প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি এসেছে: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০২২, ০৭:৫৩ পিএম

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, এই দেশে অনেকেই ক্ষমতায় ছিল, কেউ কিন্তু পাসপোর্টে কিংবা সরকারি ফর্মে তৃতীয় লিঙ্গ লেখার সুযোগ করে দেই নাই। বঙ্গবন্ধুকন্যার হাত ধরেই তৃতীয় লিঙ্গের স্বীকৃতি এসেছে। এবং তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মা হচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ার কারণে অন্যান্যবারের তুলনায় এবার ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক হচ্ছে। এটি আমার কথা নয়, মানুষের বক্তব্য। অথচ অনলাইনে দেখলাম, বিএনপি নেতারা বক্তব্য রাখছেন মানুষের ঈদ যাত্রায় দুর্ভোগ হচ্ছে। আসলে মানুষ ভালো আছে বিধায় তাদের মনটা খারাপ। পবিত্র ঈদুল আজহা হচ্ছে ত্যাগের, এবং মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব স্থাপনের শিক্ষা দেই ঈদ উৎসব। আমি আশা করবো ঈদকে সামনে রেখে তারা দেশে মিথ্যাচার এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার রাজনীতিটা বন্ধ করবেন। 

শনিবার (৯ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলের জন্য মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর ওপর বই হস্তান্তর এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জন্য ঔষধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এ সব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার দেশের সব জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশ্বাস করে। গত সাড়ে তের বছর সময়ের মধ্যে অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর যে উন্নয়ন হয়েছে সেটি বাংলাদেশে আগে কখনো হয়নি। উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশেও এভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কথা ভেবে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়নি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, আজ থেকে তের-চৌদ্দ বছর আগের কথা ভাবুন, শুধু তৃতীয় লিঙ্গ নয়, যাদের অটিস্টিক শিশু আছে তাদের মা-বাবারা লুকিয়ে রাখতো। আর এখন যার অটিস্টিক শিশু আছে তিনি নিজ থেকে প্রকাশ করেন। আমাদের দেশের অটিস্টিক কিশোর-যুবকেরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে অংশগ্রহণ করে পদক নিয়ে এসেছে। এটি কেউ কখনো ভাবেনি। জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের কারণে এটি সম্ভবপর হয়েছে। অর্থাৎ যেই শিশুদের মা-বাবাও লুকিয়ে রাখতো সেই শিশুদের কথাও ভেবেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমরা যখন ২০০৯ সালে সরকার গঠন করি তখন দরিদ্র সীমার নিচে বাস করতো ৪১ শতাংশ মানুষ। আজকে সেটা ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। অতি দারিদ্রতা নেমে এসেছে ১০ শতাংশে। এটি সম্ভবপর হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমস্ত শ্রেণি-পেশার মানুষের দিকে নজর দিয়েছেন বলে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত