারদের যোগ্যতা : সিইসি ও নির্বাচন কমিশনার পদে কাউকে সুপারিশের ক্ষেত্রে তিনটি যোগ্যতা থাকতে হবে বলে বিলে বলা হয়েছে। তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে; ন্যূনতম ৫০ বছর বয়স হতে হবে; কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধাসরকারি বা বেসরকারি পদে তার অন্যূন ২০ বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সিইসি ও কমিশনারদের অযোগ্যতা : প্রস্তাবিত আইনে সিইসি ও কমিশনার পদের জন্য ছয়টি অযোগ্যতার কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আদালত অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা করলে; দেউলিয়া হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পেলে; কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব নিলে কিংবা বিদেশি রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করলে; নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে দোষীসাব্যস্ত হয়ে অন্যূন দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে; ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) অ্যাক্ট-১৯৭৩ বা বাংলাদেশ কোলাবরেটরস (স্পেশাল ট্রাইব্যুনালস) অর্ডার-১৯৭২-এর অধীনে কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে; আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করছে না, এমন পদ ব্যতীত প্রজাতন্ত্রের কর্মে লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকলে।

কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। এর আগেই নতুন কমিশন গঠন করতে হবে রাষ্ট্রপতিকে। এক্ষেত্রে আইনটি সংসদে তোলা থেকে পাস করে গেজেট প্রকাশের জন্য হাতে সময় রয়েছে চার সপ্তাহ। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত