শিশুতোষ বই নয় রোমাঞ্চকর হত্যার আখ্যান

আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২২, ১১:৪৪ পিএম

নরহত্যা থেকে শুরু করে যেকোনো প্রাণীকে হত্যা করা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। এটি জিনবাহিত মানব মস্তিষ্কের বৈশিষ্ট্য। মানব উদ্ভবের কাল থেকেই এর অভিযাত্রা। পৃথিবীতে আজও টিকে থাকা সভ্যতাবর্জিত কোনো কোনো আদিম অরণ্যবাসী নরগোষ্ঠীর মধ্যে এই প্রবণতার টিকে থাকার হৃৎকম্পন জাগানো সংবাদ পাওয়া যায় যে, প্রকৃতির কোনো কোনো মৌসুমে ওরা মানুষ শিকার বা নরমুন্ড ছেদনে বের হয়। তা ছাড়া আধুনিক ইতিহাস তো তৈরি হয়েছে রাজ্যজয় আর নরহত্যার বর্ণনা দিয়ে। চলমান সময়ে সারা বিশে^ যে নারীভ্রƒণ হত্যা আর অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো হয় তার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও বছরে কয়েক কোটি। নরহত্যার এই স্মৃতি তো মগজ থেকে মানুষ নিষ্ক্রমণ ঘটাতে পারেনি। মহাযুদ্ধ তো বটেই, আঞ্চলিক যুদ্ধগুলোর পরিণাম নরমেধযজ্ঞ। গণহত্যার ইতিহাস লিখে শেষ করতে পারবে কি মানুষ?

আধুনিক সময়ে দশকের পর দশক চলতে থাকা ভিয়েতনাম যুদ্ধে কতসংখ্যক মানুষ আমেরিকান সৈন্যদের হাতে নিহত হয়েছে তার হিসাব গোপন রাখা হয়েছে। আজও মানুষের চোখে জীবন্ত হয়ে আছে সেই নারকীয় দৃশ্য! আমেরিকান এক সৈনিকের কাঁধে রাইফেল। বেয়নেটে গাঁথা ভিয়েতকং গেরিলার কর্তিত মস্তক। একাত্তরের যুদ্ধে বাংলাদেশে কতসংখ্যক মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সৈন্যরা? কেবল জার্মানদের ইহুদি হত্যা নয়, দক্ষিণ আফ্রিকায় শ্বেতাঙ্গ শাসকদের হাতে কী পরিমাণ গণহত্যা (কৃষ্ণাঙ্গ) হয়েছিল তা কি ভুলে গেছে মানুষ? ইন্দোনেশিয়ার স্বৈরাচারী শাসক সুহার্তোর হাতে কত লাখ মানুষ নিহত হয়? জাকার্তার মতো শহরের কোনো কোনো অঞ্চল জনশূন্য হয়ে যায়। ভুললে কি চলবে যে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হওয়ার সময় বা তারপর ধর্মের নামে কী পরিমাণ নরহত্যা চলে?

তথাকথিত মানবসভ্যতার ইতিহাস তো মানুষেরই রক্তে রঞ্জিত কলঙ্কময় এক কালো ইতিহাস। এই ইতিহাসের শুরু অপরাপর প্রাণী হত্যার হাত ধরে। অরণ্যচারী যাযাবর মানুষ তার অস্তিত্বের কারণেই এমনটা করেছে বলে দাবি করে। কেননা তারা যাযাবর জীবন পরিত্যাগ করে কৃষিসভ্যতা ঘটিয়েছে তত দিনে। ‘প্রাণীদের মধ্যে আমরাই শ্রেষ্ঠ’, এমনি ধরনের অস্মিতা বা অহংকার তৈরি হয় তাদের ভেতর। প্রথম শুরু করে কৃষিভূমি উদ্ধারের নামে অরণ্য নিধন আর তৃণভূমি ধ্বংস। তারপর শুরু হয় অরণ্যচারী প্রাণীর গণনিধন। তৃণভোজী প্রাণী হত্যা। সবই চলে সভ্যতা বিকাশের নামে। এই যে গ্রামীণ সভ্যতাকে পদদলিত করে নগরসভ্যতার উদ্ভব, উন্নয়নের কী অহংকার! অথচ করোনাব্যাধি এসে সেই সভ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে। নগরসভ্যতার ঘনবসতি, সুউচ্চ দালানকোঠা, নীচতলার মানুষের মাথার ওপর ওপরতলার মানুষের বর্জ্যত্যাগের শৌচালয়ই তো আধুনিক সভ্যতা! করোনা এসে নগরসভ্যতার এই মহাভিড়ে গণমৃত্যুর স্তব্ধতা ছড়িয়ে দেয়। এই আধুনিক নগরের নিচে মাটির তলায় চাপাপড়া অরণ্য সভ্যতার ইতিহাস কি স্তব্ধ হয়ে আছে?

পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগাররা বন ছেড়ে আজকাল আকছার গ্রামে ঢুকে পড়ে। ঝাঁপিয়ে পড়ে মানুষ-গরু-ছাগলের ঘাড়ে। ক্ষুধা। বাঘের ক্ষুধা। মানুষের যেমনি খাদ্যের অধিকার আছে, বাঘেরও তাই। এ তাদের মৌলিক অধিকার। অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান। সুন্দরবন এলাকার মানুষ আর ক্ষমতাশালী কাঠ আর ভূমিদস্যুরা অরণ্যচারী প্রাণীদের অরণ্যের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। ক্রমেই বৃক্ষশূন্য হয়ে সুন্দরবন ক্ষুদ্রাকার হয়ে যাচ্ছে। চোরা শিকারিরা হরিণশূন্য করে দিচ্ছে অরণ্য। মধুসংগ্রহকারী মৌয়াল আর মাছ শিকারিরা বাঘের নিভৃতবাস দখল করে নির্জনতা ভেঙে দিয়েছে। তাই উদ্বাস্তু আর ক্ষুধার্ত বাঘ হানা দিচ্ছে গ্রামে। মানুষ আর বাঘের এই প্রতিদ্বন্দ্বী হিংস্রতা রক্তাক্ত করে দিচ্ছে সুন্দরবন। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, সুন্দরবনে পর্যটনশিল্প কেন? পুঁজি, মুনাফা আর মানুষের রোমাঞ্চকর বিনোদন ভ্রমণ, স্বচক্ষে বাঘ দেখা তো এক ধরনের হিংস্রতা, অরণ্যবাসীর প্রাইভেসি বিনষ্ট করা। রয়েল বেঙ্গল তো নররক্ত তৃষ্ণায় কাতর হবেই।

প্রাচীন রাজা-বাদশাহ-নবাবদের শিকার বা মৃগয়াযাত্রার আখ্যান শিশুমনে আজও রোমাঞ্চ সৃষ্টি করে। ইংরেজ বা ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক যুগে এই ভারতবর্ষে পর্যটকের ছদ্মবেশে ইংরেজ, ফরাসি আর পর্তুগিজ শিকারিরা নব্য আবিষ্কৃত বন্দুক নিয়ে জাহাজে উঠে বসত। ভারতবর্ষে এসে হিমালয় অঞ্চল থেকে শুরু করে পশ্চিম ভারতে সিংহের একমাত্র আবাসভূমি গুজরাটের গভীর অরণ্যে ঢুকে পড়ত শিকার করতে। শেষটায় ঔপনিবেশিক রাজধানী কলকাতার নিকটবর্তী সুন্দরবনে বাঘ শিকার করে অরণ্যচারী হত্যার তৃষ্ণা মেটাত। দেশে ফিরে তারা শিকারের রোমাঞ্চকর বই লিখে চালান করত বিশ^বাজারে। বাংলায়ও।

বাঙালি লেখকরাও পরবর্তীকালে তাদের অনুকরণে শিকারের আখ্যান লেখা শুরু করেন। ব্যতিক্রম কেবল ইশ^রচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সংস্কৃত ভাষা থেকে অনূদিত মহাকবি কালিদাসের ‘অভিজ্ঞান শকুন্তলম’ আখ্যান আর বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকু-লা’ আখ্যান। অথচ অরণ্য নিয়েই এদের পটভূমি। আশ্চর্য এটাই যে ঔপনিবেশিক প্রভুভক্ত অভিজাত বাঙালি এটা ভুলে গেছে যে ইংরেজ প্রভুর জাত ভাই এ দেশে এসে শিকারের নামে পশুহত্যার সঙ্গে সঙ্গে অরণ্যবাসী অর্থাৎ আদিবাসী মানুষও শিকার করেছে। সিপাহি বিপ্লবের পর এ দেশে কীভাবে রাতারাতি ইংরেজ আর ফরাসিদের বন্দুকের বিরাট বাজার তৈরি হয় সে কথা কে না জানে? একেই তো বলে হত্যা আর রক্তের বদলে আগ্নেয়াস্ত্রের বাজার তৈরি। ক্রেতা হলেন জমিদার বাবুরা। কলকাতার ইংরেজ ব্যবসায়ীদের নব্যধনী ফড়িয়া-দালাল বাবুরা। এদের পরিচয় পাওয়া যায় তৎকালের লেখকদের রচনায় এবং কবিয়ালদের করচায়। এদের খাদ্যরুচিও বড় হাস্যকর। ওরা কি না ‘মুসলমানের মুরগি’ খেত না, বিলেতি মদের সঙ্গে খেত কচি পাঁঠার মাংস। রান্নার রীতি ছিল নিরামিষ মাংস। অর্থাৎ ‘মুসলমানি পেঁয়াজ-রসুন’ ছাড়া আদা-জিরে-গরম মসলা মিশিয়ে। এটা ওরা অবশ্যই জানত পেঁয়াজ আর রসুন যে মুসলমানি নয়, ঔপনিবেশিক যুগ শুরুর বহু আগেই পর্তুগিজ বণিকরা ইউরোপ থেকে পেঁয়াজ-রসুন আমদানি করে বাঙালি হেঁশেলে ঢুকিয়ে দিয়েছে।

পশুর মাংস যে মানুষ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে কেবল তা নয়। তার প্রবৃত্তির হিংস্রতায় ওঠে এসেছে রক্ত আর মাংসের পতি পৈশাচিক আনন্দের বিভ্রম। খ্রিস্টের জন্মের বহু আগে রচিত প্রাচীন ভারতীয় মহাকাব্যে যুদ্ধ আর নরহত্যার বিবরণ আজও মানুষকে চমকে দেয়। ‘নরমেধযজ্ঞের’ আখ্যান কল্পিত নয়, ঐতিহাসিক সত্য। দেব-দেবীর সামনে নরবলি! ‘মেদিনী’ শব্দের অর্থ পৃথিবী। পৌরাণিক আখ্যানে আছে পৃথিবী বা মেদিনী তৈরি হয়েছে মধু ও কৈটভ নামের দুজন রাক্ষস বা অসুরের মেদ বা মাংসে। এমনটা ব্যাখ্যা করা চলে যে প্রাচীন সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিয়ে তথাকথিত সভ্য মানুষ আধুনিক বিশ্ব তৈরি করেছে। মোট কথা, আদিম কৌমসমাজ তথা আদিবাসীদের হত্যা আর রক্তমাংসের ওপরই তথাকথিত সভ্যতা নির্মাণ করা হয়েছে। আজও তা অব্যাহত। দরিদ্র দুর্বল সমাজ আর আফ্রিকাসহ সারা বিশ্বের কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি শে^তাঙ্গদের আচরণে এটা কি প্রমাণ করা চলে না যে সভ্যতার নামে, উন্নত সংস্কৃতির নামে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়, ইংল্যান্ডসহ শ্বেতাঙ্গ বিশ্বে অব্যাহত থাকবে কৃষ্ণাঙ্গ নরমেধযজ্ঞ? বর্তমান থেকে আগামী দিনেও?

দেব-দেবী-ঈশ^র-ভগবানের নামে পশুহত্যা বা পাখি নিধন (কবুতর) আধুনিক সভ্যতার চলিত রীতি। ওই যে শারদীয় দুর্গোৎসবের সময় দেবী দুর্গার মহিষমর্দিনী রূপ কল্পনা করে মূর্তি তৈরি করা হয়। তার সমাজবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা কী? মহিষাসুরকে বধ করছেন দেবী দুর্গা। কে সেই মহিষাসুর? পৌরাণিক বর্ণনায় সে হচ্ছে মহিষরূপী অসুর বা আদিবাসী। সেই আদিবাসীদের হত্যা করেই বহিরাগত আর্যরা উর্বর কৃষিভূমি দখল করেছিল। গড়ে তুলেছিল কৃষিসভ্যতা। অনার্য নিধন আর আর্য বিজয়ের স্মৃতির ইতিহাসই দুর্গাপূজা। অন্যদিকে মহিষাসুরের রূপকল্পে কী রয়েছে? কৃষিসভ্যতা উদ্ভবের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ এবং তৃণভোজী পশুর সঙ্গে শস্য বা তৃণভূমি নিয়ে সংঘাত শুরু হয়। মানুষ নির্মমভাবে পশুহত্যা করে নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করে।

এমন একটা সময় ছিল যখন সারা বিশ্বের তৃণ বা শস্যভূমি ছিল বাইসন বা মহিষদের চারণভূমি। আজও বাইসনদের অবশেষ টিকে আছে আফ্রিকায়। ভারতবর্ষের হিমালয় অঞ্চল থেকে শুরু করে নর্থইস্ট ইন্ডিয়ার শিলিগুড়ি, আসাম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে আজও বুনো মহিষদের বংশধররা টিকে আছে। কিন্তু মানুষের সভ্যতা তাদের দিকে অষ্টপ্রহর নজর রাখছে। অরণ্য ছাড়লেই হাতিরা নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে মৃত্যুবরণ করছে। হিংস্র মানুষের ঘৃণা আর জিঘাংসার আগুন জ্বলে চোখে চোখে।

আজ পশুনিধন এবং পাখি হত্যা চলে সভ্যতার নামে। ব্রিটেন এবং অস্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের বহু দেশে সমুদ্র উপকূলের নিকটবর্তী বিমানবন্দরে বিমান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী সমুদ্র চিলকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এদের সংখ্যা হাজার হাজার। বাংলাদেশের মতো দেশে কেবল রসনাতৃপ্তির জন্য নদী এবং হাওর অঞ্চলে শীতকালে শস্যক্ষেতে জাল পেতে হাজার হাজার চড়ুই, বাবুই এবং পাহাড় থেকে পরিযায়ী হয়ে আসা মুনিয়া পাখি খুন করা হয়। স্বাধীনতার আগেও বাংলাদেশে এমন কোনো গ্রামের ঝোপ-ঝাড় ছিল না যার ভেতর বুনো খরগোশরা বসবাস করত। আজ তারা প্রজাতি বিলুপ্তির খাতায় নাম তুলেছে। স্বাধীন বাঙালি ওদের ধরে খেয়ে ফেলেছে। এই ভিতু প্রাণীটির তৃণভোজের সময়কাল বড় রহস্যময়। কাকজোছনার ভোরবেলা কিংবা গোধূলি নামা ঘনায়মান সন্ধ্যাকালে নির্জন মাঠ আর ধানক্ষেতে কচি ঘাস খুঁজে বেড়ায় ওরা। ফকফকে জোনাক পড়া রাতেও ওরা খাদ্য খুঁজে বেড়ায়। বাংলা ও বাঙালির প্রকৃতিবিশ্ব থেকে ওরা হারিয়ে গেছে। কেবল বেঁচে আছে বিভূতিভূষণের ‘পথের পাঁচালি’ উপন্যাসে কৌতূহলী বালক অপুর চোখে, ‘ও বাবা ওটা কী? বড় বড় কান?’

সভ্যতার নামে উটের মতো নিরীহ প্রাণীকে প্রতি বছর নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয় সভ্য দেশ অস্ট্রেলিয়ায়। কেননা এককালের ভারতের রাজস্থানের উটরা অস্ট্রেলিয়ায় এসে বুনো হয়ে গেছে। এরা প্রভুহীন, গৃহহীন। ঔপনিবেশিক যুগে অস্ট্রেলিয়ার মরু অঞ্চলের খনিজ পদার্থ বহনের জন্য এদের পূর্ব পুরুষদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে উন্নতমানের পরিবহন যান আবিষ্কারের ফলে উটরা বিতাড়িত হয়ে আরণ্যক হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে পানির সন্ধানে নগরে হানা দিতে গিয়েই প্রাণ হারায়। আমেরিকার তৃণভূমিতে প্রায়ই চলে বাইসন হত্যালীলা। কী অপরাধ? কেননা ওরা সংখ্যায় বৃদ্ধি পেয়ে সভ্যতার ভারসাম্য নষ্ট করছে। অস্ট্রেলিয়ায় যেভাবে ক্যাঙ্গারু হত্যা চলে প্রতি বছর, এই গণনিধন তো সভ্যতারই নামে।

সভ্যতার নামে মানুষকে কে অধিকার দিয়েছে নরহত্যা কিংবা পশু-পাখি হত্যার? মানুষের আবির্ভাবের আগে পৃথিবীতে আবির্ভাব ঘটেছিল অপরাপর প্রাণী এবং বৃক্ষ-অরণ্যের। মানুষ পৃথিবী জবরদখলকারী প্রাণী। অন্যের বাসস্থান ওরা দখল করেছে। পৃথিবীর বৃক্ষ কিংবা তৃণ অথবা অপরাপর প্রাণীদের কাছে ওরা কি প্রকাশ করেছে কে তাদের হত্যার অধিকার দিয়েছে? তাই তো প্রশ্ন জাগে শিকার আখ্যান কি শিশুতোষ বই? নাকি মানুষের বর্বরতার ইতিকথা? শিশুতোষ বই কেন হিংস্রতা উসকে দেবে?

লেখক কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত