যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য গণতান্ত্রিক পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ। শাহবাজ শরিফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর গত সোমবার হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি এমন মন্তব্য করেন বলে জানিয়েছে জিও নিউজ।
হোয়াইট হাউজে এক ব্রিফিংয়ে সাকি বলেন, ‘সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের শান্তিপূর্ণ পুনর্বহাল আমরা সমর্থন করি। আমরা একটি রাজনৈতিক দলের ওপর আরেকটি দলকে সমর্থন করি না।’ তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ করে আইনের শাসনের মূল্যবোধ ও আইনে ন্যায়বিচার পাওয়ার সমতাকে সমর্থন করে। পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদের সহযোগিতাকে গুরুত্ব দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক পাকিস্তানকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখে। ক্ষমতায় যে-ই থাকুক না কেন, এ অবস্থান অপরিবর্তিত থাকে।
শাহবাজকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ফোন করবেন কিনা এমন প্রশ্নে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ফোন করবেন কিনা, সে বিষয়ে এ অবস্থায় ও এ সময়ে আমার আগাম বলার মতো কিছু নেই। অবশ্যই, বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের সঙ্গে আমরা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রেখেছি।’ প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্ট বাইডেন ২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর ইমরান খানের সঙ্গে কখনো টেলিফোনে কথা বলেননি। ক্ষমতা গ্রহণের পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।
নানা নাটকীয়তার পর জাতীয় পরিষদে বিরোধীদের আনা অনাস্থা ভোটে ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান ইমরান খান। এ অনাস্থা ভোটের পেছনে একটি বিদেশি রাষ্ট্রের (যুক্তরাষ্ট্র) ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করে আসছেন তিনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি বরাবরই অস্বীকার করে আসছে। পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ জাতীয় পরিষদে অনাস্থা ভোটে হেরে ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর পদ হারান ইমরান খান। সরকার পতনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে অভিযোগ ইমরান ও তার দলের। গত ৮ মার্চ বিরোধীরা পার্লামেন্টে অনাস্থা প্রস্তাব আনার পর থেকেই এ অভিযোগ করে আসছেন ইমরান।
