আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অনেক ঘটনা ঘটছে। জানি না চট্টগ্রামের এই কনটেইনার ডিপোর অগ্নিকান্ড নাশকতা কি না?
গতকাল বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে খুলনা ও বরিশাল বিভাগ, বৃহত্তর ফরিদপুর ও মুন্সীগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতাএবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভার বক্তব্যে এ কথা বলেন সেতুমন্ত্রী। সেতু মন্ত্রণালয় এ সভার আয়োজন করে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে সামনে রেখে এ ধরনের অন্তর্ঘাত করার ষড়যন্ত্র আছে। এমনকি উদ্বোধনের দিনেও একটা ঘটনা ঘটানোর জন্য অনেকে কিন্তু মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে। আমাদের সাবধান থাকতে হবে। সবাই সতর্ক থাকবেন। যাতে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিনে শত্রুরা ভেতরে ঢুকে কোনো ধরনের নাকশতা ও অন্তর্ঘাত না করতে পারে। এ কথাটা বলার জন্য আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সকলেই সেদিন সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখবেন। জনসভার দিন পানি, টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জনস্বাস্থ্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখবেন ২৫ তারিখে কোনো গাড়ি পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে যাবে না। ২৬ তারিখ সকাল থেকে সময় জানিয়ে দেওয়া হবে, টোল দিয়ে পার হতে হবে। আসা-যাওয়া হবে। সেটা পরের দিন। আগের দিন (২৫ জুন) হয়তো কিছু সময়ের জন্য খোলাও হতে পারে, সেটা এখনো নিশ্চিত না। সেদিন পায়ে হেঁটে যাতায়াত করতে পারবেন। এমন সময়সীমা দেওয়ার চিন্তাভাবনা আছে।’
২৫ জুন কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে হতে যাওয়া জনসভায় ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ হবে বলে আওয়ামী লীগ নেতারা যে বক্তব্য দিয়েছেন তার সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সেটা ১৫ কিংবা ২০ লাখও হতে পারে। কী হবে সেটা এখন বলতে পারব না। তবে জনতার ঢল নামবে এটা বলতে পারি। পদ্মা সেতু ও শেখ হাসিনাকে দেখতে আসবেন। এই দুটোই তো আকর্ষণ।’
পদ্মা সেতুর সব কৃতিত্ব আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দাবি করে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার অসীম সাহসের সোনালি ফসল, সততা ও সাহসের প্রতীক পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র ও গুজব আগে হয়েছিল, এখনো হচ্ছে। ব্যয় সংকোচন করে হেলিকপ্টার কেনা হবে এমন গুজবও তো আছে।’
পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুটি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী নাজমুল হুদা সাংবাদিকদের বলেছেন, এ নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি, কিন্তু কোনো ভিত্তিপ্রস্তর হয়নি। কী মিথ্যাচার। মির্জা ফখরুল কীভাবে যে এত মিথ্যা কথা বলেন। এদের বুকে বিষজ্বালা নিয়ে অপপ্রচার, মিথ্যাচার করছেন।’
